পবিত্র কোরআনে এমন বহু আয়াত রয়েছে যা নবীজির (সা.) প্রতি আল্লাহর ‘বিশেষ’ হেদায়েতের নেয়ামতকে প্রতিষ্ঠিত করে। এই হেদায়েতই ছিল তাঁর রিসালাতের মূল ভিত্তি এবং আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহের মুকুটস্বরূপ।

এই প্রবন্ধে, আমরা কোরআনের তেমন দুটি আয়াত পর্যালোচনা করব, যা এই মহৎ দিকটি তুলে ধরেছে।

১. সিরাতে মুস্তাকিমের প্রতি নির্দেশনা

আল্লাহ তায়ালা বলেন, “বলুন, নিশ্চয় আমার প্রতিপালক আমাকে সরল পথ তথা একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মের প্রতি পথনির্দেশ করেছেন—তা ইবরাহিমের আদর্শ, সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না’।” (সুরা আনআম, আয়াত: ১৬১)

এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবীজিকে (সা.

) নির্দেশ দিচ্ছেন যেন তিনি তাঁর সম্প্রদায় এবং কিয়ামত পর্যন্ত আগত সকল মানুষকে সম্বোধন করে বলেন যে তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সরল পথ বা সিরাতে মুস্তাকিমের প্রতি হেদায়েত পেয়েছেন।

রশিদ রিদা এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, “হে রাসুল (সা.), আপনি আপনার সম্প্রদায় ও দাওয়াতের অন্তর্ভুক্ত সকল মানুষকে বলুন যে, আল্লাহ তায়ালা এই সূরা এবং অন্যান্য সূরার মাধ্যমে যা কিছু আমার প্রতি ওহি করেছেন, তাঁর সেই বিশেষ অনুগ্রহ ও নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আমাকে এমন এক সরল পথে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, যে পথের পথিক দুনিয়া ও আখিরাতের উভয় জাহানের সৌভাগ্য লাভ করে। এতে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই বা বিলম্বের সুযোগ নেই, কেননা এ পথে কোনো বক্রতা বা অস্পষ্টতা নেই।” (মুহাম্মদ রশিদ রিদা, তাফসীরুল মানার, ৭/১৮৪, মিশর: দারুল মানার, ১৯৫৩)

এই সরল পথের জন্যই আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, “আমাদেরকে সরল পথ দেখান।” (সুরা ফাতিহা, আয়াত: ৬)

আরও পড়ুনইসলামে ‘নেয়ামত’ অর্থ কী০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এই সরল পথই হলো ‘দীনান ক্বিয়ামান’ বা সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম, যা মানুষের জীবনধারণ ও পরকালের কল্যাণ নিশ্চিত করে। এটি এমন এক দীন, যা মানুষের সামগ্রিক জীবনের জন্য অপরিহার্য ও সঠিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা (রহ.) উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তাঁর নবীকে (সা.) নির্দেশ দিলেন যেন তিনি পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করেন যে, তিনি সিরাতে মুস্তাকিম, তথা সেই সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম অনুসরণ করছেন, যা ইবরাহিম (আ.)-এর মিল্লাত। (মুহাম্মদ আবু যাহরা, যুহরাতুল তাফাসির, ৪/৫১৪, কায়রো: দারুল ফিকর আল আরাবি, ১৯৯৭)

নবীজি (সা.)-কে এই ঘোষণা দিতে বলা হয়েছে যাতে তিনি আরবদের সম্বোধন করতে পারেন। তিনি বলছেন যে, এই হেদায়েত সেই প্রতিপালক পক্ষ থেকে এসেছে যিনি তাঁকে সৃষ্টি করেছেন ও লালন-পালন করেছেন। তাই এটি হেদায়েতে হক্ক, যার মধ্যে কোনো গোমরাহী, কল্পনা বা ব্যক্তিগত ইচ্ছা নেই। এই হেদায়েত যে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে, তা আরবি ব্যাকরণের ‘ইন্না’ অব্যয় দ্বারা জোর দেওয়া হয়েছে।

হেদায়েতের তিনটি বৈশিষ্ট্য

এই হেদায়েতের মাধ্যমে প্রাপ্ত দীন তিনটি অনুপম গুণাবলিতে ভূষিত:

