আড়াইহাজারে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। 

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলায় অবস্থিত  নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন আড়াইহাজার উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার জেসমীন আক্তার।

অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম ও খাগকান্দা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জয়নাল আবদীন সরকার।

সিনিয়র মৎস্য অফিসার জেসমীন আক্তার বলেন, “ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ আইন ভঙ্গ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযান শেষে জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

অনাগত সন্তান পেটে, মৃত নারীকে পাওয়া গেল বস্তায়

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নিখোঁজের সাত দিন পর ইতি বেগম (২১) নামে এক গৃহবধূর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের লায়েক শেখের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ইতি বেগম একই গ্রামে রাসেল শেখের স্ত্রী ও জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানার দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর মেয়ে। তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এদিকে, মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে রাসেল শেখের সঙ্গে ইতি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মনোমালিন্য ও ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকত। গত ২৪ নভেম্বর বাড়ি থেকে বের হয়ে ইতি নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এর তিন দিন পর রাসেল শেখ মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের সাত দিন পর রবিবার রাতে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ইতি বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, ‘‘রাতে পুকুরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তা থেকে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ইতি বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। তার হাত, পা ও মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’’

ঢাকা/বাদল/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