টেকনাফে ৬ শিশু অপহরণ, ফেরত এসেছে ২ জন
Published: 30th, November 2025 GMT
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শিলখালী পূর্ব পাড়ায় খেলার সময় ছয় শিশুকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা একদল সশস্ত্র অপহরণকারী শিশুদের জিম্মি করে গভীর পাহাড়ে নিয়ে যায়। পরে তাদের কবল থেকে দুই শিশু কৌশলে পালিয়ে আসে। বাকি চারজনের এখনো খোঁজ মেলেনি।
আরো পড়ুন:
টেকনাফে ঘরের দরজা ভেঙে স্থানীয় বাসিন্দাকে অপহরণ করেছে রোহিঙ্গারা
ট্রলারসহ ৬ জেলে অপহরণ
অপহৃত শিশুরা হলো মো.
বাহারছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফেজ আহমদ বলেন, ‘‘শিশুরা খেলছিল। এমন সময় পাহাড় থেকে কয়েকজন অস্ত্রধারী নেমে এসে তাদের ধরে নিয়ে যায়। দুইজন পালাতে পারলেও চারজনকে এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে পাহাড়ে খোঁজ চালাচ্ছেন।’’
বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবুও শিশুদের উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।’’
কক্সবাজার জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ অঞ্চলে ২৬০ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাদের অনেকে মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এলেও বেশ কয়েকজনের সন্ধান মেলেনি।
ঢাকা/তারেকুর/বকুল
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
টেকনাফে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১
কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটেলিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার ভোরে টেকনাফের গোদার বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, সম্প্রতি গোদার বিল ও মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চক্রের ছিনতাই, অপহরণ এবং পর্যটক ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জবরদস্তি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে নুর আহমদ (২৫) নামের একজনকে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়।
তিনি বলেন, এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে পর্যটক ও স্থানীয়দের অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই, অপহরণ এবং মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। তাদের গোপন আস্তানা ও চলাচলের রুটও শনাক্ত করা হয়েছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আটক নুর আহমদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং জব্দকৃত অস্ত্র থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির ওই কর্মকর্তা।
ঢাকা/তারেকুর/রফিক