জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজবের হিড়িক পড়ে যায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কেউ কেউ সেসব মিথ্যা খণ্ডনের চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু মিথ্যা যে গতিতে ছড়ায়, সেই গতিতে সত্যকে ছড়ানো বেশ কঠিন। ‘ফ্যাক্টচেক’ করা প্রতিষ্ঠানগুলোও জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় তথ্য যাচাই করে। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের কোনো তথ্য যাচাইয়ের দরকার হলে সেটি যাচাইয়ের সহজ কোনো উপায় তখন ছিল না।

তরুণদের মাথায় চিন্তা খেলে গেল, কীভাবে ফ্যাক্টচেকিংয়র এই কাজটিকে সহজ করা যায়। সেখান থেকেই এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিংয়ের ভাবনা। তৈরি হলো ‘খোঁজ’। এআইভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং ওয়েবসাইটটিতে ব্যবহারকারী নিজেই যেকোনো তথ্য যাচাই করে নিতে পারবেন। কোনো মানুষের সাহায্য লাগবে না। তথ্য যাচাইয়ের সম্পূর্ণ কাজটিই করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।

কীভাবে কাজ করে খোঁজ?

খোঁজ এআইভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং ওয়েবসাইট। খোঁজ-এ কোনো কিছু যাচাই করতে দেওয়া হলে প্রথমে এটি ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিউজ আর্কাইভ এবং মাল্টিমিডিয়া উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর উৎসগুলোর নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করে। প্রাসঙ্গিকতা ও ভাষাগত মিল পরীক্ষা করে টেক্সট এবং ছবি বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেয়। নির্ভরযোগ্য উৎস উল্লেখ করে খোঁজ জানায় দাবিটি সত্য, বিভ্রান্তিকর, নাকি সম্পূর্ণ ভুল। ফলাফলের সঙ্গে একটি বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেয় খোঁজ, সেখানে উল্লেখ থাকে কোন কোন উৎস থেকে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। ব্যবহারকারী চাইলে নিজেও উৎসগুলোতে গিয়ে তথ্যটি ফের যাচাই করতে পারবেন।

আরও পড়ুনস্ট্রেঞ্জার থিংসের ‘ইলেভেন’ কেন আবার চুল ফেলে দিতে চান৮ ঘণ্টা আগে

খোঁজের প্রতিষ্ঠাতা ও লিড ডেভেলপার মাহাথির আহমেদ। তিনি খোঁজের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ার অ্যালগরিদমিক ভিত্তি তৈরি করেছেন। এ বছর মে মাসে শুরু করেন খোঁজ তৈরির কাজ। তাঁর দলে রয়েছেন আরও পাঁচজন—সাগর চন্দ্র, তানিয়া আক্তার, আবু কাউছার, আকিফ বিন সাঈদ ও নুসরাত জাহান। ব্যবহারকারীদের জন্য খোঁজের ব্যবহার সহজ করার কাজটি করেছেন সাগর চন্দ্র। তানিয়া করছেন ফ্যাক্টচেকিং প্রক্রিয়ার গুণমান উন্নয়ন। খোঁজের ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ বিভাগের পূর্ণ তথ্যভান্ডার তৈরি ও ডিজিটাল আর্কাইভিংয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন আকিফ। গবেষণা দলের সদস্য হিসেবে নুসরাত উৎস যাচাইয়ের প্রাথমিক ধাপগুলোতে নির্ভুলতা নিশ্চিতের কাজ করেছেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কর্মরত আবু কাউছার ছিলেন প্রকল্পটির পরামর্শক। এই বছরের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে খোঁজ। এরই মধ্যে কয়েজকজন ফ্যাক্টচেকার ও সাংবাদিক এটি ব্যবহার করেছেন বলে জানান তাঁরা। নির্মাতাদের দাবি, এটি ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ফলাফল দেয়। কোনো তথ্য যাচাই করতে না পারলেও খোঁজ সেটি জানিয়ে দেয়, কিন্তু ভুল তথ্য দেখায় না।

খোঁজ বর্তমানে ওয়েবসাইটভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। এটিকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) হিসেবে আনার কাজ চলছে। তাঁদের প্রত্যাশা, অ্যাপে ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। খোঁজ থেকে কোনো মুনাফা করতে চান না নির্মাতারা। তাঁরা চান মানুষ যাতে মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়। তাঁরা বলেন, ‘ব্যবসা নয়, মানুষের ডিজিটাল লিটারেসি বাড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

