পিরোজপুরে নব নিযুক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ
Published: 9th, November 2025 GMT
পিরোজপুর জেলা প্রশাসনে যুক্ত হচ্ছেন নতুন নেতৃত্ব। জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রশাসনে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ ইতিমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে সহকর্মীদের। এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে যাচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পিরোজপুরে।
আরো পড়ুন:
বিসিএস পশুসম্পদ ক্যাডারে সমন্বিত মেকআপ কোর্সের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন
৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
সরকার সম্প্রতি দেশের ১৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬ জন বর্তমান ডিসিকে বদলি করা হয়েছে অন্য জেলায়, আর উপসচিব পদমর্যাদার আরও ৯ জন কর্মকর্তাকে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় পিরোজপুরের নতুন ডিসি হিসেবে স্থান পেয়েছেন আবু সাঈদ।
এর আগে জেলার প্রশাসনিক নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান, যিনি সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে যুগ্ম সচিব পদে যোগ দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পিরোজপুরে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি জেলার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
তাঁর সময়েই শহরের সৌন্দর্যবর্ধনে এবং নাগরিক সেবার উন্নয়নে হাতে নেওয়া হয় বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রকল্প। মৃতপ্রায় ভারানি খালের পুনঃখননের মাধ্যমে শহরে ফিরিয়ে আনা হয় প্রাণ, বেকুটিয়া সেতুর নিচ ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গড়ে ওঠে পরিচ্ছন্নতার নতুন দৃষ্টান্ত। প্রবীণদের জন্য পার্ক নির্মাণ এবং একটি ‘সিগনেচার সড়ক’ তৈরির উদ্যোগও তাঁর সময়েই শুরু হয়।
এখন জেলার নেতৃত্বে আসছেন নতুন ডিসি আবু সাঈদ। স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ আশাবাদী, তাঁর অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা পিরোজপুরের চলমান উন্নয়নধারাকে আরও গতিশীল করবে।
জেলার একজন প্রবীণ নাগরিক বলেন, “মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খানের সময়ে যেমন উন্নয়ন হয়েছে, আমরা চাই নতুন ডিসি সেই ধারা আরও এগিয়ে নিন। পিরোজপুরের সম্ভাবনা অনেক। একজন গতিশীল প্রশাসকই সেটি বাস্তবে রূপ দিতে পারেন।”
নতুন দায়িত্বে আবু সাঈদের যোগদানের মধ্য দিয়ে পিরোজপুর প্রশাসনে শুরু হচ্ছে এক নতুন অধ্যায়। যেখানে প্রত্যাশা, উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার মেলবন্ধনে গড়ে উঠবে একটি আরও প্রাণবন্ত জেলা প্রশাসন।
ঢাকা/তাওহিদুল/আমিনুল
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
দুটি ডিমের খাঁচা উন্মোচন করল ২৪ বছর আগে পাওয়া অজ্ঞাত লাশের রহস্য
২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাস। কর্ণাটকের কোনানাকালু রিজার্ভ ফরেস্টে টহল দিচ্ছিলেন একজন বনরক্ষী। টহলের সময় তিনি জঙ্গলের ভেতর একজন পুরুষের লাশ দেখতে পান। তাৎক্ষণিক খবর দেন কর্তৃপক্ষকে।
এ ঘটনার প্রথম সূত্র পাওয়া যায় নিহত ব্যক্তির পকেট থেকে। সেখানে ছিল একটি পাসবুক আর একটি ফোন নম্বর। এগুলো দেখে ধারণা করা হয়, নিহত ব্যক্তি শিবামোগ্গার এক ব্যবসায়ী। কিন্তু খুব দ্রুতই সেই সূত্র অকার্যকর হয়ে পড়ে।
এরপর কেটে যায় বছরের পর বছর। কোনো ডিজিটাল তথ্য ছিল না। খুনিরা ব্যবহার করেছিলেন একটি এসটিডি ফোনবুথ আর ল্যান্ডলাইন। ফলে এ–সংক্রান্ত মামলাটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই অমীমাংসিত থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছিল।
প্রথম পাওয়া সূত্র অকার্যকর হয়ে যাওয়ার পর কেটে যায় বছরের পর বছর। কোনো ডিজিটাল তথ্য ছিল না। খুনিরা ব্যবহার করেছিলেন একটি এসটিডি ফোনবুথ আর ল্যান্ডলাইন। ফলে এ–সংক্রান্ত মামলাটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই অমীমাংসিত থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছিল।সময় এগিয়ে আসে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর। খুনের ওই ঘটনায় পুরোনো ফাইল আবার খোলা হয়। খতিয়ে দেখা হয় অন্তত ছয়টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা অনেকগুলো ফোনবুথের কল রেকর্ড। কর্ণাটক পুলিশের তদন্তকারীরা শেষ পর্যন্ত রহস্যের জট খুলতে সক্ষম হয়েছেন।
ডিমের খাঁচার প্রতীকী ছবি