জোটে গেলেও নিজ দলের প্রতীকে ভোট করার বিধান চ্যালেঞ্জের রিটের শুনানি কাল
Published: 30th, November 2025 GMT
নির্বাচনে নিবন্ধিত একাধিক দল জোটভুক্ত হলেও ভোট করতে হবে নিজ নিজ দলের প্রতীকে—গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধিত এমন বিধানের বৈধতা নিয়ে করা রিট শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
রিটের বিষয়টি আজ রোববার সকালে উত্থাপন করা হলে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির এ দিন রাখেন।
নতুন ওই বিধান যুক্ত করে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশ ৩ নভেম্বর জারি করেছিল সরকার। আগে কোনো রাজনৈতিক দল জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে জোটের শরিক যেকোনো দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেত।
ওই বিধান–সংবলিত অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মহাসচিব মোমিনুল আমিন গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন। রিটটি আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ৭০৫ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।
আজ আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে সকালে রিটের বিষয়টি উত্থাপন করেন আবেদনকারীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাহেদুল আজম।
আরও পড়ুনবিএনপি ও জামায়াতের কাছে কেন আরপিওর ২১ ধারা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল০৩ নভেম্বর ২০২৫পরে আইনজীবী সাহেদুল আজম প্রথম আলোকে বলেন, রিটের বিষয়টি উত্থাপন করা হলে আদালত আগামীকাল সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেন।
রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদ সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের (২৮, ৩৮ ও ৩৯ অনুচ্ছেদ) সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদের কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে জোটের শরিককে যেকোনো দলের প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। আইনসচিব, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
আরও পড়ুনজোটে গেলেও নিজ দলের প্রতীকে ভোট করার বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট২৭ নভেম্বর ২০২৫.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: অন চ ছ দ
এছাড়াও পড়ুন:
সভাপতি জামায়াতের, সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ পদে বিএনপি জয়ী
জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত ইসলামী–সমর্থিত বাংলাদেশ ল ইয়ার্স কাউন্সিল প্যানেলের আবদুল মোমিন ফকির। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-সমর্থিত প্যানেল।
গতকাল শনিবার সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত জেলা আইনজীবী ভবনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমান ভোটের ফলাফলের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১টি পদের বিপরীতে ১৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গ্রন্থাগার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, নিরীক্ষা সম্পাদক এবং তিনটি সদস্য পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়টি পদের জন্য ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত–সমর্থিত প্যানেল থেকে কেবল সভাপতি পদে আবদুল মোমিন ফকির নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি-সমর্থিত প্যানেল সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদেই জয় পেয়েছে। খায়রুল আহসান সাখিদার সহসভাপতি ও শহিদুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।