ডিআরইউর সভাপতি পদে সালেহ আকন, সা. সম্পাদক পদে সোহেল পুনর্নির্বাচিত
Published: 30th, November 2025 GMT
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে আবু সালেহ আকন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মাইনুল হাসান সোহেল পুননির্বাচিত হয়েছেন।
আজ রোববার সকাল ৯টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। পরে সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
সভাপতি পদে নির্বাচিত দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান প্রতিবেদক আবু সালেহ আকন পেয়েছেন ৫০৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুরসালিন নোমানী পেয়েছেন ৪৩২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক ইনকিলাবের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নির্বাচিত মাইনুল হাসান সোহেল পেয়েছেন ৭৫২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঈনুল আহসান পেয়েছেন ৪৮৯ ভোট।
নির্বাচিত অন্যরা হলেন সহসভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, নারীবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ সোহেল ও ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে আমিনুল হক ভূঁইয়া।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন যুগ্ম সম্পাদক মো.
এ ছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে নির্বাচিত ব্যক্তিরা হলেন মো. আকতার হোসেন, আলী আজম, মাহফুজ সাদি, আল-আমিন আজাদ, মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন ও সুমন চৌধুরী।
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ডিআরইউর
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন এ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, “এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ যেসব সাবেক মন্ত্রীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তারা ‘ফ্যাসিস্ট’ হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে মামলা চলমান। একই মামলায় ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা অনভিপ্রেত, অযৌক্তিক ও উদ্বেগজনক।”
তিনি বলেন, “মাইনুল হাসান সোহেল পেশাদার সাংবাদিক, দায়িত্বশীল সংগঠক এবং স্বচ্ছ পরিচয়ের অধিকারী। প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেনও দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে ডিআরইউতে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদেরকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে দেখানোর কোনো প্রমাণ নেই, এমন অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা পাওয়ারও সুযোগ নেই।”
ডিআরইউ সভাপতি অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মহল এই দুজনকে মামলায় জড়িয়েছে, যা পরিষ্কারভাবে হয়রানির শামিল।
তিনি অবিলম্বে মামলাটি থেকে ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেনের নাম বাদ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ডিআরইউর সম্পত্তি সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে অনেকদিন ধরেই জাকির গং ডিআরইউ নেতৃবৃন্দকে মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো জাকির গংয়ের ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই মনে করে ডিআরইউ ইসি কমিটি।
গত ১৫-১০-২০২৫ তারিখে রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আমলী–রামপুরা), ঢাকায় জনৈক মো. সালাউদ্দিন মামলা (সিআর মামলা নং—৪৭৮) দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ ১৭৬ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের তালিকায় ১৭৪ নম্বরে ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলকে এবং ১৭৩ নম্বরে ডিআরইউর প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেনকে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা/নঈমুদ্দীন/রফিক