ইসরায়েল কি এবার সত্যিই জাতিসংঘের সদস্যপদ হারাতে পারে
Published: 29th, November 2025 GMT
২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর চিলির বেশ কয়েকটি নাগরিক সংগঠন জাতিসংঘ থেকে ইসরায়েলকে বহিষ্কারের দাবি তুলে একটি প্রচারাভিযান শুরু করেছে। তারা জাতিসংঘ সনদের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও জাতিসংঘের অনেক প্রস্তাবনা ধারাবাহিক এবং পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘন করছে। গাজায় চলমান গণহত্যা ও মানবিক সংকটের পটভূমিতে এ দাবি তুলেছে তারা।
জাতিসংঘ সনদের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জাতিসংঘের যেকোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি ধারাবাহিকভাবে সনদের মূলনীতি লঙ্ঘন করে, তবে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদ সেই রাষ্ট্রকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কার করতে পারে।’
তবে এ ধরনের দাবি এবারই প্রথম নয়। গত সেপ্টেম্বরে কাতারে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর পাকিস্তানও জাতিসংঘে দেশটির সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কার করার দাবি তোলে। পাকিস্তান বলেছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক শান্তি–নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। পাকিস্তানের জাতিসংঘ দূত সতর্ক করেন, ইসরায়েলের এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক শৃঙ্খলার জন্য বিপজ্জনক।
একইভাবে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ বহুবার ইসরায়েলের সদস্যপদ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও জাতিসংঘের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, জাতিসংঘ সনদ লঙ্ঘন করেছে এবং বিশ্ব সংস্থাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
জাতিসংঘ সনদের দুটি অনুচ্ছেদে সদস্যরাষ্ট্রের পদ স্থগিত বা বহিষ্কার করার বিধান রয়েছে। ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বহিষ্কার, আর ৫ নম্বরে সদস্যপদ স্থগিত করা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
পাকিস্তান বলেছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক শান্তি-নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। পাকিস্তানের জাতিসংঘ দূত সতর্ক করেন, ইসরায়েলের এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক শৃঙ্খলার জন্য বিপজ্জনক।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে জাতিসংঘ গঠনের পর থেকে সনদের ৫ ও ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীন কোনো দেশের সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কার করা হয়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী নীতির কারণে সাধারণ পরিষদের ক্রেডেনশিয়াল কমিটি দেশটির প্রতিনিধিদলের পরিচয়পত্র বাতিলের সুপারিশ করলে তারা সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে পারেনি।
আরও পড়ুনজাতিসংঘে নেতানিয়াহু ভাষণ দিতে এলেই শুরু হয় প্রতিবাদ, বেরিয়ে যান অনেক প্রতিনিধি২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইতিহাসে ইসরায়েলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের কয়েকটি চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক চাপ ও ভেটো হুমকির কারণে সব কটিই ব্যর্থ হয়। প্রথম বড় প্রচেষ্টা ছিল ১৯৭৫ সালে, যখন আলজেরিয়া ও সিরিয়া ইসরায়েলের সদস্যপদ স্থগিত করতে যৌথ উদ্যোগ নেয়। এ জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ প্রয়োজন ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোর হুমকিতে উদ্যোগটি থেমে যায়। পরে ইসরায়েলকে বিচ্ছিন্ন করতে বিকল্প পথ খোঁজা হয়। ফলস্বরূপ ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ প্রস্তাব ৩৩৭৯ পাস করে। প্রস্তাবটিতে জায়নিজমকে (ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে জাতীয়তাবাদী ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন) ‘বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যের একটি রূপ’ ঘোষণা করা হয়।
