স্বপ্নপূরণে ধানমন্ডিতে নির্মিত বাণিজ্যিক স্থাপনা
Published: 30th, November 2025 GMT
নগরজীবনের ধারাবাহিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঢাকায় বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠছে আরও আধুনিক ও সুপরিকল্পিত রূপে। শীর্ষস্থানীয় আবাসন কোম্পানি দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থাপনা তৈরি করে ধারাবাহিকভাবে দেশের নির্মাণ খাতে ব্যবসা করে আসছে। সম্প্রতি নির্মাণ করা ‘এসইএল সুফি স্কয়ার’ আধুনিক দৃষ্টান্তে রাজধানীর ধানমন্ডির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ভবন। ব্যবসায়িক কর্মযজ্ঞকে এক নতুন মাত্রা দিতে প্রকল্পটি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত—এই প্রকল্প এখন বিনিয়োগের জন্য উপযোগী।
কৌশলগত অবস্থান, নিরবচ্ছিন্ন সংযোগধানমন্ডি আবাসিক এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনা করে নির্মিত হয়েছে এই আইকনিক ভবন। ধানমন্ডি ২৭ (পুরোনো) বা নতুন ১৬ নম্বর সড়কে প্লট-৫৮–তে স্থাপিত এই প্রকল্প একই সঙ্গে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা, আধুনিক নকশা এবং মানসম্পন্ন নির্মাণশৈলীর কারণে ইতিমধ্যে ব্যবসায়িক মহলে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ঢাকা শহরের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকা চিকিৎসাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খাদ্যশপ ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধ পরিবেশে ঘেরা হওয়ায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিশেষ অনুকূলে রয়েছে। এই ভবন প্রধান সড়কগুলোর কাছাকাছি হওয়ায় এটি নিশ্চিত করেছে নিরবচ্ছিন্ন ব্যবসায়িক সংযোগ। পুরো ভবন বাণিজ্যিক ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করেছে এসইএল।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও স্থাপত্যের গাঁথুনিএসইএল সুফি স্কয়ারের নকশা তৈরি করা হয়েছে আধুনিক স্থাপত্যশৈলী এবং ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক চাহিদা মাথায় রেখে। ১৪ তলাবিশিষ্ট এই সুউচ্চ ভবনে পর্যাপ্ত কার পার্কিংয়ের জন্য রয়েছে তিনটি বেজমেন্ট। বাণিজ্যিক স্থাপনা হিসেবে এটি নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং আরামদায়ক কর্মপরিবেশ। ভবনে গ্রাউন্ড ফ্লোর ছাড়াও ১৩টি সাধারণ ফ্লোর রয়েছে। ভবনটিতে এখন বিভিন্ন আকারের বাণিজ্যিক স্পেস বিক্রি হচ্ছে। অফিসের প্রয়োজনীয় চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় রেখে ১৩৩৫ বর্গফুট থেকে ৩৪৪১ বর্গফুট পর্যন্ত রয়েছে। প্রতি বর্গফুটের দাম ২৪,৮০০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। বিভিন্ন আকারের স্পেস থাকার কারণে ছোট থেকে বড়—যেকোনো ধরনের করপোরেট অফিস, ব্যাংক ও আধুনিক শোরুমের জন্য ব্যবহার করা যাবে। প্রতিটি তলায় রয়েছে প্রশস্ত করিডর, পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো-বাতাস, মানসম্পন্ন লিফট, সিসিটিভি সুরক্ষা, ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা ও আধুনিক বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ব্যবসায়িক গ্রাহক, দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যবহারবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় নিয়ে পুরো ভবন ডিজাইন করা হয়েছে।
এই ভবনের কাঠামো পরিকল্পিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে। শক্তিশালী ফাউন্ডেশন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার পাশাপাশি আছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা, যা বাণিজ্যিক ভবনের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি। ভেতরের ফ্লোর প্ল্যান এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় করপোরেট অফিস—সব ধরনের প্রতিষ্ঠানই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা নির্বাচন করতে পারে।
বিনিয়োগের সেরা সময়: হস্তান্তরে প্রস্তুত প্রকল্পপ্রকল্পটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো—এটি হস্তান্তরের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ফলে ক্রেতা বা ভাড়াটেদের দীর্ঘ নির্মাণকালের অপেক্ষায় থাকতে হবে না কিংবা অনিশ্চয়তার জন্য। তাঁরা চাইলে অবিলম্বে নিজেদের অফিস বা বাণিজ্যিক পরিসর সাজিয়ে কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন। প্রস্তুত হস্তান্তরযোগ্য হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের জন্যও এটি একটি নিরাপদ ও সময়োপযোগী সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।
ধানমন্ডি এলাকার দ্রুত পরিবর্তনশীল ব্যবসায়িক চাহিদা ও উচ্চ মানের বাণিজ্যিক স্থাপনার ঘাটতির কথা মাথায় রেখে এসইএল সুফি স্কয়ার নিঃসন্দেহে একটি আধুনিক, নিরাপদ এবং ভবিষ্যৎ–মুখী প্রকল্প। রাজধানীর বাণিজ্যিক অবকাঠামোয় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে এই স্থাপনা।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: প রস ত ত ধ নমন ড প রকল প র জন য ব যবস
