দুবাইয়ের হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হ্যাগকে বিয়ে করে সংসার পেতেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। সেই সংসার ভেঙেছে। এই আবহে স্বামী পিটার হ্যাগের সঙ্গে তার পুরনো ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। কখনও সন্তানদের সঙ্গে তাদের সুখী দাম্পত্যের ছবিও প্রকাশিত হচ্ছে। এ বার এই ধরনের ছবি না ছাপানোর অনুরোধ জানালেন অভিনেত্রী।

সেলিনা জেটলি বলেন, ‘‘আমার স্বামীর সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে। সেই খবর প্রকাশের সময় আমার সন্তানদের ছবি দয়া করে সামনে আনবেন না। ওদের অন্তত রেহাই দিন।” 

আরো পড়ুন:

‘নয়ছয়’-এর নির্মাতা রাফায়েলকে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী মম

নায়ক মারুফের বাসায় থাকছেন মাহি

প্রসঙ্গত, সেলিনা এবং পিটার ২০১১ সালে বিয়ে করেন। ২০১২-তে প্রথম তাদের যমজ সন্তান হয়। ২০১৭ সালে দম্পতির দ্বিতীয় বার যমজ সন্তান হয়। চার সন্তানের একজনের হৃদরোগে মৃত্যু হওয়ায় দম্পতির বর্তমানে তিন সন্তান।

সেলিনা নিজের জীবন সম্পর্কেও কিছু অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘একাকী একজন নারী বিদেশে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে! কারণ, তার নিজের বলতে কেউ নেই। মা-বাবা বা স্বামী— যিনি আজীবন আগলে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনিও নেই!” 

ঢাকা/লিপি

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সন ত ন

এছাড়াও পড়ুন:

আলতাফ চৌধুরীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জেলা বিএনপি

পটুয়াখালী-১ আসন (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

গতকাল বুধবার বিকেলে সদর উপজেলায় এক নির্বাচনী সভায় আলতাফ হোসেন চৌধুরী জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতার উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘ওনারা ব্যাংকার দিয়ে রাজনীতি করাবে, কন্ট্রাক্টর দিয়ে নির্বাচন করাবে। গণ অধিকারের ভিপি নূরকে দিয়ে নির্বাচন করাবে। তাকে দিয়ে শুধু নির্বাচনই করাবে না, তাকে টাকাও দেবে, কিন্তু নূর রাজি হয়নি। তখন তারা রুহুল আমিন হাওলাদারকে (জাতীয় পার্টি) ধরছে। তারা আমাকে হারাতে ১০০ কোটি টাকার বাজেট করেছে।’

আলতাফ হোসেন চৌধুরীর এ বক্তব্যের প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান (টোটন) বলেন, ‘তাঁর এসব বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁর এ ধরনের উক্তি জেলা বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি কটূক্তিমূলক। আগামী ত্রায়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া একজন প্রার্থী জনসমক্ষে এ ধরনের মন্তব্য করতে পারেন কি না, তা সংশ্লিষ্ট মহলের বিবেচনার জন্য রেখে দিলাম।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ‘এ ছাড়া তিনি জেলা বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “জেলা কমিটি বাদ দেন, ওটা ফ্রিজ হয়ে গেছে, হিমাগারে চলে গেছে।” কাউন্সিলে নির্বাচিত হওয়া জেলা বিএনপির নেতৃত্বকে তিনি ডাকবেন কি না, তিনি তা পরে দেখবেন। একজন প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে জেলা বিএনপির নির্বাচিত কমিটিকে এইভাবে অবমূল্যায়ন করা সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি স্পষ্ট অসম্মান, যা তিনি পারেন না।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ‘আলতাফ হোসেন চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগ থেকেই জেলা বিএনপি নির্বাচনী এলাকাগুলোতে প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। কিন্তু তিনি বাসায় অবস্থান করে তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছেন। আর তাঁর নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক বানিয়েছেন দলীয় পদবিহীন মাকসুদ আহমেদ বায়জীদ পান্নাকে, যিনি কখনোই দলের দুর্দিনে মাঠে ছিলেন না। তা ছাড়া নির্বাচনকে ঘিরে আলতাফ হোসেন চৌধুরী এখন পর্যন্ত জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বসার প্রয়োজন মনে করেননি।’

সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকারসহ জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনআমাকে হারাতে জেলা বিএনপি ১০০ কোটি টাকার বাজেট করেছে, বললেন বিএনপির প্রার্থী৭ ঘণ্টা আগে

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • দ্বীপের একমাত্র সরকারি কলেজটি চলছে অর্ধেকের কম শিক্ষকে
  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে মায়ের পাশাপাশি সন্তানের ঝুঁকি তৈরি হয়
  • মহাসড়কে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া পিকআপ ভ্যান থেকে একজনের লাশ উদ্ধার, আহত ২
  • গোপালগঞ্জ শহরে হোটেল থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার
  • কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় দুজনের মৃত্যু
  • মণিপুরে আসাম রাইফেলসের চৌকিতে হামলা, ৪ জওয়ান আহত
  • দাউদকান্দিতে বাসের ধাক্কায় ট্রলির দুই আরোহী নিহত
  • স্বল্প আয়: কমছে নৈশপ্রহরীর পেশায় আগ্রহ, সংকটে নিরাপত্তা
  • আলতাফ চৌধুরীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জেলা বিএনপি