দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বেড়েছে। এ দফায় ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। কাল রোববার থেকে সারা দেশে নতুন এ দর কার্যকর হবে।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ শনিবার রাতে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর আগে সর্বশেষ ২০ নভেম্বর ভরিতে সোনার দাম কমেছিল ১ হাজার ৩৫৩ টাকা।

জুয়েলার্স সমিতি বলেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (খাঁটি সোনা) মূল্য বেড়েছে। এ কারণে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। মূলত বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশেও বাড়ানো হয়েছে। যদিও বৈধভাবে সোনা আমদানি খুবই কম। ব্যাগেজ রুলসের আওতায় বিদেশ থেকে সোনা আসে।

কয়েক মাস ধরেই সোনার দাম উত্থান-পতনের মধ্যে রয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর দেশে সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় দাঁড়ায়, যা এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ।

নতুন দাম অনুযায়ী, কাল থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হবে। এ ছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ১ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বিক্রি হবে।

আজ শনিবার পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ থেকে ২২ ক্যারেটের ভরিতে সোনা ২ হাজার ৪০৩ টাকা, ২১ ক্যারেটে ২ হাজার ৩১০ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ১ হাজার ৯৭১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৭৯ টাকা।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ২২ ক য র ট র

এছাড়াও পড়ুন:

নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে পুরোনো বাংলা গান

ঠিকানা ১৩৮ ইস্ট, গুলশান–১। রাজধানীর গুলশান–১–এর ১৩৮ নম্বর রোডে এর অবস্থান। আগে রেস্তোরাঁ ছিল। এখন ফাঁকা। সেখানে প্রায় ২০০ আসন বসিয়ে দারুণ এক সংগীতসন্ধ্যার আয়োজন দেখা হলো গত শুক্রবার সন্ধ্যায়। দর্শনীর বিনিময়ে প্রায় দুই ঘণ্টা দর্শক শুনলেন বাংলা গান। নতুন প্রজন্মে শিল্পীদের কণ্ঠে চিরায়ত, পুরোনো দিনের বাংলা গান।

নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। কখনো নন্দিতা ও শুভেন্দু, কখনো অনিমেষ আবার কখনো তিনজন মিলে গান গেয়েছেন। সবই বাংলা গান এবং তা পুরোনো আমলের। তাঁরা একে এক গেয়ে শোনান ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’, ‘আকাশ এত মেঘলা’, ‘এ গানে প্রজাপতি’, ‘নাসেক নাসেক’, ‘ভবের দেশ’, ‘লাল পাহাড়ের দেশে’ ইত্যাদি জনপ্রিয় গান। তিনজনে মিলে গাইলেন ‘আহা কী আনন্দ’, ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’। প্রতিটি পরিবেশনা আধুনিক যন্ত্র সংগতে হয়ে উঠেছিল হৃদয়ছোঁয়া।

নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। আয়োজকদের সৌজন্যে

সম্পর্কিত নিবন্ধ