মুক্তিযুদ্ধ কর্নার

দলের দুই সদস্য মাহাথির ও আকিফ আগে থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত। ছোটদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সচেতন করতে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্মাইল বাংলাদেশ’। অতিমারির পর সংগঠনটি আর চালিয়ে যেতে পারেননি। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে গুজব ছড়ানো শুরু হলে দুজন আলোচনা করেন কীভাবে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্তি থেকে বাঁচানো যায়। সেই চিন্তা থেকেই খোঁজ-এ যুক্ত করেন ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’। এই বিভাগে মুক্তিযুদ্ধ–সম্পর্কিত জিজ্ঞাসার উত্তর পাওয়া যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মুক্তিযুদ্ধের দলিল-দস্তাবেজ এবং গবেষণামূলক গ্রন্থ থেকে এসব উত্তর দেয় খোঁজ। আকিফ জানান, তাঁরা মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের তথ্যভান্ডার বড় করার চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যে কিছু বিদেশি গবেষণাপত্র যুক্ত করেছেন। ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংগৃহীত তথ্যও এই তথ্যভান্ডারে যুক্ত করতে চান তাঁরা।

বাংলা এলএলএমের স্বপ্ন

খোঁজ তৈরির আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে মাহাথির তৈরি করেছিলেন বাংলা চ্যাটবট ‘কথাকুঞ্জ’। সেই সূত্রেই সামাজিক মাধ্যমে আবু কাউছার ও মাহাথিরের সঙ্গে পরিচয়। খোঁজ তৈরির কাজে পরামর্শক ছিলেন কাউছার। মাহাথিরের স্বপ্ন আরও বড় কিছু করা। তিনি বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখি একদিন বাংলা ভাষার এলএলএম (লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেল) তৈরি হবে। হয়তো আমরাই করব! আমি চাই, সেটা যেন রবীন্দ্রনাথের একটা কবিতা সুন্দর করে বুঝিয়ে দিতে পারে। কিংবা জীবনানন্দের মেটাফরগুলো (উপমা) ব্যাখ্যা করতে পারে।’

খোঁজ নিয়ে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্ট ওয়াচের সহকারী সম্পাদক শুভাশীষ দাস রায় বলেন, সারা বিশ্বেই এআইভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে কাজ হচ্ছে। খোঁজ খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। এটির উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে। যেমন মতামত এবং ফ্যাক্টকে আলাদা করতে পারা শেখানো যেতে পারে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়েই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে এ সমস্যাটি হচ্ছে, তথ্য যাচাইয়ের যুক্তিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে ঠিকঠাকভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনচাকরির আবেদনে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ভিডিও সিভি’, কীভাবে তৈরি করবেন১৪ ঘণ্টা আগে.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ক ত র ম ব দ ধ মত ত ম ক ত য দ ধ কর ন র ব যবহ র কর ছ ন

এছাড়াও পড়ুন:

ফ্যাক্টচেক করবে এআই, ৬ তরুণের উদ্যোগ

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও গুজবের হিড়িক পড়ে যায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কেউ কেউ সেসব মিথ্যা খণ্ডনের চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু মিথ্যা যে গতিতে ছড়ায়, সেই গতিতে সত্যকে ছড়ানো বেশ কঠিন। ‘ফ্যাক্টচেক’ করা প্রতিষ্ঠানগুলোও জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় তথ্য যাচাই করে। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের কোনো তথ্য যাচাইয়ের দরকার হলে সেটি যাচাইয়ের সহজ কোনো উপায় তখন ছিল না।

তরুণদের মাথায় চিন্তা খেলে গেল, কীভাবে ফ্যাক্টচেকিংয়র এই কাজটিকে সহজ করা যায়। সেখান থেকেই এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিংয়ের ভাবনা। তৈরি হলো ‘খোঁজ’। এআইভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং ওয়েবসাইটটিতে ব্যবহারকারী নিজেই যেকোনো তথ্য যাচাই করে নিতে পারবেন। কোনো মানুষের সাহায্য লাগবে না। তথ্য যাচাইয়ের সম্পূর্ণ কাজটিই করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।

কীভাবে কাজ করে খোঁজ?

খোঁজ এআইভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং ওয়েবসাইট। খোঁজ-এ কোনো কিছু যাচাই করতে দেওয়া হলে প্রথমে এটি ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিউজ আর্কাইভ এবং মাল্টিমিডিয়া উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর উৎসগুলোর নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করে। প্রাসঙ্গিকতা ও ভাষাগত মিল পরীক্ষা করে টেক্সট এবং ছবি বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেয়। নির্ভরযোগ্য উৎস উল্লেখ করে খোঁজ জানায় দাবিটি সত্য, বিভ্রান্তিকর, নাকি সম্পূর্ণ ভুল। ফলাফলের সঙ্গে একটি বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেয় খোঁজ, সেখানে উল্লেখ থাকে কোন কোন উৎস থেকে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। ব্যবহারকারী চাইলে নিজেও উৎসগুলোতে গিয়ে তথ্যটি ফের যাচাই করতে পারবেন।

