সৌদি আরবে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ২২ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে বাংলাদেশের মার্কোপোলো
Published: 11th, May 2025 GMT
ভোক্তা ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এআইভিত্তিক গো-টু-মার্কেট (জিটিএম) বাংলাদেশি অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম মার্কোপোলো ডটএআই সম্প্রতি প্রায় ২২ কোটি টাকার (২০ লাখ মার্কিন ডলার) সিড রাউন্ডে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এই রাউন্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে সৌদি আরবভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান জোয়া ক্যাপিটাল। যারা জিসিসি অঞ্চলের হাই গ্রোথ স্টার্টআপগুলোতে বিনিয়োগ করে থাকে। এই রাউন্ডে আরও অংশ নিয়েছে টিম ইগনাইট পার্টনারস এবং একদল বিনিয়োগকারী। মার্কোপোলো ডটএআই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।
২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্কোপোলো ডটএআই প্রচলিত মার্কেটিং টুলকিট থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর ঘটানোর প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো এমন এআই এজেন্ট তৈরি করা, যারা বিপণন ও বিক্রয় দলের সঙ্গে একত্রে কাজ করে নিত্যদিনের কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে করবে এবং দলগুলোকে সাহায্য করে কৌশলগত দিকে মনোযোগ করবে।
এআই এজেন্টের মাধ্যমে ভোক্তা বাড়াতে সহায়তা প্রদানকারী মার্কোপোলো ডটএআই একটি মডিউলার এআই এজেন্ট স্যুট প্রদান করে, যা আধুনিক ভোক্তার জন্য নির্মিত। এর মধ্যে রয়েছে—
মার্ক: একটি মিডিয়া বাইং এজেন্ট, যা মেটা, গুগল, টিকটক ও ইয়াহু জাপানে প্রচারণা চালাতে পারে।
নাবিক: একটি পরিমাপযোগ্য এআই বিক্রয় এজেন্ট, যা এক লাখের বেশি পার্সোনালাইজড ক্রস চ্যানেল কনভারসেশনাল প্রচারণা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।
ডিপডাইভ: একটি রিয়েল টাইম সোশ্যাল লিসেনিং ও এনগেজমেন্ট ইঞ্জিন, যা ভোক্তাদের ডেটা বিশ্লেষণ করে কার্যকর আউটরিচ চালায়।
আরও পড়ুন৯৪ দেশে বাংলাদেশি মার্কোপোলোর বিজয় অভিযান০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩সৌদি আরবে মার্কোপোলো ডটএআইমার্কোপোলো ডটএআই কৌশলগতভাবে সৌদি আরবে তাদের কার্যক্রম প্রসারিত করছে। ন্যাশনাল টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের দপ্তর সৌদি আরবে স্থাপন করেছে। কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির তাকাদাম কোহর্ট–৮ ২০২৫-এ নির্বাচিত হয়েছে, যেখানে মার্কোপোলো ডটএআই ১ লাখ ৪০ হাজার ডলারের অনুদান পেয়েছে। মার্কোপোলো ডটএআই লিপ ২০২৪–এ আয়োজিত এআই ওসিস হ্যাকাথনে বিজয়ী হয়েছে। এর আগে মার্কোপোলো ডটএআই অ্যাকসেলারেটিং এশিয়া, স্টার্টআপ বাংলাদেশে ও ডিআইভিসির বিনিয়োগ পেয়েছিল।
তাসফিয়া তাসবিন ও রুবাইয়াত মোস্তফা.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
সৌদি আরবে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ২২ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে বাংলাদেশের মার্কোপোলো
ভোক্তা ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এআইভিত্তিক গো-টু-মার্কেট (জিটিএম) বাংলাদেশি অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম মার্কোপোলো ডটএআই সম্প্রতি প্রায় ২২ কোটি টাকার (২০ লাখ মার্কিন ডলার) সিড রাউন্ডে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এই রাউন্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে সৌদি আরবভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান জোয়া ক্যাপিটাল। যারা জিসিসি অঞ্চলের হাই গ্রোথ স্টার্টআপগুলোতে বিনিয়োগ করে থাকে। এই রাউন্ডে আরও অংশ নিয়েছে টিম ইগনাইট পার্টনারস এবং একদল বিনিয়োগকারী। মার্কোপোলো ডটএআই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।
২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্কোপোলো ডটএআই প্রচলিত মার্কেটিং টুলকিট থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর ঘটানোর প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো এমন এআই এজেন্ট তৈরি করা, যারা বিপণন ও বিক্রয় দলের সঙ্গে একত্রে কাজ করে নিত্যদিনের কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে করবে এবং দলগুলোকে সাহায্য করে কৌশলগত দিকে মনোযোগ করবে।
এআই এজেন্টের মাধ্যমে ভোক্তা বাড়াতে সহায়তা প্রদানকারী মার্কোপোলো ডটএআই একটি মডিউলার এআই এজেন্ট স্যুট প্রদান করে, যা আধুনিক ভোক্তার জন্য নির্মিত। এর মধ্যে রয়েছে—
মার্ক: একটি মিডিয়া বাইং এজেন্ট, যা মেটা, গুগল, টিকটক ও ইয়াহু জাপানে প্রচারণা চালাতে পারে।
নাবিক: একটি পরিমাপযোগ্য এআই বিক্রয় এজেন্ট, যা এক লাখের বেশি পার্সোনালাইজড ক্রস চ্যানেল কনভারসেশনাল প্রচারণা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।
ডিপডাইভ: একটি রিয়েল টাইম সোশ্যাল লিসেনিং ও এনগেজমেন্ট ইঞ্জিন, যা ভোক্তাদের ডেটা বিশ্লেষণ করে কার্যকর আউটরিচ চালায়।
আরও পড়ুন৯৪ দেশে বাংলাদেশি মার্কোপোলোর বিজয় অভিযান০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩সৌদি আরবে মার্কোপোলো ডটএআইমার্কোপোলো ডটএআই কৌশলগতভাবে সৌদি আরবে তাদের কার্যক্রম প্রসারিত করছে। ন্যাশনাল টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের দপ্তর সৌদি আরবে স্থাপন করেছে। কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির তাকাদাম কোহর্ট–৮ ২০২৫-এ নির্বাচিত হয়েছে, যেখানে মার্কোপোলো ডটএআই ১ লাখ ৪০ হাজার ডলারের অনুদান পেয়েছে। মার্কোপোলো ডটএআই লিপ ২০২৪–এ আয়োজিত এআই ওসিস হ্যাকাথনে বিজয়ী হয়েছে। এর আগে মার্কোপোলো ডটএআই অ্যাকসেলারেটিং এশিয়া, স্টার্টআপ বাংলাদেশে ও ডিআইভিসির বিনিয়োগ পেয়েছিল।
তাসফিয়া তাসবিন ও রুবাইয়াত মোস্তফা