ইতিহাস গড়ে প্রথমবার এমএলএস কাপের ফাইনালে মায়ামি
Published: 30th, November 2025 GMT
মেসির ইন্টার মায়ামি অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাল। ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তারা জায়গা করে নিল এমএলএস কাপের ফাইনালে। বাংলাদেশ সময় রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে ফোর্ট লডারডেলের চেজ স্টেডিয়ামে নিউ ইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫–১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে নাম লেখায় দ্য হেরন্সরা।
ফাইনাল নিশ্চিত করার রাতে ইন্টার মায়ামির নায়ক ছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড তাদেও আলেন্দে। শুরুতেই ২৩ মিনিটে দুটি গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। নিউ ইয়র্ক বিরতির ঠিক আগে জাস্টিন হাকের গোলে আশা দেখালেও, মায়ামির রক্ষণভাগ আর গোলরক্ষক রোকো রিয়োস নোভো তাতে বেশি বাড়তে দেয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে আগস্টে দলে যোগ দেওয়া মাতেও সিলভেত্তি মেসির দারুণ অ্যাসিস্ট থেকে দলকে ৩–১ করেন। বদলি হিসেবে নামার ১০ মিনিটের মাথায় গোল যোগ করেন তেলাসকো সেগোভিয়া।
শেষদিকে আলেন্দে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করলে উৎসব আরো রঙিন হয়ে ওঠে। প্লে-অফে আট গোল করে, এর মধ্যে তিনবার মাল্টিগোল করে, তিনি হয়েছেন ম্যাচসেরাও।
ইন্টার মায়ামি প্রথম রাউন্ডে হারায় ন্যাশভিল এসসিকে, এরপর সেমিফাইনালে সিএফ সিনসিনাটিকে। এর আগে ২০২৪, ২০২২ ও ২০২০; কোনোবারই প্লে-অফের প্রথম রাউন্ড পেরোতে পারেনি তারা। সেই হতাশা ধুয়েমুছে এখন ইতিহাস রচনা করেছে দলটি।
রেগুলার সিজনে ইন্টার মায়ামি টেবিলে ছিল পূর্বাঞ্চলে তৃতীয়, পয়েন্ট ৬৫। আর পশ্চিমাঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপস পায় ৬৩ পয়েন্ট। তাই ফাইনালের আয়োজক মেসিরাই। ভ্যানকুভার একই দিন সান ডিয়েগোতে ৩–১ গোলে জিতে তাদের প্রথম ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স শিরোপা নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচ শেষে ইস্টার্ন কনফারেন্সের শিরোপা হাতে তুলে ধরলেন লিওনেল মেসি। আর সেই মুহূর্তে ক্লাবের সহ-মালিক হোর্হে মাস মনে করিয়ে দিলেন, কাজ এখনো শেষ হয়নি, “আর মাত্র একটা ম্যাচ। আরেকটি ট্রফি।”
তিনি আরও বলেন, “এই শিরোপা মায়ামির মানুষদের জন্য, আমাদের ‘লা ফামিলিয়া’ সমর্থকদের জন্য। ক্লাব অসাধারণ প্রচেষ্টা করেছে। কিন্তু এটাই শেষ নয়, একটা শেষ ধাপ বাকি।”
মায়ামির কোচ জাভিয়ের মাসচেরানোর চোখ অবশ্য এখন বড় ট্রফিতে। তিনি বলেন, “এই টুর্নামেন্টে নিয়মিত মৌসুম আর প্লে-অফ-দুটোই আসলে আলাদা লড়াই। আজকের এই অর্জন স্মরণীয় থাকবেই। তবে আসল পুরস্কারটি এখনো আমাদের সামনে।”
এদিন গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন টেনিস তারকা কার্লোস আলকারাজসহ যুক্তরাষ্ট্র নারী দলের কয়েকজন সদস্যও। মেসিদের জয়গাথা মাঠে বসেই দেখলেন তারা।
ঢাকা/আমিনুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ইন ট র ম য় ম ফ ইন ল
এছাড়াও পড়ুন:
‘প্রথমবার চুম্বনের দৃশ্য, স্বভাবতই নার্ভাস ছিলাম’
মুক্তি পেয়েছে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর পঞ্চম ও শেষ মৌসুমের প্রথম কিস্তি। ২০১৭ সালে নেটফ্লিক্সের আলোচিত সিরিজটিতে যুক্ত হয়ে সারা দুনিয়ার তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন স্যাডি সিঙ্ক। সম্প্রতি দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবনসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন ২৩ বছর বয়সী মার্কিন অভিনেত্রী।
রাতারাতি তারকা
নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরই ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ হয়ে ওঠে বহুল চর্চিত এক নাম। ২০১৭ সালে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তিতে যুক্ত হওয়ার পর স্যাডির খ্যাতি পাওয়াটা স্রেফ সময়ের ব্যাপারমাত্র। তবে দেখার বিষয় ছিল, অন্য প্রকল্পগুলোতে তিনি কেমন করেন। ‘দ্য হোয়েল’ ছবিতে অস্কারজয়ী অভিনেতা ব্রেন্ডন ফ্রেজারের বিপরীতে অভিনয় করে সে পরীক্ষায়ও ভালোভাবেই উতরে যান এই মার্কিন অভিনেত্রী। পাশাপাশি নেটফ্লিক্সের আরেক জনপ্রিয় হরর ট্রিলজি ‘ফিয়ার স্ট্রিট’-এও তাঁকে দেখা গেছে।
২০২১ সালে টেইলর সুইফটের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘অল টু ওয়েল: দ্য শর্টফিল্ম’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় ছিল স্যাডির ক্যারিয়ারের আরেক বড় মাইলফলক। ছবিটিতে তিনি মানসিক টানাপোড়েন ও যন্ত্রণা পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন। ‘এই ছবিতে যখন অভিনয় করি, তখনো আমি কারও প্রেমে পড়িনি, তাই সম্পর্ক ভাঙার তীব্রতা সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না। সে কারণেই এ ছবিতে অভিনয় ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, পরে সমালোচকদের পাওয়া প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হয়েছে, সেটা ভালোভাবেই সামলাতে পেরেছি,’ ভ্যারাইটিকে বলেন স্যাডি।
‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ স্যান্ডি। নেটফ্লিক্স