এটি সিরাতে মুস্তাকিম বা সরল পথ: এটি বক্রতা বা জটিলতা মুক্ত, যা মানুষকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকা সত্যের কাছে পৌঁছে দেয়। এটি মানব-প্রকৃতির সহজাত ও সরল ধর্ম।

এটি দীনান ক্বিয়ামান বা সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম: ‘ক্বিয়াম’ শব্দের অর্থ এমন কিছু যা সঠিক এবং উচ্চতম অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত। এই দীন সব ধর্মের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করে।

এটি মিল্লাতে ইবরাহিম বা ইবরাহিমের আদর্শ: এটি একটি অতিরিক্ত সম্মান ও গৌরব, যা ইবরাহিম (আ.)-এর ঐতিহ্যের সঙ্গে এই ধর্মের সম্পর্ক স্থাপন করে। এর মাধ্যমে সেই আরবদের জবাব দেওয়া হয়েছে যারা নবী ইবরাহিমের বংশধর হওয়ার অহংকার করত, কিন্তু মূর্তি পূজা করত।

নবীজি পরিষ্কার করে দিলেন যে তিনিই ইবরাহিমের প্রকৃত মিল্লাতের ওপর আছেন। এই ধর্মের আরেকটি অন্তর্নিহিত গুণ হলো— ‘হানিফান’ বা একনিষ্ঠ (সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১৩৫), অর্থাৎ এটি মিথ্যা থেকে বিচ্যুত এবং সত্যের দিকে নিবিষ্ট।

আরও পড়ুনমহানবী (সা.)-এর ক্ষমা প্রার্থনার অর্থ কী১৪ নভেম্বর ২০২৫২. হেদায়েতের পূর্ণতা ও সম্প্রসারণ

আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যেন আল্লাহ আপনার অতীত ও ভবিষ্যতের সব ত্রুটি ক্ষমা করে দেন, আপনার প্রতি তাঁর অনুগ্রহ পূর্ণ করেন এবং আপনাকে সরল পথ দেখান।” (সুরা ফাতহ, আয়াত: ২)

এই আয়াতের শেষ অংশটি এই আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক: “এবং আপনাকে সরল পথ দেখান”।

ইবনে আশুর (রহ.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন যে এটি পূর্ববর্তী হেদায়েতের উপর আরও অতিরিক্ত হেদায়েতকে বুঝায়। (মুহাম্মদ তাহির ইবনে আশুর, আত-তাহরির ওয়াত-তানভির, ২৬/১৩৯, তিউনিস: দার সাহনুন, ১৯৯৭)

নবীজি (সা.)-এর জন্য সিরাতে মুস্তাকিমের হেদায়েত তাঁর নবুয়তের শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। কিন্তু ইসলামের বিধান ও শরীয়তের ব্যাখ্যার প্রসার লাভের সঙ্গে সঙ্গে এই হেদায়েতও বৃদ্ধি পেতে থাকে। ইসলামের ভূখণ্ড বৃদ্ধি এবং মুসলিমদের সংখ্যাধিক্যের কারণে নবীজিকে তাদের পথপ্রদর্শন, পরিচালনার, মাতৃভূমি রক্ষার এবং শত্রুদের প্রতিহত করার জন্য অনেক নতুন পথ ও পদ্ধতির প্রয়োজন হয়েছিল।

সুতরাং এই হেদায়েত ছিল অতীতের হেদায়েতের ওপর সুদৃঢ় থাকা এবং পূর্বের অপ্রকাশিত বিষয়ে হেদায়েত লাভ করার এক সম্মিলিত রূপ। এই আয়াতে ‘সিরাত’ শব্দটি আরবি ব্যাকরণে ‘তানভীনুল তাযিম’ (মহত্ত্ব প্রকাশক তানভীন) সহ ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই পথের মহিমা প্রকাশ করে।

আরও পড়ুনইসলামে ‘ইহসান’ বলতে কী বুঝায়০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: আল ল হ ত য় ল ইবর হ ম র ম হ ম মদ এই হ দ য র জন য কর ছ ন

