‘কেশরী-২’ সিনেমা ঘোষণার সময় অনন্যা পান্ডের কাস্টিং নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। তবে আলোচনার চেয়ে বেশি হয় সমালোচনা। কারণ, সেই সময় একের পর এক নেতিবাচক মন্তব্য ও ট্রোলিংয়ের শিকার হচ্ছিলেন তিনি। তবে সুযোগটা ঠিকঠাক কাজে লাগিয়েছেন তিনি। অভিনয় দিয়ে প্রতিটি দৃশ্য নিজের করে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দিয়েছেন সমালোচকদের মুখ।

সম্প্রতি কইমইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনন্যাকে নিয়ে দর্শকের প্রতিক্রিয়া শুনে আনন্দ প্রকাশ করেন পরিচালক করণ সিং ত্যাগী। তিনিও বলেন, পর্দায় অনন্যা সত্যিই ‘ডাইনামাইট’।

নেতিবাচক মন্তব্য ও ট্রোলিং সত্ত্বেও সিনেমার জন্য অনন্যা পান্ডেকে কেন নির্বাচন করেছিলেন, বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন নির্মাতা।

তার কথায়, ‘আমরা মূলত চিত্রনাট্যের প্রতি সৎ ছিলাম। আমাদের সামনে যেটা ছিল, সেই গল্পের প্রতি সৎ ছিলাম। দিলরীত গিলের চরিত্রের জন্য আমাদের একজন তরুণী অভিনেত্রীর প্রয়োজন ছিল। কারণ, এই চরিত্রের মধ্য দিয়ে আমরা ভারতের প্রথম নারী আইনজীবীকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন কাউকে চেয়েছিলাম যার মধ্যে একদিকে কোমলতা থাকবে এবং অন্যদিকে চোখে থাকবে দুর্দান্ত দৃঢ়তা। আমি চেয়েছিলাম কোমলতা এবং শক্তি বৈশিষ্ট্য দুই একসঙ্গে প্রকাশ পাক।’

করণ সিং  বলেন, ‘আমি ভাগ্যবান, অনন্যা দুর্দান্ত অভিনয় করেছে বলে। আমার মনে হয় সেটি ছিল তার অন্যতম সংবেদনশীল অভিনয়।’

এই সিনেমায় অনন্যা পান্ডের সঙ্গে আভিনয় করেছেন অক্ষয় কুমার, আর.

মাধবনসহ আরও অনেকে। সূত্র: কইমই।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: আনন য প ন ড অনন য

এছাড়াও পড়ুন:

গভীর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইফতিখারুল আমল মাসঊদের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার গভীর রাতে বিনোদপুরের মণ্ডলের মোড় এলাকায় তাঁর বাড়ির দরজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ আহত হয়নি।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেক প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এটি করেছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও কেউ করেনি। তাঁরা দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইফতিখারুল আমল মাসঊদের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে ঘটনার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘ফ্যাসিবাদী অপশক্তির জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। কোনো রক্তচক্ষুর ভয়ংকর হুমকি অন্যায়ের প্রতিবাদ করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তবে তারা কখনো বাড়ি পর্যন্ত আসার ঔদ্ধত্য দেখাতে পারেনি। কিন্তু আজ আমার বাড়ির দরজায় গভীর রাতের অন্ধকারে হামলার সাহস দেখিয়েছে কাপুরুষের দল! এরা কারা? এদের শিকড়সহ উৎপাটনের দাবি জানাই।’

এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহউপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ভেবেছিলাম বাড়ির গেটে কিংবা গেটের বাইরে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম একেবারে বাড়িতে হামলা হয়েছে। গতকালই ওনার অসুস্থ বাবা হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে বাসায় এসেছেন। জানি না শেষ কবে একজন শিক্ষকের বাড়িতে রাতের আঁধারে এভাবে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। আমরা শঙ্কিত, স্তম্ভিত।’

এদিকে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা চত্বরে এ সমাবেশের আয়োজন চলছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