৩৪টি মুসলিম দেশ ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন (ইউএসএসআর) মিলে আরেকটি প্রচেষ্টা চালায়। তারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ক্রেডেনশিয়াল কমিটিকে চিঠি পাঠিয়ে ইসরায়েলকে বহিষ্কারের দাবি করে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। উপরন্তু ফিলিস্তিন ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবনাগুলোকে ইসরায়েলের অবমাননা করা ও চ্যালেঞ্জ জানানোর বিষয়ও আমরা আবার তুলে ধরতে চাই।’
আরও পড়ুনসৌদি আরব কেন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে না, অন্যান্য মুসলিম দেশের অবস্থান কী২৮ নভেম্বর ২০২৫এসব দেশ আরও বলেছে, ইসরায়েল জাতিসংঘ সনদের প্রতি অমর্যাদা দেখাচ্ছে এবং দায়িত্ব এড়িয়ে চলছে। তাই এটি ‘শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্র’ নয়, যা জাতিসংঘ সদস্যপদের জন্য প্রয়োজন। তবে ইসরায়েলের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থনের কারণে প্রচেষ্টাটি ব্যর্থ হয়। প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পায়নি তারা।
২০১৮ সালে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেট ‘নেশন-স্টেট বিল’ পাস করে। বিলের ১(ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘ইসরায়েলের ভূমি ইহুদি জনগণের ঐতিহাসিক মাতৃভূমি।’ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এ আইনকে ‘অবৈধ, বর্ণবাদী ও বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দেন। পরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের তহবিল বন্ধের হুমকি দিলে এ উদ্যোগও থেমে যায়।
ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। উপরন্তু ফিলিস্তিন ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবনাগুলোকে ইসরায়েলের অবমাননা করা ও চ্যালেঞ্জ জানানোর বিষয়ও আমরা আবার তুলে ধরতে চাই।এসব ইতিহাস থেকে বোঝা যায়, ইসরায়েলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের দাবি আইনি ভিত্তি রাখে। কিন্তু রাজনৈতিক চাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধা এটিকে বাধাগ্রস্ত করছে। কোনো বাস্তব প্রস্তাব কার্যকর করার জন্য প্রয়োজন—নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ও পাঁচ স্থায়ী সদস্যের (পি–ফাইভ) কারও ভেটো না দেওয়া। বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক অবস্থান এবং কিছু পি–ফাইভ দেশের ইসরায়েলকে সমর্থনের বিবেচনায় এ ধরনের প্রস্তাব পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম।
আরও পড়ুনগাজায় নিহতের সংখ্যা ১ লাখের বেশি হতে পারে: জার্মানির শীর্ষ গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য২৬ নভেম্বর ২০২৫তবু আইনি প্রক্রিয়ার উপস্থিতি ও গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে বৈশ্বিক ক্ষোভ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এ দাবির প্রতীকী ও রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক। এখনই বহিষ্কার করা সম্ভব না হলেও এ দাবিকে এগিয়ে নেওয়া আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলকে বিচ্ছিন্ন করার, তার সুনামহানিতে চাপ সৃষ্টি ও ধাপে ধাপে বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশলের অংশ হতে পারে।
জাতিসংঘ সনদের ৫ ও ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো রাষ্ট্রের সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কার করা কঠিন। কারণ, এটি নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে যেতে এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোর মুখোমুখি হতে হয়। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে রক্ষা করতে ৫১ বার ভেটো ব্যবহার করেছে। তাই সাধারণ পরিষদের কাঠামোর মধ্যে কাজ করার সুযোগ তুলনামূলক বেশি, বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বহু দেশের ফিলিস্তিনের পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান ও সমর্থনের কারণে।
