বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘‘আমরা চাই না, বিএনপি ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের লোক জেল খাটুক। তারা যে ভুল করেছে, আমরা সেটা করতে চাই না।’’

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাকামাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে চাকামাইয়া ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

আরো পড়ুন:

বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া

তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের আপত্তি নেই: প্রেস সচিব

এ বি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির অনেক লোক জেল খেটেছে। কিন্তু আমরা সেটা করতে চাই না।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন দলের নির্বাচনী প্রচারে বিভ্রান্ত্রি ছড়ানোর বিষয়ে কথা বলেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা। মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘ধর্ম ব্যবহার করে অনেকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়। তারা বলে, তাদের মার্কায় ভোট দিলে বেহেস্তের দরজা খুলে যাবে। এ রকম কথা ইসলাম ধর্মসহ কোনো ধর্মগ্রন্থে লেখা নেই।’’

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফরুজ্জামান খোকন, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নু ও উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। এর আগে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে শত শত নেতাকর্মী সভায় অংশ নেয়। 

ঢাকা/ইমরান/বকুল 

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব এনপ ব এনপ র

এছাড়াও পড়ুন:

তুরস্কের নীল মসজিদ পরিদর্শন করলেন পোপ লিও

ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ লিও চতুর্দশ শনিবার ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক নীল মসজিদ পরিদর্শন করেছেন। শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ তিনি মসজিদে প্রবেশের আগে জুতা খুলে ফেলেন।

ক্যাথলিক চার্চের নেতা হিসেবে চার দিনের তুরস্ক সফরে রয়েছেন পোপ।

রয়টার্স জানিয়েছে,  প্রথম মার্কিন পোপ মসজিদে প্রবেশের আগে মাথা সামান্য নত করেন এবং ১০ হাজার মুসল্লি ধারণক্ষমতার বিশাল কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেন। মসজিদের ইমাম এবং ইস্তাম্বুলের মুফতি পোপকে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন।

সাদা মোজা পরে হেঁটে যাওয়া লিও ২০ মিনিটের এই সফরে হাসলেন এবং তার গাইড মসজিদের প্রধান মুয়াজ্জিনের সাথে রসিকতা করেন।

পরিদর্শনের প্রায় তিন ঘন্টা পরে ভ্যাটিকান এক বিবৃতি জানায়, পোপ নামাজ আদায় করেছিলেন এবং তাকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। অবশ্য পোপ মসজিদে নামাজ পড়েননি। পরে ভ্যাটিকান প্রেস অফিস জানায় ভুলবশত বিজ্ঞপ্তিটি পাঠানো হয়েছে।

মসজিদ পরিদর্শনের পর মুয়াজ্জিন আসকিন মুসা টুনকা সাংবাদিকদের জানান, তিনি সফরের সময় লিওকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তিনি কি এক মুহূর্তের জন্য প্রার্থনা করতে চান কিনা। কিন্তু পোপ বলেছিলেন যে তিনি কেবল মসজিদ পরিদর্শন করতে পছন্দ করেন।

পরিদর্শনের পরপরই ভ্যাটিকান এক বিবৃতিতে বলেছে, পোপ লিও ‘প্রতিফলন এবং শ্রবণ করার মনোভাব নিয়ে, স্থানটির প্রতি এবং প্রার্থনায় জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের বিশ্বাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখে’ এই সফর করেছেন।

যদিও লিও সফরের সময় প্রার্থনা করতে দেখা যায়নি, তিনি টুনকার সাথে রসিকতা করেছিলেন। দলটি যখন মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল, তখন পোপ লক্ষ্য করলেন যে তাকে একটি দরজা দিয়ে বের করে আনা হচ্ছে যা মূলত একটি প্রবেশপথ। সেখানে একটি সাইনবোর্ড লেখা ছিল: ‘প্রস্থান নেই।’

এটা দেখেই ‘প্রস্থান নেই’ বলে লিও হেসে ফেলেন। টুনকা উত্তর দিয়েছিলেন, “আপনাকে বাইরে যেতে হবে না, আপনি এখানে থাকতে পারেন।।”

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