এছাড়াও পড়ুন:

আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজির প্রতি বিশেষ হেদায়েত

পবিত্র কোরআনে এমন বহু আয়াত রয়েছে যা নবীজির (সা.) প্রতি আল্লাহর ‘বিশেষ’ হেদায়েতের নেয়ামতকে প্রতিষ্ঠিত করে। এই হেদায়েতই ছিল তাঁর রিসালাতের মূল ভিত্তি এবং আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহের মুকুটস্বরূপ।

এই প্রবন্ধে, আমরা কোরআনের তেমন দুটি আয়াত পর্যালোচনা করব, যা এই মহৎ দিকটি তুলে ধরেছে।

১. সিরাতে মুস্তাকিমের প্রতি নির্দেশনা

আল্লাহ তায়ালা বলেন, “বলুন, নিশ্চয় আমার প্রতিপালক আমাকে সরল পথ তথা একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মের প্রতি পথনির্দেশ করেছেন—তা ইবরাহিমের আদর্শ, সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না’।” (সুরা আনআম, আয়াত: ১৬১)

এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবীজিকে (সা.) নির্দেশ দিচ্ছেন যেন তিনি তাঁর সম্প্রদায় এবং কিয়ামত পর্যন্ত আগত সকল মানুষকে সম্বোধন করে বলেন যে তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সরল পথ বা সিরাতে মুস্তাকিমের প্রতি হেদায়েত পেয়েছেন।

রশিদ রিদা এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, “হে রাসুল (সা.), আপনি আপনার সম্প্রদায় ও দাওয়াতের অন্তর্ভুক্ত সকল মানুষকে বলুন যে, আল্লাহ তায়ালা এই সূরা এবং অন্যান্য সূরার মাধ্যমে যা কিছু আমার প্রতি ওহি করেছেন, তাঁর সেই বিশেষ অনুগ্রহ ও নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আমাকে এমন এক সরল পথে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, যে পথের পথিক দুনিয়া ও আখিরাতের উভয় জাহানের সৌভাগ্য লাভ করে। এতে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই বা বিলম্বের সুযোগ নেই, কেননা এ পথে কোনো বক্রতা বা অস্পষ্টতা নেই।” (মুহাম্মদ রশিদ রিদা, তাফসীরুল মানার, ৭/১৮৪, মিশর: দারুল মানার, ১৯৫৩)

এই সরল পথের জন্যই আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, “আমাদেরকে সরল পথ দেখান।” (সুরা ফাতিহা, আয়াত: ৬)

আরও পড়ুনইসলামে ‘নেয়ামত’ অর্থ কী০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এই সরল পথই হলো ‘দীনান ক্বিয়ামান’ বা সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম, যা মানুষের জীবনধারণ ও পরকালের কল্যাণ নিশ্চিত করে। এটি এমন এক দীন, যা মানুষের সামগ্রিক জীবনের জন্য অপরিহার্য ও সঠিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা (রহ.) উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তাঁর নবীকে (সা.) নির্দেশ দিলেন যেন তিনি পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করেন যে, তিনি সিরাতে মুস্তাকিম, তথা সেই সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম অনুসরণ করছেন, যা ইবরাহিম (আ.)-এর মিল্লাত। (মুহাম্মদ আবু যাহরা, যুহরাতুল তাফাসির, ৪/৫১৪, কায়রো: দারুল ফিকর আল আরাবি, ১৯৯৭)

নবীজি (সা.)-কে এই ঘোষণা দিতে বলা হয়েছে যাতে তিনি আরবদের সম্বোধন করতে পারেন। তিনি বলছেন যে, এই হেদায়েত সেই প্রতিপালক পক্ষ থেকে এসেছে যিনি তাঁকে সৃষ্টি করেছেন ও লালন-পালন করেছেন। তাই এটি হেদায়েতে হক্ক, যার মধ্যে কোনো গোমরাহী, কল্পনা বা ব্যক্তিগত ইচ্ছা নেই। এই হেদায়েত যে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে, তা আরবি ব্যাকরণের ‘ইন্না’ অব্যয় দ্বারা জোর দেওয়া হয়েছে।

