অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের বিয়ের আয়োজন দেখুন ছবিতে
Published: 30th, November 2025 GMT
ছবি: এএফপি
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
‘হঠাৎ দেখি আমজাদ হোসেন স্যার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কাঁদছেন’
ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ। ক্যামেরার পেছনেও কাজ করেছেন। তবে সবকিছু থেকেই এখন অনেকটা দূরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। আপাতত স্বামী-সন্তান নিয়েই তার অধিক সময় কাটছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ সরব প্রসূন।
দশ বছর আগের শুটিং সেটের একটি ঘটনা ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন প্রসূন আজাদ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন প্রয়াত গুণী পরিচালক আমজাদ হোসেন।
আরো পড়ুন:
অ্যাওয়ার্ড শোয়ে যাওয়ার আগে আমার জ্বর আসে: সাফা কবির
বাবা হলেন নিলয় আলমগীর
স্মৃতিচারণ করে প্রসূন আজাদ বলেন, “ডিরেক্টর সোহেল আরমান সাহেবের নাটকের শুটিং চলছিল। খুবই খুঁতখুঁতে ডিরেক্টর, যা চায় তা না করতে পারলে ক্যামেরা চালু থাকবে। শট শেষ। কঠিন দৃশ্য। এক টেকেই আমাকে সংলাপ বলতে হবে, কাঁদতে হবে, নির্ধারিত জোন ত্যাগ করে চলেও যেতে হবে। সবই করলাম। লাইট পরির্বতন করতে কিছু সময় প্রয়োজন হয়।”
পরের ঘটনা বর্ণনা করে প্রসূন আজাদ বলেন, “আমি অন্য কোনো ঘরে গিয়ে বসার জায়গা খুঁজছি। হঠাৎ দেখি আমজাদ হোসেন স্যার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কাঁদছেন। দূর থেকে যা অনুমান করলাম, কিছুক্ষণ আগের যে দৃশ্যটায় আমি অভিনয় করেছি, সেটা দেখে সে কাঁদছে। অথচ আমি, যে কিনা নিজেই সে দৃশ্যে অভিনয় করেছি, আবার ন্যানো সেকেন্ড টাইমের মধ্যে সেটা ভুলে নিজের মতো করে অন্য স্থান পরিবর্তন করেছি। কিন্তু তিনি নড়তে পারেন নাই। তিনি সেই দৃশ্যেই আছেন।”
আমজাদ হোসেনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে প্রসূন আজাদ বলেন, “শিল্পী খুবই মহৎ একটি শব্দ। যেটা আমার সাথে যায় না। অন্তত তাকে দেখে আমার নিজের প্রতি এটাই ধারনা জন্ম নিয়েছে। আমজাদ স্যার আমাকে যখন জিজ্ঞেস করেছিল, ‘এত কম বয়সে তুই কিছুই শিখিস নাই, কি করে পারিস এত সুন্দর অভিনয় করতে!’ কথাটা শুনে আমার বুক কেঁপে উঠেছিল। উত্তরে বলেছিলাম, ‘আমি যখন হাপ্পেন পইরা দাদা বাড়ির উঠানে ধুলা-বালিতে খেলতাম, তখন আপনার সিনেমা দেখছিলাম, ভাত দে। তাই পারি...।”
প্রসূন মনে করেন সব প্রজন্ম সবকিছু ধারণ করবে না। তার ভাষায়, “সব প্রজন্ম সব ধারন করবে না। সব আবেগ সবাই বহন করতে পারবে না। মেনে নিয়েই জীবনটা, যাপন করতে হবে। আশা-প্রত্যাশা এসবকিছুর জন্য একটা দেশের বোদ্ধারা স্তম্ভের মতো কাজ করে।”
২০১২ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আগে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘অবগুণ্ঠন’ নাটকে অভিনয় করেন প্রসূন। পরবর্তীতে এ পরিচালকের সঙ্গে ক্যামেরার পেছনে কাজ করেন। ‘মনপুরা’ চলচ্চিত্রে তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।
যদিও মডেলিং ও অভিনয়ে বেশি সময় দিয়েছেন প্রসূন। শফিকুল ইসলাম খানের ‘অচেনা হৃদয়’ প্রসূনের অভিষেক চলচ্চিত্র। পরবর্তীতে তিনি অভিনয় করেন ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ ও ‘মুসাফির’, ‘পদ্মপুরাণ’ চলচ্চিত্রে।
ঢাকা/শান্ত