ভারতীয় সিনেমার তারকা দম্পতি দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। কয়েক বছর আগে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তারা। এবার দীপিকার বোন আনিশা পাড়ুকোন অর্থাৎ শ্যালিকার বিয়ের ঘটকালি করছেন রণবীর সিং। আনিশার হবু বরের নাম রোহান আচার্য।
আচার্য পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র ডেকান ক্রনিকল-কে বলেন, “পাড়ুকোন পরিবার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের ঘোষণা না দিলেও খুব শিগগির একটি বিবৃতি প্রকাশ করবে। আনিশা ও রোহান বহু বছর ধরে একে অপরকে চেনেন। তবে খুবই ব্যক্তিগত জীবনযাপন করেন তারা। সবসময়ই সম্পর্কটিকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রেখেছেন। মজার ব্যাপার হলো, দীপিকা ও রণবীর দুজনেই রোহানকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন।”
আরো পড়ুন:
প্রাক্তন প্রেমিকা দীপিকায় বুঁদ রণবীর কাপুর (ভিডিও)
১২০ ক্রু সদস্য হাসপাতালে: রণবীরের সিনেমার শুটিং বন্ধ
আনিশার বিয়ের ঘটক দীপিকার স্বামী রণবীর সিং। এ তথ্য উল্লেখ করে সূত্রটি বলেন, “দীপিকার বর অভিনেতা রণবীর সিং হয়তো এ বিয়ের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন। রণবীরের বাবা-মা ও সুমিত আচার্য খুব ঘনিষ্ঠ। এটি একটি অসাধারণ পরিবার। পারিবারিক নানা অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছে আনিশা ও রোহানের, সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।”
দীপিকার বাবার নাম প্রকাশ পাড়ুকোন। ১৯৮০ সালে বিশ্বসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ছিলেন। প্রাক্তন এই খেলোয়াড় ব্যক্তিগত জীবনে ঘর বাঁধেন চিমু আচার্যের সঙ্গে। এ দম্পতির দুই সন্তান। তারা হলেন—দীপিকা পাড়ুকোন ও আনিশা পাড়ুকোন।
দীপিকার ৩৪ বছর বয়সি বোন আনিশা পেশায় একজন গলফার। পাশাপাশি দীপিকা প্রতিষ্ঠিত ‘লাইভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন’-এর সিইও হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। রোহান দুবাইভিত্তিক উদ্যোক্তা, চিমু ও সুমিত আচার্যের ছেলে। বাবার সঙ্গে পরিবারের ট্রাভেল ব্যবসায়ও কাজ করেন রোহান।
রোহান আচার্যের মা চিমু আচার্য আমিরাতের একটি কোম্পানির মার্কেটিংয়ের প্রধান ছিলেন। ২০০২ সালে নিজের ইভেন্টস এজেন্সি ‘এল’অ্যাটিটিউড’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম আয়োজন ছিল বলিউড সুপারস্টার আমির খানের একটি কনসার্ট।
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর রণব র স চলচ চ ত র রণব র স পর ব র
এছাড়াও পড়ুন:
পাঁচ উচ্চ ভবন গড়ছে ট্রপিক্যাল
ঢাকার বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণে নতুন বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনছে ট্রপিক্যাল হোমস। বহুতল সুউচ্চ ভবন, আধুনিক স্থাপত্য, নিরাপদ অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর সুবিধা—সব মিলিয়ে তারা গড়ে তুলছে এক নতুন নগর–অভিজ্ঞতা। এর সর্বশেষ উদাহরণ মালিবাগে নির্মীয়মাণ ৪৫ তলা ‘টিএ টাওয়ার’, যা চালু হলে ঢাকার স্কাইলাইনে যোগ হবে ভবিষ্যৎ নগরায়ণের নতুন চিহ্ন।
একই সঙ্গে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মিত চারটি কমার্শিয়াল টাওয়ার—ট্রপিক্যাল মেট্রো সেন্টার, আহমেদ টাওয়ার, নূর টাওয়ার ও ইলেকট্রা টাওয়ার—ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করে তুলতে প্রস্তুত হচ্ছে। এসব বাণিজ্যিক স্থাপনার প্রতি বর্গফুট ন্যূনতম ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