এছাড়াও পড়ুন:
স্বপ্নপূরণে ধানমন্ডিতে নির্মিত বাণিজ্যিক স্থাপনা
নগরজীবনের ধারাবাহিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঢাকায় বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠছে আরও আধুনিক ও সুপরিকল্পিত রূপে। শীর্ষস্থানীয় আবাসন কোম্পানি দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থাপনা তৈরি করে ধারাবাহিকভাবে দেশের নির্মাণ খাতে ব্যবসা করে আসছে। সম্প্রতি নির্মাণ করা ‘এসইএল সুফি স্কয়ার’ আধুনিক দৃষ্টান্তে রাজধানীর ধানমন্ডির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ভবন। ব্যবসায়িক কর্মযজ্ঞকে এক নতুন মাত্রা দিতে প্রকল্পটি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত—এই প্রকল্প এখন বিনিয়োগের জন্য উপযোগী।
কৌশলগত অবস্থান, নিরবচ্ছিন্ন সংযোগধানমন্ডি আবাসিক এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনা করে নির্মিত হয়েছে এই আইকনিক ভবন। ধানমন্ডি ২৭ (পুরোনো) বা নতুন ১৬ নম্বর সড়কে প্লট-৫৮–তে স্থাপিত এই প্রকল্প একই সঙ্গে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা, আধুনিক নকশা এবং মানসম্পন্ন নির্মাণশৈলীর কারণে ইতিমধ্যে ব্যবসায়িক মহলে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ঢাকা শহরের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকা চিকিৎসাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খাদ্যশপ ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধ পরিবেশে ঘেরা হওয়ায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিশেষ অনুকূলে রয়েছে। এই ভবন প্রধান সড়কগুলোর কাছাকাছি হওয়ায় এটি নিশ্চিত করেছে নিরবচ্ছিন্ন ব্যবসায়িক সংযোগ। পুরো ভবন বাণিজ্যিক ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করেছে এসইএল।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও স্থাপত্যের গাঁথুনিএসইএল সুফি স্কয়ারের নকশা তৈরি করা হয়েছে আধুনিক স্থাপত্যশৈলী এবং ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক চাহিদা মাথায় রেখে। ১৪ তলাবিশিষ্ট এই সুউচ্চ ভবনে পর্যাপ্ত কার পার্কিংয়ের জন্য রয়েছে তিনটি বেজমেন্ট। বাণিজ্যিক স্থাপনা হিসেবে এটি নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং আরামদায়ক কর্মপরিবেশ। ভবনে গ্রাউন্ড ফ্লোর ছাড়াও ১৩টি সাধারণ ফ্লোর রয়েছে। ভবনটিতে এখন বিভিন্ন আকারের বাণিজ্যিক স্পেস বিক্রি হচ্ছে। অফিসের প্রয়োজনীয় চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় রেখে ১৩৩৫ বর্গফুট থেকে ৩৪৪১ বর্গফুট পর্যন্ত রয়েছে। প্রতি বর্গফুটের দাম ২৪,৮০০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। বিভিন্ন আকারের স্পেস থাকার কারণে ছোট থেকে বড়—যেকোনো ধরনের করপোরেট অফিস, ব্যাংক ও আধুনিক শোরুমের জন্য ব্যবহার করা যাবে। প্রতিটি তলায় রয়েছে প্রশস্ত করিডর, পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো-বাতাস, মানসম্পন্ন লিফট, সিসিটিভি সুরক্ষা, ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা ও আধুনিক বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ব্যবসায়িক গ্রাহক, দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যবহারবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় নিয়ে পুরো ভবন ডিজাইন করা হয়েছে।
এই ভবনের কাঠামো পরিকল্পিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে। শক্তিশালী ফাউন্ডেশন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার পাশাপাশি আছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা, যা বাণিজ্যিক ভবনের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি। ভেতরের ফ্লোর প্ল্যান এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় করপোরেট অফিস—সব ধরনের প্রতিষ্ঠানই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা নির্বাচন করতে পারে।
বিনিয়োগের সেরা সময়: হস্তান্তরে প্রস্তুত প্রকল্পপ্রকল্পটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো—এটি হস্তান্তরের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ফলে ক্রেতা বা ভাড়াটেদের দীর্ঘ নির্মাণকালের অপেক্ষায় থাকতে হবে না কিংবা অনিশ্চয়তার জন্য। তাঁরা চাইলে অবিলম্বে নিজেদের অফিস বা বাণিজ্যিক পরিসর সাজিয়ে কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন। প্রস্তুত হস্তান্তরযোগ্য হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের জন্যও এটি একটি নিরাপদ ও সময়োপযোগী সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।
ধানমন্ডি এলাকার দ্রুত পরিবর্তনশীল ব্যবসায়িক চাহিদা ও উচ্চ মানের বাণিজ্যিক স্থাপনার ঘাটতির কথা মাথায় রেখে এসইএল সুফি স্কয়ার নিঃসন্দেহে একটি আধুনিক, নিরাপদ এবং ভবিষ্যৎ–মুখী প্রকল্প। রাজধানীর বাণিজ্যিক অবকাঠামোয় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে এই স্থাপনা।