লালমনিরহাট সদর উপজেলায় দুই গ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা সতী নদীর ওপর জেলা যুবদলের উদ্যোগে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের মধুরাম গ্রামে সাঁকোটির উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপমন্ত্রী আসাদুল হাবিব।

বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানান, ১৮০ ফুট দীর্ঘ ও ৬ ফুট প্রশস্তের সাঁকোটি নির্মাণে সময় লেগেছে ৮৫ দিন। এতে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মধুরাম ও ছিড়া মধুরাম গ্রামের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী এই সেতু ব্যবহার করে এ দুই গ্রাম ছাড়াও রতিপুর, মোস্তফি, ভূতনাথ, চিনাতুলি, খলাইঘাটসহ আরও কয়েকটি গ্রামের প্রায় মানুষ নদী পারাপারের সুবিধা পাবেন। আগে তাঁদের পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে হতো।

মধুরাম গ্রামের বাসিন্দা একরামুল হক জানান, জীবিত অবস্থায় সতী নদীর ওপর একটি পাকা সেতু দেখে যেতে পারবেন কি না, জানেন না। তবে সাময়িকভাবে সাঁকোটি নির্মাণের ফলে অঞ্চলটির মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে কমল।

লালমনিরহাট জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সদস্যসচিব হাসান আলী বলেন, জেলা যুবদলের আহ্বায়কের সার্বিক তত্ত্বাবধানে যুবদলের সদস্যরা প্রত্যক্ষভাবে এই দৃষ্টিনন্দন সাঁকোর নির্মাণকাজে অংশ নেন। সাঁকোটি নির্মাণে বাঁশ, কাঠ, প্লাস্টিকের ড্রাম ও নাইলনের রশি ব্যবহার করা হয়েছে।

নতুন সাঁকোটি দিয়ে বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেল নিয়েও চলাচল করা যাবে বলে জানান জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া ১০০টি বাঁশসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দলীয় নেতা-কর্মীদের অনুদানের টাকায় সংগ্রহ করা হয়।

সাঁকোর উদ্বোধনের পর আসাদুল হাবিব বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলটির মানুষ শুধু উন্নয়নের গল্প শুনে এসেছে এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে অপেক্ষার প্রহর গুনেছে। শেষ পর্যন্ত কিছু হয়নি। আমরা (বিএনপি) ১৭ বছর সরকারে ছিলাম না। জনগণের সমর্থনে ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে সতী নদীর ওপর পাকা অবকাঠামো বা সেতু নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। এর আগে যুবদলের উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করা হলো।’

সাঁকোটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি লায়লা হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, রাজপুর ইউনিয়ন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল হক, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: য বদল র ব এনপ

এছাড়াও পড়ুন:

বিয়ে করলেন প্রিয়াঙ্কা

ভারতীয় বাংলা টিভি সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা হালদার। অভিনেতা সৌরভ রায়ের সঙ্গে দীর্ঘ দিন প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন তিনি। অবশেষে প্রিয় মানুষের গলায় মালা পরালেন ‘কৃষ্ণকলি’, ‘রাণী রাসমণি’খ্যাত অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা হালদার।  

বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নতুন জীবনে পা রাখার খবর জানান প্রিয়াঙ্কা। এ ছবিতে দেখা যায়, টুকটুকে লাল বেনারসিতে সেজেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তার গলায় গোলাপের মালা। গা ভর্তি গহনা। প্রিয়াঙ্কার মাথায় মুকুট-মাথাপট্টি। অবশ্য, সৌরভ টোপর নয় পাগড়ি পরে বিয়ে সারেন। 

আরো পড়ুন:

‘হঠ‍াৎ দেখি আমজাদ হোসেন স‍্যার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কাঁদছেন’

অ্যাওয়ার্ড শোয়ে যাওয়ার আগে আমার জ্বর আসে: সাফা কবির

এ ছবির ক্যাপশনে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, “সবসময়ই সংসার করতে চেয়েছিলাম। আর তোমাকে আমি জীবনে জগন্নাথজির আশীর্বাদ হিসেবে পেয়েছি…। নতুন অধ্যায় সূচনার মাধ্যমে আমাদের প্রিয় গল্প খুঁজে পেয়েছি।” 

হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সৌরভ নিজেও অভিনয় পেশার সঙ্গে যুক্ত। প্রিয়াঙ্কা-সৌরভ দুজনেই রাধা-মাধব ভক্ত। তাই মায়াপুর ইস্কনে নিজেদের নতুন জীবনের সূচনা করলেন দুজনে। সেখানেই চারহাত এক করেন এই নবদম্পতি। 

শহর থেকে দূরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও প্রিয়াঙ্কা-সৌরভের বৌভাতের আসর ছিল জমজমাট। হাজির ছিল ইন্ডাস্ট্রির বন্ধু-সহকর্মীরা। এ তালিকায় ছিল—অনুরাগের ছোঁয়ার পরিবার, কৃষ্ণকলির গোটা টিম। এদিন নবদম্পতিকে পাওয়া যায় অফ হোয়াইট পোশাকে। লেহেঙ্গায় সাজেন কনে, শেরওয়ানিতে ধরা দেন সৌরভ। 

পাঁচ বছর আগে প্রথম পরিচয় প্রিয়াঙ্কা হালদার ও সৌরভের। সেই আলাপ একসময় প্রেমে রূপ নেয়। বৈদিক নিয়ম অনুসারে বৈবাহিক রীতিনীতি পালনের মধ্য দিয়ে প্রেম পরিণয় পেল।

ঢাকা/শান্ত

সম্পর্কিত নিবন্ধ