এবার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা, বার্ষিক পরীক্ষাও বন্ধ
Published: 30th, November 2025 GMT
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রবেশ পদ সহকারী শিক্ষক পদটি বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করাসহ চার দফা দাবিতে আগামীকাল সোমবার (১ ডিসেম্বর ২০২৫) থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা। কর্মবিরতির অংশ হিসেবে তাঁরা চলমান বার্ষিক পরীক্ষাও বন্ধ রাখবেন। ২৪ নভেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সমিতির একজন শিক্ষক নেতা আজ প্রথম আলোকে বলেছেন, সরকার যদি তাঁদের দাবি পূরণ করে তাহলে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো নেবেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করবেন। কিন্তু দাবি পূরণ না হলে কর্মবিরতি চলবে।
মাধ্যমিক শিক্ষকদের চারটি দাবি হলো—এক.
এ বিষয়ে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পেশাগত মর্যাদা ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত চার দফা দাবির বিষয়ে আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষকেরা দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু দাবিগুলো না মানায় আগামীকাল থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন।
উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: ব র ষ ক পর ক ষ শ ক ষকদ র সরক র
এছাড়াও পড়ুন:
সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিনসহ স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ১২১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, তাঁর স্ত্রী, তিন ভাইসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১২১টি ব্যাংক হিসাব, ৩টি এমএফএস ও ৩টি বিও হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ আজ রোববার এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বলছে, ১২১টি ব্যাংক হিসাবে ৪৮ কোটি ৪৭ লাখ ৮৫ হাজার ৬২৯ টাকা আছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, দুদকের পক্ষে মো. ফেরদৌস রহমান অবরুদ্ধের আবেদন করেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। এরপর আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
আবেদনে বলা হয়, শেখ সালাহউদ্দিনসহ তাঁর পরিবারের অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন করার অভিযোগ আছে। সে জন্য দুদক অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে। অনুসন্ধানে শেখ সালাহউদ্দিনসহ তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ১২১টি ব্যাংক হিসাব, ৩টি এমএফএস ও ৩টি বিও হিসাব পাওয়া যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁদের হিসাবের অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে হিসাবগুলো হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে। সে জন্য হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।