২৩৪ শিশু ধর্ষণের শিকার হলেও মামলা ১৯৭টি
Published: 27th, February 2025 GMT
২০২৪ সালে ২৩৪ শিশু ধর্ষণের শিকার হলেও মামলা হয়েছে মাত্র ১৯৭টি। এ অবস্থায় শিশু আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, শিশুর সুরক্ষায় আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করা, শিশুকল্যাণ বোর্ডের কার্যকারিতা বাড়ানো ও শিশু অধিদপ্তরের বাস্তবায়ন জরুরি।
গতকাল বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত ‘শিশু যৌন শোষণের বিরুদ্ধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য জানান। সভায় শিশু যৌন শোষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন আইন ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে উপস্থাপনা করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো.
সভায় শিশু একাডেমির মহাপরিচালক তানিয়া খান বলেন, সরকার ডিএনও টেস্ট ল্যাবরেটরিকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। সমাজে শিশুদের প্রতি যৌন নিপীড়নের বিষয়টি লুকিয়ে রাখা হয়। এ প্রবণতা থেকে বের হয়ে এ ধরনের ঘটনা প্রকাশ করা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে রিপোর্ট করা প্রয়োজন।
অন্য বক্তারা শিশু সুরক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু যৌন শোষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণেরও আহ্বান জানান তারা। আলোচনায় শিশুদের বিভিন্ন বিষয় সচেতনতার পাশাপাশি অভিভাবকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতন করার কর্মসূচি নেওয়ার অনুরোধ করেন। শিশু সুরক্ষায় সরকারি পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় সঠিকভাবে সেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলেও তারা মত দেন।
আসক-এর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ট্যুরিস্ট পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি এম সাখাওয়াত হোসেন, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নার্গিস সুলতানা (জেবা), বিশ্বজিত দাস, টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জাহিদ হোসেন চৌধুরী। সভায় শিশু যৌন শোষণের বিরুদ্ধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনাবিষয়ক আলোচনা করেন টেরে ডেস হোমসের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবির।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সরক র
এছাড়াও পড়ুন:
নায়িকা হতে আসিনি, তবে...
গুটি, সুড়ঙ্গ, মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন থেকে ওমর—সব সিনেমা-সিরিজেই প্রশংসিত হয়েছে আইমন শিমলার অভিনয়। অল্প সময়ের উপস্থিতিতেও নিজের ছাপ রাখতে পেরেছেন এই তরুণ অভিনেত্রী। ধূসর চরিত্রেও তিনি সাবলীল, অন্য তরুণ অভিনেত্রীদের থেকে এখানেই আলাদা শিমলা। তবে একটা কিন্তু আছে। এখন পর্যন্ত তাঁর অভিনীত আলোচিত চরিত্রগুলোর সবই চাটগাঁইয়া। শিমলা নিজে চট্টগ্রামের মেয়ে, একটা সময় পর্যন্ত বন্দরনগরীর বাইরে চেনাজানা ছিল সীমিত। এক সিরিজে তাঁর চাটগাঁইয়া ভাষা আলোচিত হওয়ায় পরপর আরও কাজে তাঁকে চাটগাঁইয়া চরিত্রের জন্য ভেবেছেন নির্মাতা।
এ প্রসঙ্গ দিয়েই অভিনেত্রীর সঙ্গে আলাপের শুরু করা গেল। শিমলা জানালেন, এ নিয়ে তাঁর নিজেরও অস্বস্তি আছে। চেষ্টা করছেন ‘চাটগাঁইয়া দুনিয়া’র বাইরে যেতে। সঙ্গে এ–ও জানিয়ে রাখলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাঁর নিজের চরিত্র পছন্দ করে নেওয়ার সুযোগ কমই ছিল।
‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শুটিংয়ের ঠিক আগে জেনেছি চরিত্রটি সম্পর্কে। তখন তো কিছু করার থাকে না। তবে যেসব কাজ করেছি, সবই আলোচিত পরিচালক আর অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে; এ অভিজ্ঞতার মূল্যও কম নয়। শিহাব (শিহাব শাহীন) ভাইয়ের সঙ্গে মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন, কাছের মানুষ দূরে থুইয়া, রবিউল আলম রবি ভাইয়ের সঙ্গে ফরগেট মি নট আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। এ ছাড়া (শহীদুজ্জামান) সেলিম ভাইয়ের কথা বিশেষভাবে বলব। সুড়ঙ্গ ও ওমর—দুই সিনেমায় তিনি আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন,’ বলছিলেন তিনি।
ঈদে মুক্তি পাওয়া এম রাহিমের সিনেমা জংলিতেও আছেন শিমলা। এ ছবিতে অবশ্য তাঁর চরিত্রটি চাটগাঁইয়া ভাষায় কথা বলে না। সে জন্য সিনেমাটি নিয়ে তিনি বেশি উচ্ছ্বসিত। ‘মুক্তির পর থেকে সিনেমা তো বটেই, আমার অভিনীত চরিত্রটি নিয়ে প্রশংসা পাচ্ছি কিন্তু দুঃখের কথা, আমি নিজেই এখনো দেখতে পারিনি। ব্যক্তিগত ঝামেলা, শুটিংয়ে ব্যস্ততার কারণে সম্ভব হয়নি। শিগগিরই আমার টিমের সঙ্গে দেখতে চাই,’ বলছিলেন তিনি।
আইমন শিমলা