ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে রূপালী ব্যাংকের স্বীকৃতি
Published: 5th, July 2025 GMT
ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা ২০২৩-২০২৪ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন রূপালী ও সোনালী ব্যাংক।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ‘ইনোভেশন শোকেসিং (প্রদর্শনী) ও শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নির্বাচন’বিষয়ক আয়োজনে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক শ্রেণিতে রূপালী ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। রূপালী ব্যাংকের পক্ষে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী মো.
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
এ ছাড়া রূপালী ব্যাংকের চিফ ইনোভেশন অফিসার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও এর আওতাধীন দপ্তরসমূহের প্রধানেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
‘বড় ভাই আসবেনে, খুশি হয়ে কিছু দিবা’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক দোকানদারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদা না দিলে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার অনুষদ ভবন সংলগ্ন আব্দুল আহাদের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। চাঁদা দাবি করা ছাত্রদল নেতারা হলেন- ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উল্লাস মাহমুদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন। তারা নিয়মিত ছাত্র নন এবং শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের অনুসারী বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দোকানি বিচার চেয়ে আজ (শনিবার) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলেও প্রায় দুই ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করে নেন। তার দাবি, অভিযুক্তরা মাফ চাওয়ায় তিনি অভিযোগ তুলে নিয়েছেন। তবে মাফ চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকদিন আগে ছাত্রদল নেতা উল্লাস দোকানিকে দোকান বন্ধ করার কথা জানান। কিন্তু দোকান বন্ধ না করায় শনিবার দুপুর একটার দিকে সাব্বিরকে নিয়ে দোকানে যান উল্লাস। এ সময় চাঁদা দাবি করেন তারা। চাঁদা না দিলে দোকানি আহাদকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তারা। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল আহাদ বলেন, ‘একদিন উনারা আমাকে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলেন। আমি ক্যাম্পাসে এসে দেখা করার পর তারা বলে, তুমি কি দোকানদারি করবা নাকি ছেড়ে দিবা?’ আমি বললাম দোকানদারি করব। সেদিন আর তেমন কিছু বলেনি। আজকে আবার ছাত্রদলের উল্লাস ভাই আর সাব্বির ভাই আমাকে দোকানের বাইরে ডেকে নিয়ে বলেন, তোমাকে এর আগে একবার বলেছিলাম। আজকে আবার বলছি যে, কিছু টাকাপয়সা দেও। দেও বলতে বড় ভাই আসেবেনে তারে দিবা। আমি বলে দিবানে। তোমার কোনো সমস্যা হইলে আমরা দেখব। আজকে শনিবার, বুধবারের মধ্যে টাকা দিবা। বড় ভাই আসবেনে, তুমি খুশি হয়ে কিছু দিবা।’
পরে অভিযোগ তুলে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অভিযোগ দেওয়ায় তারা আমার কাছে এসেছিল। আমার কাছে মাফ চেয়ে গেছে। বলেছে, যা হওয়ার হয়ে গেছে অভিযোগটা তুলে নাও। তাই আমি অভিযোগ তুলে নিয়েছি।’
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত উল্লাস মাহমুদ ও সাব্বির হোসেন বলেন, ‘আমরা আহাদের দোকানেই যাইনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন কথা।’ এছাড়া মাফ চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, তারা আজকে (শনিবার) আহাদের দোকানে যাননি।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘উভয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলছে, এসব কিছুই জানে না। ছাত্রদল করে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এমন করে থাকে আমরা সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাব।’
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘দোকানদার আহাদ অভিযোগ দিয়েছিল। কিন্তু পরে তা প্রত্যাহার করেছে। সে বলেছে, একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কোনোরকম চাপ ছাড়াই অভিযোগ তুলে নিচ্ছি। এরকম একটা লিখিত দিয়েছে।’