এক আর্জেন্টাইনের হ্যাটট্রিকে মেসিদের বড় জয়, প্রথমবার কাপ ফাইনালে ইন্টার মায়ামি
Published: 30th, November 2025 GMT
ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ ফাইনালে উঠেছে ইন্টার মায়ামি। আজ প্লে-অফের ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লিওনেল মেসির দল।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ লিগে ৩০টি দল ইস্টার্ন ও ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সে ভাগ হয়ে খেলে। দুই অংশের চ্যাম্পিয়নরা খেলে এমএলএস কাপ ফাইনাল। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মায়ামি এর আগে তিনবার প্লে-অফে খেললেও কনফারেন্স সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। এবার সেমি ও ফাইনাল জিতে নাম লিখিয়েছে কাপ ফাইনালেই।
চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আজকের কনফারেন্স ফাইনালে মায়ামি জিতেছে তাদেও আলেন্দের নৈপুণ্যে। ২৬ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন হ্যাটট্রিক করেছেন। একটি গোল করেছেন আরেক আর্জেন্টাইন মাতেও সিলভেত্তি। অন্য গোলটি তালেসকো সেগোভিয়ার। মেসি তাঁর রোজারিওর ছেলে সিলভেত্তির গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন।
আর্জেন্টাইনময় ম্যাচটিতে আলেন্দে মায়ামিকে এগিয়ে দেন ১৪তম মিনিটে। এই গোলে অ্যাসিস্ট ছিল আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার রদ্রিগো দি পলের। ২৪তম মিনিটে আলেন্দে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন হেডে, তাঁকে বক্সে দুর্দান্ত এক ক্রস দেন জর্দি আলবা। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে নিউইয়র্ক সিটির জাস্টিন হাক এক গোল শোধ করে দিলে মায়ামি বিরতিতে যায় ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
৬৭তম মিনিটে মেসি বক্সের মধ্যে ঘেরাওয়ে পড়লে বল বাড়ান ফাঁকায় থাকা সিলভেত্তির দিকে। ১৯ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বল জালে জালে পাঠাতে ভুল করেননি। মায়ামি জয়ের বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত হয় ৮৩তম মিনিটে।
এ সময় বক্সের ভেতর আলবার ব্যাক পাস পেয়ে সেগোভিয়া গোল করে ব্যবধান ৪-১ করে ফেলেন। ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে ইয়ানিক ব্রাইটের সহায়তায় নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আলেন্দে। মায়ামি মাঠ ছাড়ে ৫-১ গোলের বড় জয় নিয়ে।
আগামী ৬ ডিসেম্বর এমএলএস কাপ ফাইনালে মায়ামি খেলবে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে সান ডিয়েগো ও ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের মধ্যকার জয়ী দলের বিপক্ষে।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: ক প ফ ইন ল কনফ র ন স আল ন দ
এছাড়াও পড়ুন:
‘প্রথমবার চুম্বনের দৃশ্য, স্বভাবতই নার্ভাস ছিলাম’
মুক্তি পেয়েছে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর পঞ্চম ও শেষ মৌসুমের প্রথম কিস্তি। ২০১৭ সালে নেটফ্লিক্সের আলোচিত সিরিজটিতে যুক্ত হয়ে সারা দুনিয়ার তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন স্যাডি সিঙ্ক। সম্প্রতি দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবনসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন ২৩ বছর বয়সী মার্কিন অভিনেত্রী।
রাতারাতি তারকা
নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরই ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ হয়ে ওঠে বহুল চর্চিত এক নাম। ২০১৭ সালে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তিতে যুক্ত হওয়ার পর স্যাডির খ্যাতি পাওয়াটা স্রেফ সময়ের ব্যাপারমাত্র। তবে দেখার বিষয় ছিল, অন্য প্রকল্পগুলোতে তিনি কেমন করেন। ‘দ্য হোয়েল’ ছবিতে অস্কারজয়ী অভিনেতা ব্রেন্ডন ফ্রেজারের বিপরীতে অভিনয় করে সে পরীক্ষায়ও ভালোভাবেই উতরে যান এই মার্কিন অভিনেত্রী। পাশাপাশি নেটফ্লিক্সের আরেক জনপ্রিয় হরর ট্রিলজি ‘ফিয়ার স্ট্রিট’-এও তাঁকে দেখা গেছে।
২০২১ সালে টেইলর সুইফটের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘অল টু ওয়েল: দ্য শর্টফিল্ম’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় ছিল স্যাডির ক্যারিয়ারের আরেক বড় মাইলফলক। ছবিটিতে তিনি মানসিক টানাপোড়েন ও যন্ত্রণা পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন। ‘এই ছবিতে যখন অভিনয় করি, তখনো আমি কারও প্রেমে পড়িনি, তাই সম্পর্ক ভাঙার তীব্রতা সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না। সে কারণেই এ ছবিতে অভিনয় ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, পরে সমালোচকদের পাওয়া প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হয়েছে, সেটা ভালোভাবেই সামলাতে পেরেছি,’ ভ্যারাইটিকে বলেন স্যাডি।
‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ স্যান্ডি। নেটফ্লিক্স