ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার মধ্য ইসলামনগর এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে বিস্কুট দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষণের মামলায় মো. নাজিম মিয়া নামের এক যুবককে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সী মো.

মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম বলেন, আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বরে মধ্য ইসলামনগর এলাকায় আসামি নাজিম মিয়া তাঁর ভাড়া বাসায় বিস্কুট দেওয়ায় কথা বলে সাত বছরের ওই কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় ভুক্তভোগীর মা বাসায় ছিলেন না। পরে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এলে নাজিম মিয়া পালিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর বাবা কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোফাজ্জল হোসেন নাজিম মিয়ার বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। এ মামলায় আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

বিস্কুট দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার মধ্য ইসলামনগর এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে বিস্কুট দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষণের মামলায় মো. নাজিম মিয়া নামের এক যুবককে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম বলেন, আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বরে মধ্য ইসলামনগর এলাকায় আসামি নাজিম মিয়া তাঁর ভাড়া বাসায় বিস্কুট দেওয়ায় কথা বলে সাত বছরের ওই কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় ভুক্তভোগীর মা বাসায় ছিলেন না। পরে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এলে নাজিম মিয়া পালিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর বাবা কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোফাজ্জল হোসেন নাজিম মিয়ার বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। এ মামলায় আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