শাহীন-নওয়াজ-বাবর-সাইমে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন
Published: 29th, November 2025 GMT
প্রথমে বল হাতে অবদান রাখলেন শাহীন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ নওয়াজ। এরপর ব্যাট হাতে অবদান রাখলেন বাবর আজম ও সাইম আইয়ুব। তাতে আজ শনিবার রাতে রাওয়ালপিন্ডিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান।
টস হেরে শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯.১ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়। ব্যাট হাতে শ্রীলঙ্কার কামিল মিশ্রা কেবল রান পান। তিনি ৪৭ বলে ২টি চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৫৯ রান। এছাড়া কুশল মেন্ডিস ১৪ ও পাথুম নিসাঙ্কা ১১ রান করেন। বাকিদের কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের কোটা।
আরো পড়ুন:
বিপিএলের নিলামে লিটন, আগেভাগেই দল পেয়েছেন নাজমুল-মিরাজ
রুদ্ধশ্বাস জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ
বল হাতে শাহীন ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩টি ও নওয়াজ ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট।
রান তাড়া করতে নেমে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানের ব্যাটে জয়ের ভিত পেয়ে যায় পাকিস্তান। শাহিবজাদা ফারহান ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ রান করে আউট হন। সাইম ৬ চারে ৩৬ করে ফেরেন সাজঘরে। কিন্তু বাবর আজম ২ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ফারহান-সাইমের পর সালমান আলী আগা ১৪ ও ফখর জামান ৩ রান করে আউট হন।
পাকিস্তানের চারটি উইকেটের ২টি নিয়েছেন পবন রত্নায়েকে। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন ইশান মালিঙ্গা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।
১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন নওয়াজ। আর মোট ৫২ রান ও ১০ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরাও হন তিনি।
ঢাকা/আমিনুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর নওয় জ উইক ট
এছাড়াও পড়ুন:
নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে পুরোনো বাংলা গান
ঠিকানা ১৩৮ ইস্ট, গুলশান–১। রাজধানীর গুলশান–১–এর ১৩৮ নম্বর রোডে এর অবস্থান। আগে রেস্তোরাঁ ছিল। এখন ফাঁকা। সেখানে প্রায় ২০০ আসন বসিয়ে দারুণ এক সংগীতসন্ধ্যার আয়োজন দেখা হলো গত শুক্রবার সন্ধ্যায়। দর্শনীর বিনিময়ে প্রায় দুই ঘণ্টা দর্শক শুনলেন বাংলা গান। নতুন প্রজন্মে শিল্পীদের কণ্ঠে চিরায়ত, পুরোনো দিনের বাংলা গান।
নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। কখনো নন্দিতা ও শুভেন্দু, কখনো অনিমেষ আবার কখনো তিনজন মিলে গান গেয়েছেন। সবই বাংলা গান এবং তা পুরোনো আমলের। তাঁরা একে এক গেয়ে শোনান ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’, ‘আকাশ এত মেঘলা’, ‘এ গানে প্রজাপতি’, ‘নাসেক নাসেক’, ‘ভবের দেশ’, ‘লাল পাহাড়ের দেশে’ ইত্যাদি জনপ্রিয় গান। তিনজনে মিলে গাইলেন ‘আহা কী আনন্দ’, ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’। প্রতিটি পরিবেশনা আধুনিক যন্ত্র সংগতে হয়ে উঠেছিল হৃদয়ছোঁয়া।
নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। আয়োজকদের সৌজন্যে