হেদায়েতের তিনটি বৈশিষ্ট্য

এই হেদায়েতের মাধ্যমে প্রাপ্ত দীন তিনটি অনুপম গুণাবলিতে ভূষিত:

এটি সিরাতে মুস্তাকিম বা সরল পথ: এটি বক্রতা বা জটিলতা মুক্ত, যা মানুষকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকা সত্যের কাছে পৌঁছে দেয়। এটি মানব-প্রকৃতির সহজাত ও সরল ধর্ম।

এটি দীনান ক্বিয়ামান বা সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম: ‘ক্বিয়াম’ শব্দের অর্থ এমন কিছু যা সঠিক এবং উচ্চতম অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত। এই দীন সব ধর্মের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করে।

এটি মিল্লাতে ইবরাহিম বা ইবরাহিমের আদর্শ: এটি একটি অতিরিক্ত সম্মান ও গৌরব, যা ইবরাহিম (আ.)-এর ঐতিহ্যের সঙ্গে এই ধর্মের সম্পর্ক স্থাপন করে। এর মাধ্যমে সেই আরবদের জবাব দেওয়া হয়েছে যারা নবী ইবরাহিমের বংশধর হওয়ার অহংকার করত, কিন্তু মূর্তি পূজা করত।

নবীজি পরিষ্কার করে দিলেন যে তিনিই ইবরাহিমের প্রকৃত মিল্লাতের ওপর আছেন। এই ধর্মের আরেকটি অন্তর্নিহিত গুণ হলো— ‘হানিফান’ বা একনিষ্ঠ (সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১৩৫), অর্থাৎ এটি মিথ্যা থেকে বিচ্যুত এবং সত্যের দিকে নিবিষ্ট।

আরও পড়ুনমহানবী (সা.)-এর ক্ষমা প্রার্থনার অর্থ কী১৪ নভেম্বর ২০২৫২. হেদায়েতের পূর্ণতা ও সম্প্রসারণ

আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যেন আল্লাহ আপনার অতীত ও ভবিষ্যতের সব ত্রুটি ক্ষমা করে দেন, আপনার প্রতি তাঁর অনুগ্রহ পূর্ণ করেন এবং আপনাকে সরল পথ দেখান।” (সুরা ফাতহ, আয়াত: ২)

এই আয়াতের শেষ অংশটি এই আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক: “এবং আপনাকে সরল পথ দেখান”।

ইবনে আশুর (রহ.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন যে এটি পূর্ববর্তী হেদায়েতের উপর আরও অতিরিক্ত হেদায়েতকে বুঝায়। (মুহাম্মদ তাহির ইবনে আশুর, আত-তাহরির ওয়াত-তানভির, ২৬/১৩৯, তিউনিস: দার সাহনুন, ১৯৯৭)

নবীজি (সা.)-এর জন্য সিরাতে মুস্তাকিমের হেদায়েত তাঁর নবুয়তের শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। কিন্তু ইসলামের বিধান ও শরীয়তের ব্যাখ্যার প্রসার লাভের সঙ্গে সঙ্গে এই হেদায়েতও বৃদ্ধি পেতে থাকে। ইসলামের ভূখণ্ড বৃদ্ধি এবং মুসলিমদের সংখ্যাধিক্যের কারণে নবীজিকে তাদের পথপ্রদর্শন, পরিচালনার, মাতৃভূমি রক্ষার এবং শত্রুদের প্রতিহত করার জন্য অনেক নতুন পথ ও পদ্ধতির প্রয়োজন হয়েছিল।

সুতরাং এই হেদায়েত ছিল অতীতের হেদায়েতের ওপর সুদৃঢ় থাকা এবং পূর্বের অপ্রকাশিত বিষয়ে হেদায়েত লাভ করার এক সম্মিলিত রূপ। এই আয়াতে ‘সিরাত’ শব্দটি আরবি ব্যাকরণে ‘তানভীনুল তাযিম’ (মহত্ত্ব প্রকাশক তানভীন) সহ ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই পথের মহিমা প্রকাশ করে।

আরও পড়ুনইসলামে ‘ইহসান’ বলতে কী বুঝায়০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সম্পর্কিত নিবন্ধ