ঘরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ, বিছানায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ
Published: 23rd, March 2025 GMT
গাজীপুরে বসতবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই একই ঘরের বিছানায় তাঁর স্ত্রী ও ৪ বছরের মেয়ের লাশ পড়ে ছিল। গতকাল শনিবার রাতে নগরের গোবিন্দবাড়ি দেওয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন নাজমুল ইসলাম (২৯), তাঁর স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও মেয়ে নাদিয়া আক্তার (৪)। নাজমুল টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শুলাপ্রতিমা গ্রামের আবুর ছেলে। তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গাজীপুর নগরের গোবিন্দবাড়ি এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।
এলাকাবাসী ও নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা জানান, অনেক দিন ধরেই নানা বিষয় নিয়ে নাজমুল ও খাদিজার মধ্যে কলহ চলছিল। প্রায়ই তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হতো। গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা নিজ ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েন। সকাল হয়ে গেলেও তাঁরা ঘুম থেকে উঠছিলেন না। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পরিবারের লোকজন তাঁদের ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বজনেরা ঘরের পেছন দিকের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেন নাজমুলের লাশ ঝুলছে। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখেন খাদিজা ও নাদিয়ার নিথর দেহ বিছানায় পড়ে আছে।
খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ১০টার দিকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
লামিনে ‘মেসি’ ইয়ামাল
১৭ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো: ১৯ ম্যাচ, ৫ গোল, ৪ গোলে সহায়তা।
১৭ বছর বয়সী লিওনেল মেসি: ৯ ম্যাচ, ১ গোল, গোলে সহায়তা নেই।
১৭ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল: ১০০ ম্যাচ, ২২ গোল, ৩৩ গোলে সহায়তা।
মেসি–রোনালদোর সঙ্গে তুলনা নয়, লামিনে ইয়ামালের শুরুটা বোঝাতে এই পরিসংখ্যান হাজির করেছে টিএনটি স্পোর্টস। ধূমকেতুর মতো শুরু হলেও ধূমকেতুর মতোই মিলিয়ে যাওয়ার পাত্র তিনি নন।
বার্সেলোনার এস্তাদি অলিম্পিক লুইস কোম্পানিসে গত রাতের ম্যাচটি স্মরণ করতে পারেন। ৬ গোলের থ্রিলার, যেখানে বার্সেলোনা–ইন্টার মিলান সেমিফাইনাল প্রথম লেগের ‘ক্লাসিক’ লড়াই ৩–৩ গোলে অমীমাংসীত। দুই দলের হয়েই ‘সুপার হিরো’ ছিলেন বেশ কজন। ইন্টারের যেমন ডেনজেল ডামফ্রিস ও মার্কাস থুরাম, বার্সার তেমনি রাফিনিয়া, ফেরান তোরেসরা। কিন্তু সবাইকে ছাপিয়ে ঠিকই রবির কিরণের মতো আলো দিয়েছেন এক কিশোর—লামিনে ইয়ামাল নাসরাউয়ি এবানা। সংক্ষেপে লামিনে ইয়ামাল।
আরও পড়ুন৬ গোলের থ্রিলারে বার্সেলোনা–ইন্টার সেয়ানে সেয়ানে টক্কর৮ ঘণ্টা আগে২৪ মিনিটে ইয়ামালের করা গোলটির প্রসঙ্গে পরে আসা যাবে। যেভাবে খেলেছেন তাতে গোলটি না করলেও লোকে কাল রাতে তাঁর পারফরম্যান্স মনে রাখতেন। পরিসংখ্যান বলছে ১০২টি টাচ, একটি গোল, ২টি গোল হওয়ার মতো পাস, ৬টি শট (পোস্টে মেরেছেন দুবার) এবং ১০টির মধ্যে ৬টি সফল ড্রিবলিং।
কিন্তু পরিসংখ্যানে এ তথ্য নেই—মাঠে ডান প্রান্তকে ইয়ামাল ফাইনালে ওঠার হাইওয়ে বানিয়ে যতবার কাট–ইন করে ইন্টারের বক্সে ঢুকেছেন, সেটা আসলে ইতালিয়ান ক্লাবটির রক্ষণের জন্য দুঃস্বপ্নের। প্রতিবারই মৌমাছির মতো ছেঁকে ধরা হয়েছে ইয়ামালকে। কিন্তু আটকানো কি সম্ভব হয়েছে? রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওগুলো ভাসছে। সেসব আসলে ইয়ামালের পায়ের কারুকাজে ইন্টারের রক্ষণকে স্রেফ খোলামকুচির মতো উড়িয়ে দেওয়ার ভিডিও।
ইয়ামাল কত ভয়ংকর সেটা এই এক ছবিতেই পরিস্কার। সবাই ছেঁকে ধরেও তাঁকে আটকাতে পারেননি