যে ৮ কিশোর বদলে দিতে পারেন আগামী দিনের ফুটবল
Published: 29th, November 2025 GMT
প্রতিভারা কখনো কখনো বেড়ে ওঠেন নিভৃতে। তবে বড় মঞ্চ পেলে নিজেদের জাত চেনাতে ভোলেন না। সম্প্রতি কাতারে হয়ে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ যেন ছিল এমন অনেক প্রতিভার জন্য নিজেদের চেনানোর মঞ্চ।
ফাইনালে অস্ট্রিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে বয়সভিত্তিক এই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে পর্তুগাল। ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোর একাডেমি ও রিক্রুটমেন্ট বিভাগের প্রতিনিধি হয়ে প্রায় ১০০ স্কাউট উপস্থিত ছিলেন এই টুর্নামেন্টে। সন্দেহ নেই, তাঁদের অনেকেই টুর্নামেন্ট শেষে হাসিমুখে ফিরেছেন পকেটে ছোট কিংবা বড় কোনো তালিকা নিয়ে। সেই তালিকায় থাকতে পারেন, এমন আটজন ফুটবলারকে বেছে নিয়েছে ইএসপিএন। নিজেদের প্রতিভা দিয়ে যাঁরা আলাদা করে নজর কেড়েছেন, আভাস দিয়েছেন শিগগিরই আরও বড় মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার।
ইওহানেস মোসারঅ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, লিফারিং, অস্ট্রিয়া
এই আসরের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার বলা যায় মোসারকে। অস্ট্রিয়াকে ফাইনালে নিয়ে যাওয়ায় বড় ভূমিকা তাঁর। গোল করার সহজাত প্রবৃত্তি, বল পায়ে না থাকা অবস্থায়ও দুর্দান্ত মুভমেন্ট এবং পেনাল্টি কিকের সময় দারুণ ঠান্ডা মাথা—সব মিলিয়ে নিজেকে আলাদা করে চিনিয়েছেন। পেনাল্টি থেকে ৩টি গোল করেছেন, এর মধ্যে একটি ছিল দারুণ ‘পানেনকা’।
ইওহানেস মোসার.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
‘মায়ের স্নেহ স্পর্শের আকাঙ্ক্ষা থাকলেও দেশে ফেরা সহজ নয়’
চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা ‘সংকটাপন্ন’। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের পাশে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা থাকলেও একক সিদ্ধান্তে দেশ ফিরতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।
লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান ওই পোস্টে লেখেন, “বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।”
দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।”
সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, “একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।”
মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার ব্যাকুলতা জানিয়ে তিনি বলেন, “এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।”
ঢাকা/ইভা