‎দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আলোচ্য এ সময়ে ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ২.৮৭ শতাংশ।

‎শনিবার (২৯ নভেম্বর) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

‎তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৮.

৭০ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে তা অবস্থান করছে ৮.৯৫ পয়েন্টে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ০.২৫ পয়েন্ট বা ২.৮৭ শতাংশ।

‎এর আগের সপ্তাহের শুরুতে (১৬ থেকে ২০ নভেম্বর) পিই রেশিও ছিল ৮.৫৭ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে তা অবস্থান করছে ৮.৭০ পয়েন্টে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ০.১৩ পয়েন্ট বা ১.৫২ শতাংশ।

খাতভিত্তিক পিই রেশিওগুলোর মধ্যে- মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩.৩৯ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৪.৬১ পয়েন্টে, ব্যাংক খাতে ৬.১৩ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৯.৩৩ পয়েন্টে, আর্থিক খাতে ১০.২৬ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতে ১১ পয়েন্টে, টেক্সটাইল খাতে ১১.২৩ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতে ১২.৭৮ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতে ১৩.১৪ পয়েন্টে, সাধারণ বিমা খাতে ১৩.২৭ পয়েন্টে,  টেলিযোগাযোগ খাতে ১৩.৩৫ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৩.৩৫ পয়েন্ট, আইটি খাতে ১৫.৫৪ পয়েন্টে, বিবিধ খাতে ১৫.৬৭ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে ১৬.৪২ পয়েন্টে, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে ২৩.৩১ পয়েন্টে, পাট খাতে ২৭.৪৭ পয়েন্টে, ট্যানারি খাতে ৬২.২৯ পয়েন্টে এবং সিরামিক খাতে ৮৫.৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ঢাকা/এনটি/ইভা

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ড এসইর প ই র শ ও ব ড় ছ

এছাড়াও পড়ুন:

এখন অনলাইনেই সব নথি জমা দেওয়া যাবে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো এখন থেকে তাদের সব নথি ডিজিটাল উপায়ে তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইনে জমা দিতে পারবে। আগে কোম্পানিগুলোকে একই নথি হার্ড কপি ও ই-মেইলে একাধিক প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হতো। এখন এক জায়গা থেকেই সব নথি জমা দেওয়া যাবে।

এ জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তাদের স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেমে (এসএসএস) রেগুলেটরি সাবমিশন মডিউল ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) অনবোর্ডিং—এ দুটি ফিচার বা সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এ সেবার উদ্বোধন করা হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই জানায়, নতুন রেগুলেটরি সাবমিশন মডিউলের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো আর্থিক প্রতিবেদন, বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত, লভ্যাংশ ঘোষণা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুততম সময়ে অনলাইনে জমা দিতে পারবে। অন্যদিকে সিএসই অনবোর্ডিং চালু হওয়ায় ডিএসইর সিস্টেমে একবার তথ্য জমা দিলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে পৌঁছে যাবে। আবার সিএসইতে তথ্য জমা দিলে তা ডিএসইতে চলে আসবে। ফলে দুই এক্সচেঞ্জে আলাদা আলাদা নথি পাঠানোর প্রয়োজন হবে না। এতে সময় বাঁচবে ও কাজের গতি বাড়বে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন। তিনি বলেন, ডিএসইর নতুন ডিজিটাল সাবমিশন প্ল্যাটফর্মের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাজারসংশ্লিষ্ট আর্থিক তথ্যের সহজ, স্বচ্ছ ও মানসম্মত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। এটি নিয়ন্ত্রক, নিরীক্ষক ও অন্যান্য অংশীজনের তথ্য ব্যবহারের দক্ষতা বাড়াবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, এত দিন নথি জমা ও রিপোর্টিংয়ের বড় অংশ ম্যানুয়াল ও হার্ড কপিনির্ভর ছিল। এটি বিনিয়োগের কাজকে ধীর ও জটিল করেছে। এখন সেই অবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আসাদুর রহমান বলেন, এখন থেকে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও বাজারসংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা নিজ নিজ অফিস থেকেই অনলাইনে নথিপত্র জমা দিতে পারবেন। পাশাপাশি আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ডিএসইর ওয়েবসাইটের আধুনিক ল্যান্ডিং পেজ উন্মোচনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিএসইসির প্রধান হিসাবরক্ষক খায়রুল আনাম খান জানান, ইস্যুয়ারদের দাপ্তরিক জটিলতা ও দৌড়াদৌড়ি কমানোই এই ডিজিটালাইজেশনের মূল লক্ষ্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেমে আরও ব্যবসায়িক কার্যক্রম যুক্ত করা হবে।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইনস্যুরেন্স ও ক্যাপিটাল মার্কেট উইংসের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদ কুতুব, স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএর সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষে রিজেন্ট টেক্সটাইল
  • পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি কোটি টাকা
  • ৯ ব্রোকার হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিল ডিএসই
  • ডিএসইর চিঠির জবাব দেয়নি খুলনা প্রিন্টিং
  • পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থানে সপ্তাহ শেষ
  • নাসির উদ্দিন চৌধুরী সিএসইর পরিচালক পুনর্নির্বাচিত
  • এখন অনলাইনেই সব নথি জমা দেওয়া যাবে