রশু’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
Published: 30th, November 2025 GMT
নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, নরায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক রশিদুর রহমান রশু’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) শহরের মাসদাইর এলাকায় এ কুরআন খতম, দোয়া ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাদের বক্তব্যে রশুর বিভিন্ন সৃতিচারণ করেন।
তারা বলেন, রশু ছাত্রদলের সময় থেকেই সাহসী নেতা ছিলেন। তিনি রাজপথে সব সময় দলীয় সকল কর্মসূচীতে ছিলেন অগ্রগামী। হামলা মামলা নির্যাতন ও কারাবরণ করে তিনি দলের জন্য ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপি ও জিয়া পরিবারের অনুগত্য করেছিলেন। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। এমন নেতা হারিয়ে আমরা সত্যি একজন বীর জাতীয়তাবাদী সৈনিককে হারিয়েছি।
মাহফিলে মরহুমের রুহের মাগফিরাত, জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা এবং তাঁর পরিবারের জন্য শক্তি ও ধৈর্যের দোয়া করা হয়। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুম রশিদুর রহমান রশু’র রাজনৈতিক অবদান, তাঁর সততা, নিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী দলের প্রতি তাঁর আত্মত্যাগের কথা গভীর সম্মানের সাথে স্মরণ করেন।
আজ সকাল ১১.
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ ছ ত র দল
এছাড়াও পড়ুন:
ইতিহাস মিথ্যা বানোয়াট তথ্যের উপর টিকতে পারবে না : নঈম জাহাঙ্গীর
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর বলেন, ইতিহাস কখনো মিথ্যা বানোয়াট তথ্যের উপর টিকে থাকতে পারবে না। আগামী প্রজন্মও মিথ্যা তথ্যের উপর বাংলাদেশ বিনিমার্ণ করতে পারবে না।
৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা হয়েছিল দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। সাধারণ মানুষ ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের পর যে ইতিহাস তৈরি করা হয়েছিল তা এক ব্যক্তির নামে, এক পরিবারের নামে। সেই ইতিহাস বাংলাদেশে আর ফিরবে না।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের কানাইনগর ছোবহানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের নারায়ণগঞ্জ জেলা ইউনিটের উদ্যোগে বক্তাবলী গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে এক স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ কোনো ভাষণ নয়। মুক্তিযুদ্ধ ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে কোনো চা চক্র নয়। মুক্তিযুদ্ধ মানে মুখোমুখি লড়াই, জীবন বাজি রাখার লড়াই,বন্ধুকের বিরুদ্ধে বন্ধুকের লড়াই। ৭১ সালে আমরা জীবন বাজি রেখে পাকিস্তান বাহিনী ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলাম।
আমরাও মরেছি, তাদেরকেও মেরেছি। পরিশেষে আমরা বিজয়ী হয়েছি, তারা পরাজিত হয়েছেন। এতো সহজেই আমরা বিজয় আনতে পারি নি। আমাদের বহু মুক্তিযুদ্ধ আহত হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন। আমরা যারা মুক্তিযোদ্ধা আছি তারা জানি কোন এলাকায় কয়জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আলী বলেন, আপনারা যদি আমাকে মসমর্থন দেন তাহলে আমি নারায়নগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবো।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) সৈয়দ মুনিবুর রহমান, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল বরণ রায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির, নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম খোকন প্রমুখ।