অবিভক্ত ভারতবর্ষের একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। ফার্সি ও উর্দু কবিতার জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা আধুনিক ফার্সি ও উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইকবালের দর্শনের মূল কথা হলো ‘খুদী’ বা আত্মপরিচয়। যা ব্যক্তিদের নিজেদের সম্ভাবনা উপলব্ধি করতে এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে উৎসাহিত করে। তিনি মুসলিম উম্মাহকে তাদের বিলুপ্ত গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের উক্তিগুলো আপনাকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে। 

 ১.

অহংকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য কিছু দেখা নয়, বরং কিছু হওয়া।

আরো পড়ুন:

ছুটির দিনে পাঁচটি কাজ করতে পারেন

বাঁধাকপির যত উপকারিতা

২. যাদের চিন্তাভাবনার ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই তাদের চিন্তার স্বাধীনতা দ্বারা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩. আমি আকাশের শিরাগুলির গতিবিধি এবং চাঁদের শিরাগুলিতে রক্ত প্রবাহিত হতে দেখেছি।

৪. ‘ভোগবিলাস বাড়িয়ে কী উপকারে আসবে! উঠ, চোখ মেলো, প্রিয় রবকে কর স্মরণ!

৫. সব কিছু চেয়েছি, শুধু তাকেই চাইতে ভুলে গেছি!

৬. এমন জীবন অতিবাহিত করে কী উপকারে আসবে! যৌবনকালে ভুলে গেয়েছ তোমার রবকে, ক্ষমতার বলে দেখিয়েছ দাপট।

৭. সমস্ত জ্ঞানই ততক্ষণ অকেজো যতক্ষণ না তা তোমার জীবনের সাথে সংযুক্ত হচ্ছে, কারণ জ্ঞানের উদ্দেশ্য নিজেকে ছাড়া আর কিছু নয়।

৮. বিশ্বাসীদের জীবন সূর্যের মতো। এদিকে ডুবে, ওদিকে ওঠে; ওদিকে ডুবে, এদিকে ওঠে।

৯. যদি তুমি কিছু সঠিকভাবে করতে চাও, তাহলে নিজেই করো।

১০. হতাশ হইয়ো না - যদি তোমরা সত্যিকারের মুমিন হও, তাহলে তোমাদেরই জয় হবে।

ঢাকা/লিপি

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ইকব ল

এছাড়াও পড়ুন:

‘মায়ের স্নেহ স্পর্শের আকাঙ্ক্ষা থাকলেও দেশে ফেরা সহজ নয়’

চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা ‘সংকটাপন্ন’। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের পাশে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা থাকলেও একক সিদ্ধান্তে দেশ ফিরতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান। 

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান। 

লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান ওই পোস্টে লেখেন, “বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।”

দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।” 

সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, “একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।” 

মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার ব্যাকুলতা জানিয়ে তিনি বলেন, “এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।” 

ঢাকা/ইভা 

সম্পর্কিত নিবন্ধ