বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখার ১৯২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশিত হয়েছে। ওই কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে মনোনীত হয়েছেন পশুপালন অনুষদের ইন্টার্ন শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া হোসেন সাইদ।

তিনি গত ২২ অক্টোবর নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে তাকে কমিটিতে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ছাত্রদলের আহ্বায়ক।

২০২১ সালের ১৬ জুন বাকৃবি ছাত্রদলের  ২১ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। গত ২৭ নভেম্বর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো.

রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে মো. আতিকুর রহমান এবং সদস্য সচিব হিসেবে মো. শফিকুল ইসলাম মনোনীত হয়েছেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে এ এম শোয়াইব ও ৬৩ জন যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ১২৬ জন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের বাকৃবি শাখার আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘‘জাকারিয়া আমাদের মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতেন। তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ কমিটিতে স্থান দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে আমাদের দায়বদ্ধতা থাকবে, তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর। এজন্য সম্মান প্রদর্শন করে তাকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।’’

ঢাকা/লিখন/রাজীব

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ছ ত রদল র কম ট ত সদস য

এছাড়াও পড়ুন:

একটা গান গেয়ে ওঠো

এই শূন্যতাকে তুমি একটা সমুদ্র ভেবে নাও। আর তার অতল অন্তরে ডুব দাও।
চলে যাও যতটুকু গহিনে পারো।
যাও
গান শোনো, হাম্পব্যাক তিমিদের গান।
সময়কে তালের মতো ছন্দে বেঁধে তারা
কী সুন্দর ধ্বনি করে অন্য তিমিদের স্বপ্ন দেখায়।
মধু ছড়ির ঝরনাটা বিবাহযোগ্যা হওয়ার আগে নদীতে ডুবে গিয়েছিল।
কখনো কখনো নীলাভ জ্যোৎস্নার ছায়ায় নদীটির ঢেউয়ে ঢেউয়ে
তার সুর-শবদেহ ভেসে ওঠে।
তুমি দেখে নিতে পারো।

বাতাসেরও গান থাকে। পাতারা যখন-তখন ঝুমঝুমি বাজায়। বৃষ্টির সমূহ
সম্ভাবনার ভেতর না ফোটা বকুল—কী ব্যাকুল সুরে গান গায়।
কীভাবে চিনবে তুমি সুরের সপ্তক!
যাও
বুনো কোনো সূর্যোদয়ের পাশে পাখিদের সমবেত কোরাসের দিকে।
অন্তত একটা গান শিখে নাও।
আমার বিষণ্নতার পাশে একটু সুর ধরো, একটা গান গেয়ে ওঠো।

সম্পর্কিত নিবন্ধ