গাজা শহরের আল-আহলি হাসপাতাল ব্যাপক হতাহতের সংখ্যায় উপচে পড়ছে। ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের শিকার পুরো পরিবার আসছে চিকিৎসা নিতে, যাদের মধ্যে ২৬ জনের একটি পরিবারও রয়েছে। এই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মহিলা, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা রয়েছেন। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পর মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে এখনো পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। 

সোমবার রাতের হামলা আবারো প্রমাণ করে যে গাজা উপত্যকা জুড়ে কোনো নিরাপদ স্থান নেই। জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতির পর মানুষ বোমা বিস্ফোরিত বাড়িঘর এবং উচ্ছেদ কেন্দ্রগুলিতে ফিরে গিয়েছিল। তারা ভেবেছিল যুদ্ধবিরতির কারণে এটি নিরাপদ হবে, কিন্তু ঘটনাটি তেমন ছিল না। এই জায়গাগুলোর ভেতরেই তাদের হত্যা করা হয়েছে। গাজা আবারো একটি হত্যাক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

এখনো পর্যন্ত, এটা স্পষ্ট নয় যে মানুষ বেঁচে থাকার চেষ্টা করা ছাড়া আর কী করবে। অনেকেই আল-আহলি হাসপাতাল এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছেন।

আল-জাজিরার স্থানীয় সংবাদদাতা বলেছেন, “আমরা এখানে একজন মাকে দেখেছি, যিনি তার দুই মেয়ের মৃতদেহের উপর কাঁদছেন।”

ঢাকা/শাহেদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

ফতুল্লায় প্রয়াসের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ফতুল্লার লামাপাড়ায় মাদকাসক্ত পূনর্বাসন ও সহায়তা কেন্দ্র প্রয়াসের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রয়াসের ২২তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, কোর্স সমাপনী সনদ প্রদান, বিভিন্ন মেয়াদে সুস্থতার বর্ষপূর্তি ও খেলাধূলার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রয়াসের জেনারেল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।

মাদকাসক্ত পূনর্বাসন ও সহায়তা কেন্দ্র প্রয়াসের জেনারেল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলায় মাদকাসক্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে প্রয়াস বিগত ২২ বছর যাবত নিরবিচ্ছিন্নভাবে সেবা করে যাচ্ছে।

সব ধরনের আইন ও বিধি-বিধান মেনে সেবার মানোন্নয়ন প্রয়াসের বর্তমান লক্ষ্য। শুধু চিকিৎসা সেবা প্রদান নয়, বরং মানসম্পন্ন টেকসই সেবা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসা পরবর্তী বিভিন্ন কার্যক্রম কেন্দ্রটি পরিচালনা করে থাকে।

জেনারেল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রয়াসে চিকিৎসা কোর্স সম্পন্নকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান, প্রাক্তন সদস্যদের মনিটরিং, বিভিন্ন মেয়াদে সুস্থ থাকার স্বীকৃতি ও জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারনায় অংশগ্রহণ প্রয়াসের টেকসই চিকিৎসা পরিকল্পনার অংশ।

তিনি আরো বলেন, আমরাই প্রথম নারায়ণগঞ্জে ৪০ বেডে লাইসেন্স প্রাপ্ত মাদকাসক্ত চিকিৎসা কেন্দ্র। প্রয়াসের প্রতিষ্ঠা ২০০৩ সালে হলেও আমরা লাইসেন্স পেয়েছি ২০০৬ সালে। গত ২০২১ সাল থেকে আমরা প্রতিবছর সরকারি অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়ে আসছি।

এসময় তিনি অভিভাবক প্রতিনিধি ও প্রাক্তন সদস্যদের প্রয়াসের সামগ্রিক কার্যক্রমে সংযুক্ত থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মাদকাসক্ত পূনর্বাসন ও সহায়তা কেন্দ্র প্রয়াসের কাউন্সিলর মোঃ সাইফুল ইসলাম, অফিসার এডমিন সাজ্জাদ হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার শেখ ফরিদ উদ্দিন ও মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, শওকত হোসেন, লিটন, আমজাদ, বাবুসহ  রিকোভারীবৃন্দ।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