রাশিয়ার কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত
Published: 30th, November 2025 GMT
রাশিয়ার কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফরের সময় ভারত এসব সমরাস্ত্র কেনার বিষয়ে আলোচনা শুরুর পরিকল্পনা করছে।
রবিবার ব্লুমবার্গ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
আরো পড়ুন:
ভারতের অনুমতির অপেক্ষায় বুড়িমারীতে আটকা ভুটানের পণ্য
প্রেমের গল্প নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে ধানুশ-কৃতি: বক্স অফিসের হালচাল কী?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে একটি বিশেষ এবং সুবিধাজনক কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে। এর অধীনে সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৫০০ এর একটি উন্নত সংস্করণ কেনার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে লেনদেন কমাতে চাইছে। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জেরে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। শুল্ক নিয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তাই রাশিয়ার সাথে একটি সম্ভাব্য চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যেকোনো বাণিজ্য চুক্তিকে জটিল করে তুলতে পারে।
ঢাকা/শাহেদ
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
এনসিপি থেকে এক নেতার পদত্যাগ, আরেকজনকে অব্যাহতি
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলের দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মুহাম্মদ রাকিব। তাঁর অভিযোগ আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করা বাউলের ‘পক্ষে’ দলের অবস্থান দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। পাশাপাশি এনসিপির বিরুদ্ধে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও মন্ত্রিপাড়াকেন্দ্রিক রাজনীতি, আর্থিক কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগও করেছেন এই নেতা।
রাকিব জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন। আজ রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
মুহাম্মদ রাকিব লিখেছেন, ‘এনসিপি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক রাজনীতি না করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও মন্ত্রিপাড়াকেন্দ্রিক রাজনীতি করতেছে। এনসিপির অনেক নেতা আর্থিক কেলেঙ্কারিসহ নানা অপকর্মে জড়াচ্ছেন, যা গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সম্প্রতি আমাদের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করা বাউলের পক্ষে এনসিপির কট্টর ইসলামবিদ্বেষীরা অবস্থান নিয়েছে, যা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আরও আঘাত করেছে। এনসিপি বিভিন্ন কাজে পশ্চিমাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে, যা আমাদের দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করছে।’
এর আগে বাউলশিল্পী আবুল সরকারের নিঃশর্ত মুক্তি এবং মানিকগঞ্জে বাউলশিল্পীদের ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে গত শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে বামপন্থী ব্যক্তি ও সংগঠনের ‘গানের আর্তনাদ’ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় গতকাল শনিবার দলের দক্ষিণাঞ্চলের আরেক সংগঠক আরিফুল ইসলামকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে এনসিপি। অবশ্য এরপর তিনি ফেসবুকে এনসিপি থেকে পদত্যাগের একটি চিঠি পোস্ট করেছেন। চিঠিতে শুক্রবারের তারিখ লেখা আছে, যেদিন শাহবাগের ঘটনাটি ঘটে।
আরিফুল এনসিপির বিরুদ্ধে জুলাইয়ের সম্পূর্ণ অবদান নিজেদের কাছে কুক্ষিগত করা, জাতীয় ঐক্য বিনষ্টে ভূমিকা রাখাসহ নানা অভিযোগ তুলে অসন্তোষ জানান। দলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব বরাবর লেখা চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘আপনার দলটি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়ে বিস্ময়কর রকম উদাসীন। বর্তমান সময়ে দলটি নিয়ন্ত্রণ করছে এমন এক বলয়, যারা এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অনুভবকে ধারণ করে না, বরং বিদ্বেষ লালন করে।...অতএব, দুঃখভরা হৃদয় ও একবুক হতাশা নিয়ে আপনার দল থেকে পদত্যাগ করলাম।’