চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
Published: 29th, November 2025 GMT
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে শহীদ হোসেন (৩৮) নামের বাংলাদেশি এক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সীমান্তের ৭০ নম্বর প্রধান খুঁটি (মেইন পিলার) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শহীদ হোসেনের বাড়ি উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামে।
মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.
জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গয়েশপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, শহীদ হোসেন মূলত কৃষিশ্রমিক। অন্যান্য দিনের মতো আজ সকালে সীমান্তবর্তী এলাকার একটি ভুট্টাখেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যান। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএসএফের গুলিতে তিনি মারা যান।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন,‘ শহীদ হোসেন ভুট্টাখেত থেকে কাটা বস্তাভর্তি ঘাস নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। বস্তার ভেতরে মাদক আছে সন্দেহে বিএসএফ গুলি ছুড়লে শহীদ হোসেন মারা যান। এরপর তারা (বিএসএফ) তাঁর মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে একটি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়।’
এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন হোসেন বিশ্বাস বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে এমন খবর পেলেও শহীদ হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউই যোগাযোগ করেননি। তাই পরিষ্কারভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: ব এসএফ র
এছাড়াও পড়ুন:
ভারতে আটক ৪ তরুণীকে ফেরত দিল বিএসএফ
দালালের প্রলোভনে উন্নত জীবনের খোঁজে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে গিয়ে আটক হওয়া চার তরুণীকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার পূর্বকেদার সীমান্তে মেইন পিলার ১০১৫-এর সাব-পিলার ১৪-এস সংলগ্ন স্থানে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ফেরত আসা চার তরুণী হলেন- পাবনা সদর থানার মালিগাছা গ্রামের আঁখি খাতুন (২০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের আদিবা আক্তার (২৩), নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুরের শিরিনা আক্তার (২৬) এবং শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার তাসমিয়া আক্তার (১৮)।
তারা সবাই ঢাকার বাড্ডা থানার নতুনবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। এদের মধ্যে তিনজন একটি বিউটি পার্লারে এবং একজন গার্মেন্টসে কাজ করতেন।
আঁখি আক্তার জানান, তাদের পরিচিত জান্নাত নামের এক নারীর প্রলোভনে তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে ২২ নভেম্বর সিলেটের জাফলং সীমান্ত দিয়ে ভারত প্রবেশ করেন। সীমান্তের ওপারে পূর্বনির্ধারিত একটি প্রাইভেটকার তাদের তুলে নিয়ে যায় আসামের রাজধানী গুয়াহাটি পর্যন্ত। ২৩ নভেম্বর সেখানে পুলিশ তাদের আটক করে।
পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন কেদার কোম্পানি সদরের হাবিলদার শাহজাহান আলী এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন রুস্তম ক্যাম্পের ইনস্পেক্টর ধীরেন্দ্র কুমার।
হাবিলদার শাহজাহান আলী জানান, বিএসএফ চার যুবতীকে বিজিবির জিম্মায় হস্তান্তর করেছে। পরে তাদের কচাকাটা থানায় সোপর্দ করা হয়।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, “চার জনের অভিভাবককে খবর দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
ঢাকা/বাদশাহ্/এস