সোনারগাঁয়ের নদীবেষ্টিত দ্বীপ গ্রামে মামুন মাহমুদের ১০ম ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প
Published: 29th, November 2025 GMT
সোনারগাঁয়ের নদীবেষ্টিত দ্বীপ গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মামুন মাহমুদের ব্যবস্থাপনায় শনিবার (২৯ নভেম্বর) নুনেরটেক উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
এই ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে আসেন বহু মানুষ। ১৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এখানে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। সাথে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং চোখের চশমা দেওয়া হয়েছে রোগীদের।
“সবার জন্য স্বাস্থ্য, সার্বজনীন চিকিৎসা “ বিএনপির এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এটি অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ১০ম ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবুল, সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন কলেজ ও স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ, নুনেরটেক উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন আহমেদ, দাতা সদস্য মোঃ ইউনুস, হানজালা শাহ,বারদী ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার কাদির হোসেন, সাবেক মেম্বার জিলানী, সিদ্ধিরগঞ্জের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গাজী মনির হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মারুফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকের আহমেদ সোহান, জেলা জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব লুৎফর রহমান রাসেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সদস্য কাজী মাজেদুল, ঢাবি ছাত্র দলের নেতা রবিউল ইভান, বারদী ইউনিয়ন যুবদল নেতা নাসির, যুবদল নেতা জসীম, আশাদুল্লাহ, রুবেল সহ আরো অনেকে।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: স ন রগ ও ব এনপ ন র য়ণগঞ জ ব এনপ র স স ন রগ সদস য
এছাড়াও পড়ুন:
বিশ্বের প্রাচীনতম ম্যারাথনে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা কেমন?
সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দৌড় শুরু হওয়ার কথা। আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা। তবে দৌড় শুরু করলে সমস্যা হবে না মনে হচ্ছিল। আমার হোটেল থেকে হপকিনটনের স্টার্ট লাইন পর্যন্ত যেতে গাড়িতে এমনিতে লাগে ২০ মিনিট। কিন্তু রেস ডেতে সড়ক বন্ধ থাকায় প্রায় এক ঘণ্টা পরও পৌঁছানো যাচ্ছিল না। গুগল ম্যাপ বারবার একই রুট দেখাচ্ছিল, যা বন্ধ ছিল। গাড়িতে আমরা চারজন ছিলাম। সবার মধ্যেই উদ্বেগ—সময়মতো স্টার্ট লাইনে পৌঁছানো যাবে তো?
একপর্যায়ে দূরে একটি রেস শাটল বাস দেখা গেল। বাসটির পিছু নিলাম। কিছু দূর যাওয়ার পর বড় জ্যামে আটকে গেল আমাদের বাস। অনেকে গাড়ি ছেড়ে দৌড়ে এগোতে শুরু করলেন। আমি ও মেক্সিকান একজন রানার গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে কাছাকাছি একটি পয়েন্টে পৌঁছালাম, যেখান থেকে শাটল বাসে ওঠা যায়। সেখানে প্রবেশের আগে কয়েক ধাপ নিরাপত্তা তল্লাশি পার হতে হলো। ২০১৩ সালের বোমা হামলার পর থেকে বোস্টন ম্যারাথনে নিরাপত্তা খুবই কঠোর। ব্যাগসহ সবকিছু বারবার পরীক্ষা করা হচ্ছে। টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল, সময় বাঁচাতে তা–ও বাদ দিলাম।
বাংলাদেশের পতাকা হাতে দৌড়াচ্ছেন আরাফাত