হঠাৎ আসা বিপদ-আপদ বা জরুরি প্রয়োজনে টাকা দরকার হয়। এ জন্য আমরা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে থাকি।

ব্যক্তিগত ঋণ আপনাকে সহায়তা করে। তবে ব্যবহারেই নির্ভর করে আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎ। ভুল ব্যবহারে দেনা বাড়ে। আর সঠিক ব্যবস্থাপনায় আপনি ব্যাংকের কাছে হয়ে ওঠেন ঋণের ভালো গ্রাহক।

ব্যক্তিগত এই ঋণ জরুরি সময়ে ভরসা দেয়। কিন্তু কয়েকটি সাধারণ ভুল আপনাকে অপ্রয়োজনীয় দেনা ও সুদের বোঝা বাড়িয়ে দিতে পারে। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কৌশলী হয়ে ব্যবহারে স্বস্তি মেলে।

ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভুল করা যাবে না। এবার এমন পাঁচটি ভুল নিয়ে আলোচনা করা হলো-

১.

প্রয়োজনের বেশি ঋণ নেবেন না

এখন ব্যক্তিগত ঋণ খুব সহজেই অনুমোদন হয়। খুব বেশি সময় লাগে না। আবেদনের এক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা হাতে চলে আসে।

তাই আগে ভাবুন—আপনার আসলে কত টাকা লাগবে? প্রয়োজন যাচাই করে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সুদের হার তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিন। এ ছাড়া মাসিক কিস্তি বা ইএমআই ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিলে ভবিষ্যৎ চাপ কমবে।

২. খেয়ালি খরচে ঋণ না করাই ভালো

ব্যক্তিগত ঋণ জরুরি খরচ সামলানোর জন্য নেওয়া হয়। যেমন চিকিৎসা, পড়াশোনা, বাড়ি মেরামত ইত্যাদি। বিলাসভ্রমণ বা জীবনযাপনের জন্য তুলনামূলক কম প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে খরচ করলে তা অনেকটা অপচয়। ভ্রমণ খরচের টাকা তো ফেরত পাওয়া যায় না। এসব করলে উল্টো ঋণের দরজা খুলে যায়, চাপ বাড়ে।

৩. কিস্তি মিস বা দেরি করবেন না

আবেদন করার সময়ই ঠিক করুন কীভাবে শোধ করবেন। এক কিস্তি মিস হলেই জরিমানা, সুদ—সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিস্তি মিস হলে ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে তা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। ব্যাংকও মনে করবে, আপনি ঋণের গ্রাহক হিসেবে ভালো নন। তাই সম্ভব হলে অটো-ডেবিট চালু রাখুন, হিসাবেও রাখুন প্রয়োজনীয় টাকা।

৪. একসঙ্গে একাধিক ঋণ না নেওয়াই ভালো

আপনি একাধিক ঋণে নিলে তা আপনার জন্য নেতিবাচক হিসেবে দেখা হয়। বারবার আবেদন করলে ঋণ-আয় অনুপাত বেড়ে যায়, যা ঋণদাতার কাছে এটি ঝুঁকির সংকেত। এ ছাড়া একাধিক ঋণ নিলে আপনার ঋণ পরিশোধের চাপও বেশি থাকে।

৫. আগাম পরিশোধের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না

নানা কারণে আপনার হাতে নিয়মিত আয়ের পাশাপাশি টাকা আসে। জরুরি প্রয়োজন না থাকলে এই টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন বোনাস, বাড়তি সঞ্চয় দিয়ে আংশিক পরিশোধ করলে সুদের বোঝা দ্রুত কমে। ঋণ নেওয়ার সময়ই দেখে নিন আগাম পরিশোধের নিয়ম ও মাশুল।

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: পর শ ধ আপন র

এছাড়াও পড়ুন:

ঋণ নিয়ে যে ৫ ভুল করলে বিপদে পড়তে পারেন

হঠাৎ আসা বিপদ-আপদ বা জরুরি প্রয়োজনে টাকা দরকার হয়। এ জন্য আমরা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে থাকি।

ব্যক্তিগত ঋণ আপনাকে সহায়তা করে। তবে ব্যবহারেই নির্ভর করে আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎ। ভুল ব্যবহারে দেনা বাড়ে। আর সঠিক ব্যবস্থাপনায় আপনি ব্যাংকের কাছে হয়ে ওঠেন ঋণের ভালো গ্রাহক।

ব্যক্তিগত এই ঋণ জরুরি সময়ে ভরসা দেয়। কিন্তু কয়েকটি সাধারণ ভুল আপনাকে অপ্রয়োজনীয় দেনা ও সুদের বোঝা বাড়িয়ে দিতে পারে। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কৌশলী হয়ে ব্যবহারে স্বস্তি মেলে।

ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভুল করা যাবে না। এবার এমন পাঁচটি ভুল নিয়ে আলোচনা করা হলো-

১. প্রয়োজনের বেশি ঋণ নেবেন না

এখন ব্যক্তিগত ঋণ খুব সহজেই অনুমোদন হয়। খুব বেশি সময় লাগে না। আবেদনের এক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা হাতে চলে আসে।

তাই আগে ভাবুন—আপনার আসলে কত টাকা লাগবে? প্রয়োজন যাচাই করে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সুদের হার তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিন। এ ছাড়া মাসিক কিস্তি বা ইএমআই ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিলে ভবিষ্যৎ চাপ কমবে।

২. খেয়ালি খরচে ঋণ না করাই ভালো

ব্যক্তিগত ঋণ জরুরি খরচ সামলানোর জন্য নেওয়া হয়। যেমন চিকিৎসা, পড়াশোনা, বাড়ি মেরামত ইত্যাদি। বিলাসভ্রমণ বা জীবনযাপনের জন্য তুলনামূলক কম প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে খরচ করলে তা অনেকটা অপচয়। ভ্রমণ খরচের টাকা তো ফেরত পাওয়া যায় না। এসব করলে উল্টো ঋণের দরজা খুলে যায়, চাপ বাড়ে।

৩. কিস্তি মিস বা দেরি করবেন না

আবেদন করার সময়ই ঠিক করুন কীভাবে শোধ করবেন। এক কিস্তি মিস হলেই জরিমানা, সুদ—সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিস্তি মিস হলে ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে তা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। ব্যাংকও মনে করবে, আপনি ঋণের গ্রাহক হিসেবে ভালো নন। তাই সম্ভব হলে অটো-ডেবিট চালু রাখুন, হিসাবেও রাখুন প্রয়োজনীয় টাকা।

৪. একসঙ্গে একাধিক ঋণ না নেওয়াই ভালো

আপনি একাধিক ঋণে নিলে তা আপনার জন্য নেতিবাচক হিসেবে দেখা হয়। বারবার আবেদন করলে ঋণ-আয় অনুপাত বেড়ে যায়, যা ঋণদাতার কাছে এটি ঝুঁকির সংকেত। এ ছাড়া একাধিক ঋণ নিলে আপনার ঋণ পরিশোধের চাপও বেশি থাকে।

৫. আগাম পরিশোধের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না

নানা কারণে আপনার হাতে নিয়মিত আয়ের পাশাপাশি টাকা আসে। জরুরি প্রয়োজন না থাকলে এই টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন বোনাস, বাড়তি সঞ্চয় দিয়ে আংশিক পরিশোধ করলে সুদের বোঝা দ্রুত কমে। ঋণ নেওয়ার সময়ই দেখে নিন আগাম পরিশোধের নিয়ম ও মাশুল।

সম্পর্কিত নিবন্ধ