আরও পড়ুনস্ট্রেঞ্জার থিংসের ‘ইলেভেন’ কেন আবার চুল ফেলে দিতে চান৮ ঘণ্টা আগে

খোঁজের প্রতিষ্ঠাতা ও লিড ডেভেলপার মাহাথির আহমেদ। তিনি খোঁজের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ার অ্যালগরিদমিক ভিত্তি তৈরি করেছেন। এ বছর মে মাসে শুরু করেন খোঁজ তৈরির কাজ। তাঁর দলে রয়েছেন আরও পাঁচজন—সাগর চন্দ্র, তানিয়া আক্তার, আবু কাউছার, আকিফ বিন সাঈদ ও নুসরাত জাহান। ব্যবহারকারীদের জন্য খোঁজের ব্যবহার সহজ করার কাজটি করেছেন সাগর চন্দ্র। তানিয়া করছেন ফ্যাক্টচেকিং প্রক্রিয়ার গুণমান উন্নয়ন। খোঁজের ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ বিভাগের পূর্ণ তথ্যভান্ডার তৈরি ও ডিজিটাল আর্কাইভিংয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন আকিফ। গবেষণা দলের সদস্য হিসেবে নুসরাত উৎস যাচাইয়ের প্রাথমিক ধাপগুলোতে নির্ভুলতা নিশ্চিতের কাজ করেছেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কর্মরত আবু কাউছার ছিলেন প্রকল্পটির পরামর্শক। এই বছরের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে খোঁজ। এরই মধ্যে কয়েজকজন ফ্যাক্টচেকার ও সাংবাদিক এটি ব্যবহার করেছেন বলে জানান তাঁরা। নির্মাতাদের দাবি, এটি ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ফলাফল দেয়। কোনো তথ্য যাচাই করতে না পারলেও খোঁজ সেটি জানিয়ে দেয়, কিন্তু ভুল তথ্য দেখায় না।

খোঁজ বর্তমানে ওয়েবসাইটভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। এটিকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) হিসেবে আনার কাজ চলছে। তাঁদের প্রত্যাশা, অ্যাপে ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। খোঁজ থেকে কোনো মুনাফা করতে চান না নির্মাতারা। তাঁরা চান মানুষ যাতে মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়। তাঁরা বলেন, ‘ব্যবসা নয়, মানুষের ডিজিটাল লিটারেসি বাড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

মুক্তিযুদ্ধ কর্নার

দলের দুই সদস্য মাহাথির ও আকিফ আগে থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত। ছোটদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সচেতন করতে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্মাইল বাংলাদেশ’। অতিমারির পর সংগঠনটি আর চালিয়ে যেতে পারেননি। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে গুজব ছড়ানো শুরু হলে দুজন আলোচনা করেন কীভাবে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্তি থেকে বাঁচানো যায়। সেই চিন্তা থেকেই খোঁজ-এ যুক্ত করেন ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’। এই বিভাগে মুক্তিযুদ্ধ–সম্পর্কিত জিজ্ঞাসার উত্তর পাওয়া যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মুক্তিযুদ্ধের দলিল-দস্তাবেজ এবং গবেষণামূলক গ্রন্থ থেকে এসব উত্তর দেয় খোঁজ। আকিফ জানান, তাঁরা মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের তথ্যভান্ডার বড় করার চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যে কিছু বিদেশি গবেষণাপত্র যুক্ত করেছেন। ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংগৃহীত তথ্যও এই তথ্যভান্ডারে যুক্ত করতে চান তাঁরা।

বাংলা এলএলএমের স্বপ্ন

খোঁজ তৈরির আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে মাহাথির তৈরি করেছিলেন বাংলা চ্যাটবট ‘কথাকুঞ্জ’। সেই সূত্রেই সামাজিক মাধ্যমে আবু কাউছার ও মাহাথিরের সঙ্গে পরিচয়। খোঁজ তৈরির কাজে পরামর্শক ছিলেন কাউছার। মাহাথিরের স্বপ্ন আরও বড় কিছু করা। তিনি বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখি একদিন বাংলা ভাষার এলএলএম (লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেল) তৈরি হবে। হয়তো আমরাই করব! আমি চাই, সেটা যেন রবীন্দ্রনাথের একটা কবিতা সুন্দর করে বুঝিয়ে দিতে পারে। কিংবা জীবনানন্দের মেটাফরগুলো (উপমা) ব্যাখ্যা করতে পারে।’

খোঁজ নিয়ে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্ট ওয়াচের সহকারী সম্পাদক শুভাশীষ দাস রায় বলেন, সারা বিশ্বেই এআইভিত্তিক ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে কাজ হচ্ছে। খোঁজ খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। এটির উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে। যেমন মতামত এবং ফ্যাক্টকে আলাদা করতে পারা শেখানো যেতে পারে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়েই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে এ সমস্যাটি হচ্ছে, তথ্য যাচাইয়ের যুক্তিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে ঠিকঠাকভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনচাকরির আবেদনে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ভিডিও সিভি’, কীভাবে তৈরি করবেন১৪ ঘণ্টা আগে

সম্পর্কিত নিবন্ধ