বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিপিএল) এর ২০২৫ আসরের নিলামে বিদেশি ক্রিকেটারদের দলে নেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে। নিলামে পাঁচ লাখ ডলারের অফার থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাজেটে অনেকেই দল পেয়েছেন। 

চলুন দেখে নেওয়া যাক কতো টাকায় কারা কাকে দলে ভেড়াল:

আরো পড়ুন:

অবশেষে দল পেলেন মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক-মুমিনুল

বিপিএলের নিলামে লিটন, আগেভাগেই দল পেয়েছেন নাজমুল-মিরাজ

দল  ক্রিকেটার মূল্য (টাকা)
রংপুর রাইডার্স    এমিলিয়া গে (ইতালি)  ১২ লাখ
রংপুর রাইডার্স মোহাম্মদ আখলাক (পাকিস্তান)  ১২ লাখ
চট্টগ্রাম রয়্যালস নিরোশান ডিকভেলা (শ্রীলঙ্কা) ৩৮.

৫ লাখ 
ঢাকা ক্যাপিটালস  দাসুন শানাকা (শ্রীলঙ্কা)  ৬০.৫ লাখ
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স দুশান হেমান্থ (শ্রীলঙ্কা)  ২৭.৫ লাখ
নোয়াখালী এক্সপ্রেস ইহসানউল্লাহ (পাকিস্তান)    ৩০.৮ লাখ
ঢাকা ক্যাপিটালস জুবাইরউল্লাহ আকবরি (আফগানিস্তান) ২২.০ লাখ
চট্টগ্রাম রয়্যালস  অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (শ্রীলঙ্কা) ২২.০ লাখ   

নিলামে বিদেশি দলে নেওয়ার ধারা ও দলের পরিকল্পনা:

রংপুর রাইডার্স: প্রথম দিকে বিদেশি খেলোয়াড় নিলামে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে তারা গতিশীল দল গঠনের দিকে মন ঘোরায় এবং শেষপর্যায়ে ইতালি ও পাকিস্তানের দুই বিদেশি ক্রিকেটার- এমিলিয়া গে ও মোহাম্মদ আখলাককে দলে অন্তর্ভুক্ত করে।

ঢাকা ক্যাপিটালস: দুই বিদেশিকে দলে নিয়ে তাদের অলরাউন্ডার ও পেস-সম্পর্কিত শক্তি নিশ্চিত করেছে; বিশেষ করে দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলারে) এবং জুবাইরউল্লাহ আকবরি (২০ হাজার ডলারে) নিয়ে তারা ব্যালান্সড দলে কাজ করছে।

চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স তাদের দল সাজাতে শ্রীলঙ্কা থেকে খেলোয়াড় নিয়েছে (ডিকভেলা, পেরেরা, হেমান্থ), যা তাদের স্পিন/আলরাউন্ড বলিং বিভাগে ভারসাম্য আনবে।

নোয়াখালী এক্সপ্রেস: পাকিস্তানি পেসার ইহসানউল্লাহকে ২৮ হাজার ডলার বাজেটে ধরে নিয়ে স্পিন-পেসের মিশ্রক গঠনের দিকে আগ্ৰসর হয়েছে।

নিলামের এই দফাতে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি দলই দলে বিদেশি শক্তি যোগ করতে চেয়েছে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং বোলিং-ব্যাটিং ভারসাম্য নিশ্চিত করতে। বাজেট অনুযায়ী যারা বেশি বাজি ধরেছেন (যেমন শানাকা), তারা মূলত আলরাউন্ডার বা দারুণ পেসার, যা দলকে স্বাবলম্বী করতে পারে।

অন্য দিকে, যেসব দল শেষ মুহূর্তে দলে ঢুকেছে, তারা হয়তো রিস্ক নিয়েছে- কিন্তু বড় প্রতিদানও পাচ্ছে: কম বাজেটে এমন খেলোয়াড় যারা প্রথম থেকেই দলে কমন ছিল না।

ঢাকা/আমিনুল

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব প এল

এছাড়াও পড়ুন:

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল হলে বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে: ফজলে এলাহী

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা স্থিতিশীল হলে চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আজ শনিবার তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এ কথা জানিয়েছেন।

আজ বিকেলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আগের থেকে একটু ভালো’ জানিয়ে ফজলে এলাহী আকবর বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) স্ট্যাবল (শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল) হলে অবশ্যই (বিদেশে) নেওয়ার একটা ব্যবস্থা করা হবে। নেওয়ার মতো অবস্থা এখনো হয়নি।’

এর আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর দেখা দেয় নিউমোনিয়া। এর সঙ্গে রয়েছে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরোনো সমস্যা। ফলে পরিস্থিতি এমন—একটি রোগের চিকিৎসা দিতে গেলে আরেকটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গত রোববার। সেদিন তাঁর অনেক শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছিল। দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে দুই দিন আগে তাঁকে হাসপাতালের কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।

গতকাল জুমার নামাজ শেষে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ দোয়ায় অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় বলে উল্লেখ করেন।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন সরকার নির্বাহী আদেশে তাঁর সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ছয় মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। যদিও চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি।

গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। গত ৮ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে যান। চার মাস পর ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।

আরও পড়ুনখালেদা জিয়ার অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ ১৫ ঘণ্টা আগে

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল হলে বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে: ফজলে এলাহী