সভাপতি জামায়াতের, সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ পদে বিএনপি জয়ী
Published: 30th, November 2025 GMT
জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত ইসলামী–সমর্থিত বাংলাদেশ ল ইয়ার্স কাউন্সিল প্যানেলের আবদুল মোমিন ফকির। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-সমর্থিত প্যানেল।
গতকাল শনিবার সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত জেলা আইনজীবী ভবনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমান ভোটের ফলাফলের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১টি পদের বিপরীতে ১৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গ্রন্থাগার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, নিরীক্ষা সম্পাদক এবং তিনটি সদস্য পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়টি পদের জন্য ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত–সমর্থিত প্যানেল থেকে কেবল সভাপতি পদে আবদুল মোমিন ফকির নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি-সমর্থিত প্যানেল সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদেই জয় পেয়েছে। খায়রুল আহসান সাখিদার সহসভাপতি ও শহিদুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: সমর থ ত
এছাড়াও পড়ুন:
‘অনলাইন সহিংসতা প্রতিরোধে শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়তে হবে’
নারী ও কন্যা শিশুর বিরুদ্ধে অনলাইন সহিংসতা মোকাবিলায় কার্যকর আইন সংস্কার, প্রযুক্তিনির্ভর সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিস্তৃত ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে টেকসই করতে হলে নিরাপত্তা ও জবাবদিহির শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে হবে। অনলাইন অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক ও শক্তিশালী করা, সাইবার তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানো এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিকত্ব নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
ইউএনওপস বাংলাদেশ, এটুআই, আইসিটি বিভাগ, বিআইআইএসএস এবং বাংলাদেশস্থ মালদ্বীপ হাইকমিশনের যৌথ আয়োজনের এই কর্মসূচি ‘নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে চলমান ১৬ দিনের ক্যাম্পেইনের অংশ।
গোলটেবিল বৈঠকে সাইবারস্টকিং, অনলাইন হয়রানি, ডিপফেক, ছবি ও ভিডিও বিকৃতি এবং ইমেজবেইজড অ্যাবিউজসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সহিংসতার ঝুঁকি, ক্ষতি ও প্রতিকার কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন সরকারের নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, আইনজীবী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, বেসরকারি খাত, সিভিল সোসাইটি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএনওপস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধারণ বলেছেন, ডিজিটাল সহিংসতা শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়। এটি উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবাধিকার—এই তিন অঙ্গনেই চ্যালেঞ্জ। তাই, সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজকে যৌথভাবে কাজ করে এ সম্মিলিত প্রতিকার কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
এটুআইএর প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রফিক বলেছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জন্য সুযোগ ও উন্নতির এক বিরাট পরিসর তৈরি করেছে। তবে, এই পরিসর কখনোই ভয় বা সহিংসতার ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে না। নারীদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করে আমরা সমতাভিত্তিক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ কল্পনাও করতে পারি না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তাসনুভা শেলীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার এবং দপ্তর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/এএএম/রফিক