মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের নির্বাচনে ধাক্কা খেল প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারের জোট
Published: 30th, November 2025 GMT
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ‘পাকাতান হারাপান’ সাবাহ রাজ্যের নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েছে। তিন বছর ক্ষমতায় থাকা জোটটির জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা।
বোর্নিও দ্বীপের পূর্বাঞ্চলীয় সাবাহ রাজ্যে গতকাল শনিবার ভোট হয়েছে। রোববার প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, রাজ্যের ২০টি আসনের মধ্যে পাকাতান হারাপান জোট মাত্র একটি আসনে জিতেছে। এর আগে এ রাজ্যে জোটটি সাতটি আসনে জিতেছিল।
মালয়েশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক লি কুওক টিয়ুং বলেন, ‘সাবাহ রাজ্যের এই নির্বাচনী ফলে দেখা যাচ্ছে, আনোয়ারের জোট বড় ধরনের পরাজয়ের শিকার হয়েছে।’
সাবাহের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজ্যেও ভোট হবে। ২০২৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব ভোট আনোয়ারের জোটের জন্য বড় পরীক্ষা। কারণ, এতে তাঁর জনপ্রিয়তা কেমন, তা প্রমাণ হবে।
আনোয়ারের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের পাকাতান হারাপান জোট ধাক্কা খেলেও তাঁর সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রাজ্য পর্যায়ের গাবুঙ্গান রাক্যাত সাবাহ (জিআরএস) জোট ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে। সাবাহ মালয়েশিয়ার বৃহত্তম ও দরিদ্রতম রাজ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাজ্যটিতে আরও বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসনের দাবি ক্রমে জোরদার হচ্ছে। তাই আনোয়ারের জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে চাপের মুখে ছিল জিআরএস। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা জিতেছে।
জিআরএস নেতা হাজিজি নুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আনোয়ার। গতকাল তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সাবাহ রাজ্যের ভোটারদের দেওয়া ‘স্পষ্ট ও শক্ত বার্তাকে পূর্ণ সম্মান’ জানায়।
আনোয়ার আরও লেখেন, ‘প্রায় সব রাজনৈতিক দলের অবিচার ও অবহেলার মুখে পড়ে সাবাহবাসী এখন সত্যিকারের পরিবর্তন চাইছে।’
পাকাতান হারাপান জোটের মিত্রদের বড় পরাজয় নিয়ে আনোয়ার কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁর দপ্তরও এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক লি কুওক টিয়ুং বলেন, সাবাহ রাজ্যের ভোটাররা আঞ্চলিক দল, বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন এবং পানি, বিদ্যুৎ ও সড়ক—এই মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দেন। আনোয়ারকে স্থানীদের জনমত বুঝতে হবে। আর আগের প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন কত দূর হয়েছে, তা–ও নতুন করে পর্যালোচনা করা দরকার।
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের নির্বাচনে ধাক্কা খেল প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারের জোট
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ‘পাকাতান হারাপান’ সাবাহ রাজ্যের নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েছে। তিন বছর ক্ষমতায় থাকা জোটটির জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা।
বোর্নিও দ্বীপের পূর্বাঞ্চলীয় সাবাহ রাজ্যে গতকাল শনিবার ভোট হয়েছে। রোববার প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, রাজ্যের ২০টি আসনের মধ্যে পাকাতান হারাপান জোট মাত্র একটি আসনে জিতেছে। এর আগে এ রাজ্যে জোটটি সাতটি আসনে জিতেছিল।
মালয়েশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক লি কুওক টিয়ুং বলেন, ‘সাবাহ রাজ্যের এই নির্বাচনী ফলে দেখা যাচ্ছে, আনোয়ারের জোট বড় ধরনের পরাজয়ের শিকার হয়েছে।’
সাবাহের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজ্যেও ভোট হবে। ২০২৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব ভোট আনোয়ারের জোটের জন্য বড় পরীক্ষা। কারণ, এতে তাঁর জনপ্রিয়তা কেমন, তা প্রমাণ হবে।
আনোয়ারের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের পাকাতান হারাপান জোট ধাক্কা খেলেও তাঁর সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রাজ্য পর্যায়ের গাবুঙ্গান রাক্যাত সাবাহ (জিআরএস) জোট ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে। সাবাহ মালয়েশিয়ার বৃহত্তম ও দরিদ্রতম রাজ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাজ্যটিতে আরও বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসনের দাবি ক্রমে জোরদার হচ্ছে। তাই আনোয়ারের জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে চাপের মুখে ছিল জিআরএস। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা জিতেছে।
জিআরএস নেতা হাজিজি নুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আনোয়ার। গতকাল তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সাবাহ রাজ্যের ভোটারদের দেওয়া ‘স্পষ্ট ও শক্ত বার্তাকে পূর্ণ সম্মান’ জানায়।
আনোয়ার আরও লেখেন, ‘প্রায় সব রাজনৈতিক দলের অবিচার ও অবহেলার মুখে পড়ে সাবাহবাসী এখন সত্যিকারের পরিবর্তন চাইছে।’
পাকাতান হারাপান জোটের মিত্রদের বড় পরাজয় নিয়ে আনোয়ার কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁর দপ্তরও এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক লি কুওক টিয়ুং বলেন, সাবাহ রাজ্যের ভোটাররা আঞ্চলিক দল, বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন এবং পানি, বিদ্যুৎ ও সড়ক—এই মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দেন। আনোয়ারকে স্থানীদের জনমত বুঝতে হবে। আর আগের প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন কত দূর হয়েছে, তা–ও নতুন করে পর্যালোচনা করা দরকার।