টিএ টাওয়ার: মালিবাগে আকাশচুম্বী স্থাপনাঢাকার হৃদয়ে ৪৬ কাঠা জমিতে মালিবাগের ডিআইটি রোডে নির্মিত হচ্ছে ৪৫ তলা ‘টিএ টাওয়ার’। ইতিমধ্যে ভূগর্ভস্থ ছয়টি স্তর নির্মাণ শেষ হয়েছে। এই ভবন নির্মাণে এককভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে জিপিএইচ ইস্পাতের কোয়ান্টাম টেকনোলজিতে তৈরি ৬০০ গ্রেডের বি৬০০ডি–আর রড; যা ভূমিকম্প-সহনশীল এবং নির্মাণ সময় ও মজুরি কমাতে সহায়ক। এই ভবন ২০২৯ সালের ডিসেম্বরেই চালু হওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে ট্রপিক্যাল হোমস। টাওয়ারটির বৈশিষ্ট্য এর বহুমুখী সেবা। ভবনের ২৩ তলা পর্যন্ত থাকবে একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল, যেখানে সর্বশেষ চিকিৎসাপ্রযুক্তি ব্যবহারে রোগীরা পাবেন উন্নত সেবা। থাকবে অত্যাধুনিক রিটেইল মার্কেট—ডিজাইনার ব্র্যান্ড থেকে স্থানীয় প্রয়োজনীয় দোকান—সবকিছুই এক ছাদের নিচে। ভবনের ওপরের অংশে থাকবে খোলা আকাশের নিচে সুইমিংপুল, জিম, বিশ্রামাগার এবং শিশুদের জন্য অ্যাডভেঞ্চার জোন। এখান থেকে পুরো ঢাকাকে দেখা যাবে মনোমুগ্ধকরভাবে।
ব্যবসায়ীদের জন্য এখানে স্পেস থাকবে ৪৫৫ থেকে ৫৬৫ বর্গফুটের ছোট ইউনিট থেকে শুরু করে ১৭ হাজার ৯৮২ বর্গফুট মেঝেজুড়ে বিস্তৃত ফ্লোর পর্যন্ত। ১৪টি যাত্রীবাহী লিফট, ২টি সার্ভিস লিফট এবং ৬ জোড়া এস্কেলেটর পুরো ভবনকে করবে সহজে চলাচলযোগ্য। একসঙ্গে ৩৮২টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা থাকছে, যা ঢাকার বাণিজ্যিক ভবনে অত্যন্ত বিরল।
পরিবেশবান্ধব নকশায় ভবনের অর্ধেক জমি খোলা জায়গা হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে মিলবে সবুজায়নের প্রশান্তি। ডাবল গ্লাজড কম নির্গমন কাচ ভবনটিকে দেবে বিদ্যুৎ–সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্য। অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা ও ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে স্থাপনার স্থায়িত্ব ও নিরাপদ ব্যবহার।
ট্রপিক্যাল মেট্রো সেন্টার: ফকিরাপুলে আধুনিক বাণিজ্যকেন্দ্রঢাকার ফকিরাপুলে ইনার সার্কুলার রোডে ১৪ দশমিক ৪২ কাঠা জমিতে নির্মিত ‘ট্রপিক্যাল মেট্রো সেন্টার’ একটি তিন বেজমেন্টসহ ২২ তলা কমার্শিয়াল টাওয়ার। এতে ডাবল গ্লেজ গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। উত্তরমুখী এ ভবনের সামনে ১২০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, ফলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে থাকবে সহজ যাতায়াত–সুবিধা।
এখানে অফিস স্পেস পাওয়া যাবে ৯০৮ থেকে ১ হাজার ৫৪৪ বর্গফুট পর্যন্ত এবং পুরো ফ্লোর হলে ৬ হাজার ৪৬৬ বর্গফুট। পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের পাশাপাশি থাকবে চারটি যাত্রীবাহী লিফট ও দুই জোড়া সিঁড়ি। নকশা করেছে স্টুডিও গ্রিনারি।
ট্রপিক্যাল আহমেদ টাওয়ার: উত্তরার হৃদয়ে ব্যবসাকেন্দ্রউত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে ৫ কাঠা জমিতে নির্মিত ১০ তলা ‘ট্রপিক্যাল আহমেদ টাওয়ার’ একটি আধুনিক ছোট-মাঝারি মাপের কমার্শিয়াল ভবন। দক্ষিণমুখী এ ভবনের সামনে রয়েছে ১০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা। ২ হাজার ৩২৫ বর্গফুটের কমার্শিয়াল স্পেস ও একটি যাত্রীবাহী লিফট থাকছে ভবনে। নকশা করেছে ট্রপিক্যাল হোমসের ইন–হাউস আর্কিটেক্ট দল।
ট্রপিক্যাল নূর টাওয়ার: বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র কারওয়ান বাজারেকাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে ৯ কাঠা জমিতে নির্মিত ‘ট্রপিক্যাল নূর টাওয়ার’ একটি ১২ তলা কমার্শিয়াল ভবন। পূর্বমুখী এই ভবনের সামনে ১০০ ফুট চওড়া রাস্তা। এখানে বাণিজ্যিক স্পেস থাকছে ২ হাজার ৫ বর্গফুট থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১০ বর্গফুট পূর্ণ ফ্লোর পর্যন্ত। দুটি যাত্রীবাহী লিফট ও দুই জোড়া সিঁড়ি মিলিয়ে ভবনটিকে করা হচ্ছে নিরাপদ ও সহজগম্য।
ট্রপিক্যাল ইলেকট্রা টাওয়ার: পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় ব্যবসা হাবপুরানা পল্টনে ১৪ দশমিক ১৬ কাঠা জমিতে নির্মিত ‘ট্রপিক্যাল ইলেকট্রা টাওয়ার’ একটি ২৬ তলা আধুনিক বহুতল ভবন। ২ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪৯১ বর্গফুট পর্যন্ত কমার্শিয়াল স্পেস এবং ৫ হাজার ৯৯২ বর্গফুটের পূর্ণ ফ্লোর—সব ধরনের ব্যবসার জন্যই উপযোগী। ভবনে থাকছে চারটি যাত্রীবাহী লিফট, দুই জোড়া সিঁড়ি এবং ১০০ ফুট প্রশস্ত প্রধান সড়কের মুখ।