মাঝে আরিফিনি শুভ ও জান্নাতুল ঐশীকে নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এ নিয়ে তাঁরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুজনের কেউই প্রেমের সম্পর্কে নেই। এদিকে দুজনে নিজেদের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন। হঠাৎ আবার দুজনে খবরের শিরোনামে। এর মধ্যে জানা যায়, তাঁদের অভিনীত ‘নূর’ ছবিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। তবে প্রেক্ষাগৃহ নয়, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে এই ছবি। মুক্তির আগে দুজনে ফটোশুটে অংশ নেন। রোমান্টিক মুডে তোলা তাঁদের সেসব স্থিরচিত্র প্রকাশ্যে আসার পর আবার আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে দুজনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসার পর আবার শুভ আর ঐশীকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

আরও পড়ুন‘আরিফিন শুভ ফিটনেস অনুপ্রেরণা, শাকিব খান জীবনের’০৫ জুলাই ২০২৫ঐশী ও আরিফিন শুভ.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

গাজীপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্প ছাড়ছেন অধিবাসীরা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নে ৮ একর ৯ শতাংশ জমির ওপর ঢাকার বৃহত্তম আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করে সরকার। ১৪২টি ঘর তৈরি করা হয় এখানে। ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ উদ্বোধন করা এই প্রকল্পের ৬৭টি ঘর বর্তমানে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে থাকছেন না কেউ, ফলে জন্মেছে ঝোপঝাড়। সন্ধ্যার পর এসব ঘরের বারান্দায় মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। 

বাসিন্দাদের অভিযোগ, বরাদ্দ পাওয়া অনেকের আগে থেকে ঘর রয়েছে। এলাকায় কাজের সুযোগ না থাকা এবং শিশুদের পড়ালেখার জন্য সরকারি স্কুলের ব্যবস্থা না থাকায় বেশিরভাগ পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাসে আগ্রহী নন। অনেকে চলে গেছেন, অনেকে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

আরো পড়ুন:

ঈশ্বরদীতে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলায় আসামি জামায়াতের প্রার্থী

মসজিদে নামাজরত বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা

এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল ভূমিহীন পরিবারকে স্থায়ী আবাসন দেওয়া। উদ্বোধনের সময় অধিকাংশ ঘরে সুবিধাভোগীরা উঠলেও মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে তাদের অনেকে অন্যত্র চলে যান। মানুষ বসবাস না করায় ঘরের সামনে ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকল্পের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, অনেক ঘর বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। প্রকৃত ভূমিহীনরা বারবার আবেদন সত্ত্বেও ঘর পাননি। নগরহাওলা গ্রামের কাজল মিয়ার বরাদ্দ পাওয়া ৩৩ নম্বর ঘর এই অনিয়মের আলোচিত উদাহরণ। তার নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। 

কাজল মিয়া নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ‍কাগজপত্র যাছাই-বাছাই করে তাকে ঘর দেওয়া হয়েছে। 

১২৬ নম্বর ঘরের মালিক সোহাগ, ২৯ নম্বর ঘরের মালিক রিমা আক্তারসহ আরো কয়েকজন উদ্বোধনের পর থেকে প্রকল্পে বসবাস করছেন না। দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ রয়েছে ৩৩, ৩৫, ৩৭, ৩৮, ৮৭ ও ১১৮ নম্বর ঘর।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য তদারকি বাড়ানো, অনিয়ম তদন্ত ও ফাঁকা ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে পুনর্বণ্টন জরুরি। তা না হলে এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে।

নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি আব্দুল লতিফের স্ত্রী নাজমা আক্তার বলেন, “রাতে তালাবদ্ধ ঘরের বারান্দায় মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। তাদের উপস্থিতির কারণে পরিবেশ অশান্ত হয়। খালি ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে পুনর্বণ্টনের দাবি জানাচ্ছি।”

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, “প্রকল্প এলাকায় সরকারি বরাদ্দে স্কুল নির্মাণ করা হয়নি, এটি ব্যক্তি উদ্যোগে হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে অনিয়ম বা প্রভাব খাটিয়ে ঘর নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঢাকা/রফিক/মাসুদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