ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা
Published: 29th, November 2025 GMT
ঝিনাইদহে মুরাদ হোসেন (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুরাদ একই গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি মুরাদ হোসেনের বাবা আফজাল হোসেন মারা যান। শুক্রবার রাতে বাবার কুলখানি আয়োজনের বিষয়ে চাচাতো ভাই আলমের সঙ্গে পরামর্শ করতে যান মুরাদ হোসেন। এ সময় আলম মুরাদকে ভিক্ষা করে কুলখানি আয়োজন করতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এর জেরে, শনিবার আলমের ছেলে সৌরভ তিনটি মোটরসাইকেলে আরো কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুরাদের ওপর হামলা চালায়। মুরাদকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় তারা। স্থানীয়রা মুরাদকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সৌরভ পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। মামলা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’’
ঢাকা/শাহরিয়ার/রাজীব
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ফরিদপুরে বাসচাপায় কলেজছাত্রী নিহত
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাসের নিচে চাপা পড়ে কলেজছাত্রী সাহিদা আক্তারী (১৮) নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাহিদা আক্তারী উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সৌয়াদী গ্রামের শেখ শাহাদাত হোসেনের মেয়ে।
আরো পড়ুন:
নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নিহত, স্বামী হাসপাতালে
খুঁটিতে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ‘‘সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কলেজছাত্রী সাহিদা নিহতের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’’
পুলিশও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহিদা রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় গোপালগঞ্জগামী ইমারত পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ক্ষুব্ধ লোকজন কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে। পরে হাইওয়ে পুলিশ, স্থানীয় থানা পুলিশ ও যৌথ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঢাকা/তামিম/বকুল