চট্টগ্রামে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ‘ট্রেড প্রসেসিং ইউনিট’ উদ্বোধন
Published: 20th, May 2025 GMT
চট্টগ্রামের জেলা পরিষদ ভবনে ‘ট্রেড প্রসেসিং ইউনিট’ উদ্বোধন করেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
সম্প্রতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. রাফাত উল্লা খান প্রধান অতিথি হিসেবে ‘ট্রেড প্রসেসিং ইউনিট’ এর উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, মো.
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আক্তার কামাল, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিএফও (চলতি দায়িত্ব) কামাল হোসেন, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তরিকুল ইসলাম, শরাফাত উল্লাহ, মো. নাজিম উদ্দিন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমির হোসেনসহ ব্যাংকের অন্যান্য শীর্ষ নির্বাহীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. রাফাত উল্লা খান বলেন, “ট্রেড প্রসেসিং ইউনিট চালুর মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চলের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য এবং রেমিট্যান্স আহরণ আরো সহজ, দ্রুত ও দক্ষ সেবা প্রদান সম্ভব হবে।”
ঢাকা/ইভা
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ট র ড প রস স ইউন ট
এছাড়াও পড়ুন:
সর্বশেষ প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগের বিধানটি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ত্রুটি
প্রথম আলো:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা অন্তর্বর্তী সরকার তো অনির্বাচিত সরকার। বর্তমানে বেশ কিছু ইস্যুতে এ ধরনের সরকারের এখতিয়ার বা কাজের পরিধি এবং তাদের জবাবদিহি নিয়ে নানা রকম প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?
রিদওয়ানুল হক : নির্বাচিত হোক কিংবা অনির্বাচিত হোক—সব ধরনের সরকারেরই একটা জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অনির্বাচিত সরকার হলেও তাদেরকে রাজনৈতিক দল, সংবাদমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারকে এ বিষয়ে তেমন কোনো কথাবার্তা বলতে শোনা যায়নি বা জবাবদিহির কোনো মেকানিজম তৈরি করা হয়েছে জানা যায়নি। অ্যাকাউন্টেবিলিটির দিক থেকে যে প্রশ্নগুলো উঠছে, সরকার সেগুলো অতিক্রম করতে পারছে না এবং এই পরীক্ষায় সরকার বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।
বর্তমান পটভূমিকে বিবেচনায় নিয়ে একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা স্পষ্ট হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে প্রায় হুবহু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে বা অনুসরণে। সেই হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার হওয়ার কথা নির্দলীয় এবং সেই সরকারে থাকা কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের থাকা দু-একজন উপদেষ্টার আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বেশ জোরেশোরে আলোচনা হচ্ছে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতাকে দারুণভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে তাঁরা পদত্যাগ করবেন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। কিন্তু তাঁরা তো এখন সরকারে থেকে নানা রকম সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন এবং ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারছেন। এটা যেমন স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি করছে, তেমনি নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।
প্রথম আলো:অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। চারটি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে ভোটারদের মতামত জানাতে হবে। এ বিষয়টাকে কীভাবে দেখছেন?
রিদওয়ানুল হক : গণভোটের ক্ষেত্রে চারটি প্রশ্নের একটি উত্তর দেওয়া আসলে খুবই অস্বাভাবিক বিষয়। জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটাতে জনগণের আগ্রহ এমনিতেই কম থাকবে। তার ওপর যদি প্রশ্ন নিয়ে এ রকম বিভ্রান্তি থাকে, তাহলে গণভোট নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। এ জন্য গণভোটের প্রশ্নগুলোকে শেষ পর্যন্ত একটি প্রশ্নে নিয়ে আসতে হবে। গণভোটের প্রশ্ন যদি অস্পষ্ট থাকে এবং জনগণের কাছে বার্তাটা যদি ঠিকভাবে না পৌঁছায়, তাহলে যে উদ্দেশ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেটা ব্যর্থ হতে পারে।
প্রথম আলো:আপনাকে ধন্যবাদ।
রিদওয়ানুল হক: আপনাকেও ধন্যবাদ।