এয়ারপোর্টে কিছু ডলার ভাঙিয়ে স্থানীয় মুদ্রা নিলাম, লাখ লাখ টাকায় ভরে গেল পকেট। মার্চ-এপ্রিল মাসে একে একে আরও অনেকেই আমাদের দলে যোগ দেন।

হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে আমরা তাতে যুক্ত হই। এ দলের প্রত্যেকেই আগে কোনো না কোনো অভিযানে গেছেন। পর্বতে, গিরিপথে, অ্যান্টার্কটিকায় অথবা মরু ও মেরুতে গেছেন অনেকে। দলের বেশির ভাগই তরুণ অথবা মাঝবয়সী।

কিলিমানজারো অভিযানের প্রস্তুতি বিষয়ে নানা রকম প্রশ্ন করেন সবাই। ট্রেকের খরচ, পেমেন্ট পদ্ধতি, তানজানিয়ার ভিসা, ট্রেকের প্রস্তুতি, পার্বত্য পথে থাকা খাওয়া, ট্রেকের আগে বা পরে আর কী কী করা যেতে পারে—এ রকম নানা প্রশ্ন।

তারেক অণু তার উত্তর দেয়। কেউ পরে যোগ দিলে আগের মেসেজগুলো পড়তে পারেন না। পুরোনো প্রশ্ন নতুন করে করেন। আমি নিজেও অনেক অনাবশ্যক প্রশ্ন করি। অণু ধৈর্য ধরে উত্তর দেয়। অথবা আমাদের এজেন্সি কিলিগ্লেসিয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তর জেনে নেয়।

শতাব্দীপ্রাচীন বাওবাব গাছ.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

টাঙ্গাইল–১ ও ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ

টাঙ্গাইলের দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। এই দাবিতে টাঙ্গাইল–১ (মধুপুর–ধনবাড়ী) আসনে আজ শনিবার মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও টাঙ্গাইল–৩ (ঘাটাইল) আসনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। আসন দুটিতে মনোনয়ন পাওয়া বিএনপির দুই নেতাকে বহিরাগত বলে উল্লেখ করেছেন মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা।

স্থানীয় বিএনপি সূত্র জানায়, ৩ নভেম্বর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে কয়টি আসনে প্রার্থীদের প্রাথমিক নাম ঘোষণা করেন, তার মধ্যে টাঙ্গাইলের ওই দুটি আসন রয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইল–১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) এবং টাঙ্গাইল–৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অপর সদস্য সাবেক ছাত্রদল নেতা এস এম ওবায়দুল হক (নাসির)।

আসন দুটিতে মনোনয়নবঞ্চিত ব্যক্তিদের অভিযোগ, এই দুই আসনে মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের বাসিন্দা নন। তাঁদের বাড়ি অন্য উপজেলায়। তাই তাঁদের ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করছেন মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের অনুসারীরা।

টাঙ্গাইল–১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলীর সমর্থকেরা আজ এই আসনের মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করেন।

দুপুরে সহস্রাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে এ শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন খান (বাবলু), সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদ সরকার, সদস্য আনোয়ার হোসেন, শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হবিবর রহমান, মধুপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (পান্না), উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল মান্নান, ধনবাড়ী উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাজাহান আলী, মধুপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ ও মধুপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক মিয়া।

মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাটি মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে আবার উপজেলা সদরে এসে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) ভূঞাপুর উপজেলার সন্তান। তিনি শুধু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মধুপুরে এসেছেন। এর আগে ২০০১ ও ২০০৮ সালে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। তাঁরা আসনটি পুনরুদ্ধারের জন্য মোহাম্মদ আলীকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য দাবি জানান।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে সমাবেশ। সেখানে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে মোনাজাত হয়। শনিবার সরকারি গণ পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে

সম্পর্কিত নিবন্ধ