পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) দল পাওয়া রিশাদ হোসেনকে লাহোর কালান্দার্সের প্রথম ম্যাচে বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে। তবে দলটির দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে সুযোগ পেয়ে দারুণ বোলিং করেছেন তিনি। 

কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে রিশাদ হোসেনের লাহোর শুরুতে ব্যাট করে ২১৯ রান করে। রিশাদ ১ বল খেলে ১ রান করতে পারেন। 

জবাবে নামা কোয়েটা ১৪০ রানে অলআউট হয়। রিশাদ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩১ রানে নেন ৩ উইকেট। তিনি ঝড় তোলা কোয়েটার ব্যাটার রাইলি রুশোকে সাজঘরে পাঠান। রুশো ১৯ বলে চারটি করে চার ও ছক্কায় ৪৪ রান করেন। এছাড়া লোয়ারের মোহাম্মদ আমির ও আবরার আহমদকে তুলে নেন রিশাদ। 

ম্যাচ শেষে রিশাদের প্রশংসা করেন লাহোরের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি। ৩ রানে কোয়েটার ২ উইকেট তুলে নেওয়া পাকিস্তানের বাঁ-হাতি পেসার বলেন, ‘আমরা যখন রিশাদকে একাদশে নিই, তখন মিডল ওভারে উইকেট নিতে পারার বিষয়টি চিন্তা করেছিলাম। ডেভিড ভিসে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি, রিশাদ ছিল ওই জায়গায় সেরা পছন্দ।’ 

লাহোরের হয়ে বড় জয়ের ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ফখর জামান ও স্যাম বিলিংস। ফখর ৩৯ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন। সাতটি চারের সঙ্গে তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। বিলিংস ১৯ বলে চারটি করে চার ও ছক্কায় ৫০ রান করেন।   

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: প এসএল র ন কর

এছাড়াও পড়ুন:

ছয় গোলের থ্রিলারে জমজমাট ড্র বার্সেলোনা-ইন্টারের

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল মানেই উত্তেজনার পারদ চড়া—আর বার্সেলোনা ও ইন্টার মিলান মিলে সেটিকে নিয়ে গেল অন্য উচ্চতায়। কাতালানদের ঘরের মাঠ অলিম্পিক স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে দর্শকরা উপভোগ করলেন এক দুর্দান্ত গোলবন্যার ম্যাচ। ম্যাচ শেষে ফল—৩-৩ গোলে ড্র।

মৌসুমের রেকর্ড ৫০ হাজার ৩১৪ দর্শকের সামনে ইউরোপীয় ফুটবলের এই মহারণে উভয় দলই তুলে ধরেছে আক্রমণাত্মক ফুটবল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের ইতিহাসে ১৯৯৯ সালের পর এটিই প্রথম ম্যাচ যেখানে ছয়টি গোল হয়েছে এবং শেষ হয়েছে ড্রয়ে।

ম্যাচ শুরু হতে না হতেই চমকে দেয় ইন্টার মিলান। ম্যাচের মাত্র প্রথম মিনিটেই ডেনজেল ডামফ্রিজের ব্যাকহিল গোল দলকে এগিয়ে দেন মার্কাস থুরাম। এরপর ২১ মিনিটে আবারও দিমারকোর কর্নার থেকে ফ্রান্সেসকো আকেরবির সহায়তায় শ্বাসরুদ্ধকর অ্যাক্রোব্যাটিকে ব্যবধান বাড়ান ডামফ্রিজ।

তবে ঘুরে দাঁড়াতে দেরি করেনি বার্সা। দুই মিনিট পরই ইয়ামাল ডান দিক থেকে একক নৈপুণ্যে দুর্দান্ত গোল করে ব্যবধান কমান। প্রথমার্ধ শেষের আগে পেদ্রির ফ্লিকে রাফিনিয়ার নিয়ন্ত্রণ এবং তাতে ফেরান তোরেসের শটে গোল করে ২-২ সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয়ার্ধে লাউতারো মার্টিনেজের ইনজুরির পর মাঠে নামেন মেহেদি তারেমি। ৬০ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ডামফ্রিজ। কিন্তু দ্রুতই গোল শোধ করে বার্সা—ছোট কর্নার থেকে রাফিনিয়ার শট লাগে পোস্টে, সেখান থেকে গোলরক্ষক সোমারের পিঠে লেগে ঢুকে পড়ে জালে—ফলাফল ৩-৩। ৭৫ মিনিটে হেনরিখ মিখিতারিয়ান গোল করে ইন্টারকে আবারও এগিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু ভিএআরের চোখে পড়ে সামান্য অফসাইড, বাতিল হয় সেই গোল।

এখন সবকিছু নির্ভর করছে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচের ওপর, যা হবে ৬ মে, মঙ্গলবার, ইন্টারের ঘরের মাঠ জিউসেপ্পে মিয়াজ্জায়। ওই ম্যাচেই জানা যাবে ফাইনালে কারা প্যারিস সেইন্ট জার্মেই ও আর্সেনালের মধ্যকার বিজয়ীর মুখোমুখি হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