২০২৪ সালের মে মাসে সাধারণ পরিষদ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার পক্ষে প্রস্তাব পাস করে। ভোটের ফলাফল ছিল—পক্ষে ১৪৩, বিপক্ষে ৯, অনুপস্থিত ২৫। একইভাবে ওই বছর সেপ্টেম্বরে সাধারণ পরিষদ ইসরায়েলকে তার অবৈধ দখল অবিলম্বে শেষ করতে বলে একটি প্রস্তাব পাস করে। ভোটের ফলাফল ছিল—পক্ষে ১২৪, বিপক্ষে ১৪, অনুপস্থিত ৪৩। আবার গত ১২ সেপ্টেম্বর (ফিলিস্তিন–ইসরায়েল সংকটে) দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান প্রস্তাব সমর্থনকারী ‘নিউইয়র্ক ঘোষণা’ ১৪২টি রাষ্ট্র অনুমোদন করে। বিপক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ১০টি এবং অনুপস্থিত থাকে ১২টি দেশ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাম্প্রতিক অধিবেশনে নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করেন। এতে খালি হয়ে যায় অধিবেশন কক্ষের বেশির ভাগ আসন.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: জ ত স ঘ সনদ র য ক তর ষ ট র স প ট ম বর ইসর য় ল র প রস ত ব এ ধরন র প স কর উদ য গ
এছাড়াও পড়ুন:
লোহাগাড়ায় দরকার সমন্বিত পদক্ষেপ
খালের মাঝখানে একটি পাকা সেতু দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই সেতুর কোনো প্রান্তেই নেই সংযোগ সড়ক। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এ যেন স্থাপত্যবিদ্যার অমীমাংসিত কোনো শিল্পকর্ম! কিন্তু বাস্তব হচ্ছে, এ সেতু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের চূড়ান্ত দায়িত্বহীনতার ফল।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের হিন্দুপাড়ার জামছড়ি খালের ওপর নির্মিত ওই সেতু এখন পড়ে আছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। আড়াই বছর আগে প্রায় কোটি টাকা খরচ করে ওই সেতু বানানো হয়। কিন্তু এর দুই পাশে মাত্র দেড় শ ফুট সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি।
সেতুর খুব কাছেই গ্রামীণ রাস্তা রয়েছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে কয়েক দিনের মধ্যেই সেতুটি ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব। কিন্তু এ কাজের দায়িত্ব কার, তা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা কেবল একে অপরের কাঁধে দায় চাপিয়ে চলছেন। প্রতিকার আসছে না। ঠিকাদার দাবি করছেন, প্রকল্পে ১২ ফুট প্রস্থের সংযোগ সড়কের অনুমোদন থাকলেও স্থানীয় লোকজন ১৮ ফুট প্রস্থ দাবি করায় কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।
আর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলছেন, তিনি যোগ দেওয়ার আগেই সেতুটি উদ্বোধন হয়েছে। বিষয়টি তিনি জানতেন না। তিনি অবশ্য দ্রুত সেতুটি চলাচলের উপযোগী করতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট বোঝা যায়, পুরো বিষয়টি যথাযথ তদারকির অভাবে দীর্ঘদিন অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে।
পরিকল্পনাহীনতা, দায়িত্বহীনতা ও সমন্বয়ের অভাবের এ উদাহরণ নতুন নয়। কিন্তু এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পাঁচ বছর আগে নিজেদের তাগিদে একটি বেইলি সেতুটি নির্মাণ করেছিলেন স্থানীয় লোকজন। এখন নড়বড়ে অবস্থায় থাকা ওই বেইলি সেতু বর্ষাকালে ডুবে যায়। তবু বাধ্য হয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সেই সেতুতেই চলাচল করছে। অথচ ওই বেইলি সেতুর পাশেই কোটি টাকার পাকা সেতুটি দাঁড়িয়ে আছে কেবল স্মারক হয়ে! এ দৃশ্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমরা আশা করি, দ্রুত এ সংকট সমাধান করা হবে। প্রথমত, প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িত সব পক্ষ—উপজেলা প্রশাসন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এক টেবিলে বসে সমস্যার সমাধানে পৌঁছাতে হবে। সেতুর প্রস্থ, সংযোগ সড়কের নকশা ও প্রয়োজনীয় বাজেট স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, যেহেতু প্রকল্পে সংযোগ সড়কের বরাদ্দ রয়েছে, তাই দ্রুত সেই বরাদ্দ কার্যকর করে সড়ক নির্মাণে বাধা দূর করতে হবে।
জনস্বার্থের প্রকল্প এভাবে অবহেলায় পড়ে থাকতে পারে না। জনগণের দুর্ভোগ কমানোই সরকারি প্রকল্পের লক্ষ্য, এ কথা ভুলে গেলে চলবে না। ফলে প্রয়োজন দ্রুত সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জনস্বার্থে কার্যকর ভূমিকা।