স্বর্ণের গহনার যত্ন ও সংরক্ষণের টিপস
Published: 30th, November 2025 GMT
সঠিক যত্নের অভাবে স্বর্ণের গহনাও রং হারাতে পারে। ক্লোরিন, ব্লিচ, পারফিউম, হেয়ারস্প্রেসহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো স্বর্ণের ক্ষতি করতে পারে বা বিবর্ণ করে দিতে পারে। বিশেষ করে পারফিউম ও কসমেটিকস-এর সংম্পর্শে স্বর্ণের চকচকে ভাব নষ্ট হতে পারে। গহনা যাতে আর্দ্র হয়ে না পড়ে এজন্য শুকনো ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। আর সংরক্ষণের আগে অবশ্যই ভালোভাবে পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
যেভাবে পরিষ্কার করবেন
একটি পাত্রে হালকা গরম পানি এবং অল্প পরিমাণ হালকা থালা ধোয়ার সাবান মিশিয়ে দ্রবণ তৈরি করুন। গহনাগুলো দ্রবণে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে দিন। এবার একটি নরম ব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঘষে ময়লা পরিষ্কার করুন।শেষে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং নরম কাপড় দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিন।
আরো পড়ুন:
সন্তানের বেস্ট ভার্সন দেখতে চাইলে করণীয়
কালো গোলাপ প্রেম নাকি মৃত্যুর প্রতীক?
সংরক্ষণের টিপস
এক.
দুই. দীর্ঘ সময় পানির সংস্পর্শে রাখা যাবে না।
তিন. গহনাগুলো আর্দ্রতা থেকে দূরে একটি শুকনো, ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।
চার. একটি নরম কাপড় দিয়ে গহনা মুড়ে বা আলাদাভাবে গহনার বাক্সে রাখুন, যাতে একটি অন্যটির সঙ্গে ঘষা না লাগে।
পাঁচ. সরাসরি সূর্যালোক বা অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে দীর্ঘক্ষণ রাখবেন না।
ঢাকা/লিপি
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর ষ ক র স বর ণ র
এছাড়াও পড়ুন:
মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন: ডা. জাহিদ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক জাহিদ এ কথা জানান। যিনি খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডেরও সদস্য।
গত তিনদিন তার অবস্থা একই পর্যায়ে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, “এটাকে আমরা ডাক্তারি ভাষায় যদি বলি ‘শি ইজ ম্যানটেইনিং দি ট্রিটমেন্ট অর্থাৎ চিকিৎসকরা যে চিকিৎসা দিচ্ছেন এই চিকিৎসা উনি গ্রহণ করতে পারছেন। কাজেই এই চিকিৎসা যাতে উনি গ্রহণ করে সুস্থ হয়ে যেতে পারেন সেই জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন এটাই আমাদের আহ্বান।”
বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে অধ্যাপক ডা. জাহিদ বলেন, “বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে সার্বিকভাবে উনার শারীরিক সুস্থতা এবং মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং সুপারিশের ওপর। সেই সিদ্ধান্ত এবং সুপারিশ পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে গ্রহণ করা হবে। আপনাদেরকে জানানো হবে।”
গত ২৩ নভেম্বর রাতে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন বেগম খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের শারীরিক অবস্থা ‘সংকটাময়’ বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
ডা. জাহিদ বলেন, “গত ২৭ তারিখ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে তদারক করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়া, তার পাশে ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মনী সৈয়দা শামিলা রহমান, ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারসহ সকল আত্মীয় স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দসহ সবার সার্বিক সহযোগিতায় এবং এভারকেয়ার হসপিটালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা এবং নার্সদের সহযোগিতায় বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা এখানে চলছে।
ঢাকা/ইভা