শিশুতোষ গানের অ্যালবাম ‘হাউ মাউ খাও’
Published: 29th, November 2025 GMT
শিশুদের জন্য নতুন গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেছে ‘গানশালা’। এক নির্ঝরের গান উদ্যোগে নির্মিত শিশুতোষ অ্যালবামটির নাম ‘হাউ মাউ খাও’। অ্যালবামটিতে থাকছে মোট পাঁচটি নতুন গান।
এনামুল করিম নির্ঝরের কথা ও সুরে অ্যালবামটির সংগীতায়োজন করেছেন অটমনাল মুন। এই অ্যালবামে করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) তহবিল থেকে সহযোগিতা করেছে শেলটেক।
অ্যালবামে গান গেয়েছেন মৃন্ময়ী মেঘা, অরণি ক্যাথলিন, সামাহ ফাতিহা, প্রফুল্ল অংশুমন এবং তানভীর আলম। অ্যালবাম প্রসঙ্গে এনামুল করিম বলেন, ‘শিশু-কিশোরদের অনুভূতির বৈচিত্র্য, কল্পনা, অভিযোগ-অনুযোগ, শিশুদের চোখে প্রকৃতি, বড়দের প্রতি তাদের প্রত্যাশা এবং একই সঙ্গে বড়রা শিশুদের কীভাবে দেখে—এই বিষয়গুলো গানগুলোর মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’
অ্যালবামে একটি গান গেয়েছেন তানভীর আলম সজীব। শিশুদের জন্য গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিজের গায়কি থেকে বেরিয়ে গানটা করতে হয়েছে। নির্ঝর ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে গেলে বিষয়টা একধরনের কর্মযজ্ঞের মতো হয়। এইভাবে গাইতে হবে, ওইভাবে গাইতে হবে—প্রতিটি গানেই আলাদা অভিজ্ঞতা। শ্রোতারা গানগুলো উপভোগ করবেন বলে বিশ্বাস করি।’
আরও পড়ুনব্ল্যাকপিঙ্কের নতুন গান আসছে কবে১০ জুলাই ২০২৫গানশালার ইউটিউব চ্যানেলে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে অ্যালবামের প্রথম গান ‘হাউ মাউ খাও’। পর্যায়ক্রমে প্রকাশ পাবে ‘হাট্টিমাটিম টিম’, ‘তিড়িং বিড়িং ফড়িংটাকে’, ‘ছোটদের গান নিয়ে’ এবং ‘এই তুই কি করছিস?’
‘হাউ মাউ খাও’ গানটি গেয়েছেন শিশুশিল্পী মৃন্ময় মেঘা। অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আমার প্রথম রেকর্ড। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। খুব আনন্দ লাগছিল, অনেক খুশি হয়েছি। আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার অসুস্থতা, তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন দ্রুতই
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দ্রুতই তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন। দলীয় সূত্রগুলো থেকে এ আভাস পাওয়া গেছে। তবে ঠিক কখন তিনি ফিরবেন, তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর গুরুতর অসুস্থতার খবরে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও খুব উদ্বিগ্ন। তিনি ও তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান সার্বক্ষণিক মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছেন। জুবাইদা রহমান খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য। ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর বউ সৈয়দা শামিলা রহমান ও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারও হাসপাতালে আছেন।
আরও পড়ুনখালেদা জিয়ার অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ ৪ ঘণ্টা আগেগতকাল শুক্রবার বিকেলে অসুস্থ খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি রাতে আবারও হাসপাতালে ছুটে যান। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও সেখানে ভিড় জমান। এ পরিস্থিতিতে তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরছেন বলে জানা গেছে।
আগামী ডিসেম্বর মাসের শুরুতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে। সে সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার একটি সম্ভাব্য তারিখ আলোচনায় ছিল।
লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও খুব উদ্বিগ্ন। তিনি ও তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান সার্বক্ষণিক মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছেন। জুবাইদা রহমান খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য।নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একজন নেতা গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন। দেশে ফিরেই তিনি ভোটার হবেন এবং নির্বাচনী প্রচারে যুক্ত হবেন।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, ১৭ বছর পর দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার প্রত্যাবর্তন ঘিরে আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর নিরাপত্তা, বাসভবন সংস্কার, অফিস সজ্জাসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে, বিএনপির এমন নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এমন পরিকল্পনা ছিল যে পবিত্র ওমরাহর জন্য সৌদি আরবে যাবেন তিনি। এরপর সরাসরি লন্ডন থেকে ঢাকায় আসবেন।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, ১৭ বছর পর দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার প্রত্যাবর্তন ঘিরে আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর নিরাপত্তা, বাসভবন সংস্কার, অফিস সজ্জাসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।কিন্তু হঠাৎ মায়ের গুরুতর অসুস্থতা এসব পরিকল্পনা পাল্টে দিতে পারে এবং দ্রুতই তাঁকে দেশে ফিরতে হতে পারে।