হোয়াইট হাউসের চেয়ে ৭ গুণ বড় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়েছে উজবেকিস্তান, কী কী আছে এতে
Published: 30th, November 2025 GMT
উজবেকিস্তানের নতুন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি এতটাই বিশাল যে এটি হলিউড সাইন-এর চেয়ে চার গুণ উঁচু এবং হোয়াইট হাউসের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বড়।
উজবেকিস্তানের তাসখন্দে তিন তলাবিশিষ্ট আংশিক জাদুঘর ও আংশিক শিক্ষা গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা এ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটির নাম সেন্টার ফর ইসলামিক সিভিলাইজেশন (সিআইএসসি)। এটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৫ কোটি মার্কিন ডলার।
২০২৬ সালের মার্চ থেকে জনসাধারণের জন্য এ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি খুলে দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, এ সাংকৃতিক কেন্দ্রটি ইসলামি জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে উজবেকিস্তানের ঐতিহাসিক ভূমিকাকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসবে।
সিআইএসসি-এর পরিচালক ফিরদাভস আবদুখালিকভ বলেন, ‘এ অঞ্চলটি বিশ্বসভ্যতায় অবদান রাখা বহু পূর্বসূরির আবাসভূমি ছিল। তাঁদের সে অবদানের কথা কীভাবে বিশ্বের সামনে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় ও আধুনিক কায়দায় উপস্থাপন করা যাবে, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছিল।’
আরবদের আগমনের মাধ্যমে সপ্তম শতকে মধ্য এশিয়া অঞ্চলে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটে। এতে অঞ্চলটিতে আগে থেকে প্রচলন থাকা জরথুস্ত্র ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যের জায়গায় নতুন ধর্মীয় ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়। নবম থেকে ১২ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মধ্য এশিয়া—বিশেষ করে বর্তমান উজবেকিস্তান বিজ্ঞান, সাহিত্য ও স্থাপত্যকলায় এক উজ্জ্বল স্বর্ণযুগ পার করেছে।৮ বছর ধরে ভবনটির নির্মাণকাজ চলেছে। ৪০টির বেশি দেশের ১ হাজার ৫০০ বিশেষজ্ঞ সিআইএসসি-এ বৈজ্ঞানিক, স্থাপত্যগত ও সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে ছিলেন।
ভবনের শীর্ষে ৬৫ মিটার লম্বা একটি নীল রঙের গম্বুজ বসানো আছে।
সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াভিত্তিক শিক্ষাচর্চার’ একটি জোন থাকবে। সেখানে ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। প্রযুক্তির বদৌলতে দর্শনার্থীরা সেখানে ঐতিহাসিক পণ্ডিত ও চিন্তাবিদদের কথিত ‘জীবন্ত প্রতিকৃতির’ সঙ্গে কথোপকথনের অভিজ্ঞতাও পাবেন। এই প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজনের লক্ষ্য হলো—শিশুদের জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শিল্পকলার জগতের প্রতি আগ্রহী করে তোলা।
সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটির দ্বিতীয় তলা গবেষণার জন্য নির্ধারিত। সেখানে আন্তর্জাতিক গবেষকেরা আধুনিক গ্রন্থাগার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সেখানে থাকছে ২ লাখের বেশি বই।
আবদুখালিকভ বলেন, ‘এটি শুধু জাদুঘর নয়। এটি একটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। এখানে নিদর্শনের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের জীবন ও ভাবনাকে তুলে ধরা হয়েছে।
‘এ অঞ্চলটি বিশ্বসভ্যতায় অবদান রাখা বহু পূর্বসূরির আবাসভূমি ছিল। তাঁদের সে অবদানের কথা কীভাবে বিশ্বের সামনে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় ও আধুনিক কায়দায় উপস্থাপন করা যাবে—সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছিল।’ফিরদাভস আবদুখালিকভ, সিআইএসসি-এর পরিচালকউজবেকিস্তান ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হলেও ইসলাম ধর্ম সেখানকার ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে।
আরবদের আগমনের মাধ্যমে সপ্তম শতকে মধ্য এশিয়া অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটে। এতে অঞ্চলটিতে আগে থেকে প্রচলন থাকা জরথুস্ত্র ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যের জায়গায় নতুন ধর্মীয় ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়। নবম থেকে ১২ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মধ্য এশিয়া—বিশেষ করে বর্তমান উজবেকিস্তান বিজ্ঞান, সাহিত্য ও স্থাপত্যকলায় এক উজ্জ্বল স্বর্ণযুগ পার করেছে।
ইতিহাসবিদ ফারহান আহমদ নিজামি বলেন, ‘বিশ্বায়ন’ ধারণাটি প্রচলিত হওয়ার বহু আগেই উজবেকিস্তান ও বিস্তৃত মধ্য এশিয়া অঞ্চলটি বিশ্বায়নের নমুনা হয়ে উঠেছিল।
আন্তমহাদেশীয় বাণিজ্যপথ সিল্ক রোড ব্যবহার করে উজবেকিস্তানের বুখারা ও সমরখন্দের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে যাওয়া যেত। ভেনিস থেকে জিয়ান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল সিল্ক রোড। এটি ১ হাজার ৫০০ বছর ধরে (খ্রিষ্টপূর্ব ১৩০ থেকে খ্রিষ্টাব্দ ১৪৫৩ পর্যন্ত) গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই দীর্ঘ পথে পূর্ব ও পশ্চিমের সংস্কৃতি, জ্ঞান ও শিল্পের মেলবন্ধন হতো। আর উজবেকিস্তান ছিল তার কেন্দ্রস্থল।
আরও পড়ুনযুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের পরিবর্তে উচ্চশিক্ষায় ভারতীয়রা কেন ঝুঁকছেন বাংলাদেশ–সিঙ্গাপুর–উজবেকিস্তান–রাশিয়ার দিকে০২ আগস্ট ২০২৫পরে ১৫ ও ১৬ শতকে তিমুরিদ সাম্রাজ্য শিল্প, বিজ্ঞান ও কূটনীতির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রেনেসাঁ যুগের সাক্ষী হয়, যার কেন্দ্র ছিল সমরখন্দ। আর সে যুগের অনুপ্রেরণাতেই সিআইএসসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে।
১৯ শতকে রাশিয়ার বিস্তারের কারণে মধ্য এশিয়ার অনেক অঞ্চল রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। পরে তা সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে আসে। ওই সময় সেখানে ধর্মনিরপেক্ষ শাসন চালু হয় এবং ইসলামি চর্চা সীমিত করা হয়।
আবদুখালিকভ বলেন, ‘সোভিয়েত যুগে আমাদের সাংস্কৃতিক সম্পদের একটি বড় অংশ দেশ থেকে চলে গিয়েছিল।’
১৯৯১ সালে উজবেকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে। তখন থেকে দেশটির ইসলামি ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় পুনরুজ্জীবিত হতে শুরু করে। এ লক্ষ্যেই সিআইএসসিকে তার ঐতিহাসিক জিনিসপত্র পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: উজব ক স ত ন র ব শ ষ কর অবদ ন র ইসল ম ব যবহ
এছাড়াও পড়ুন:
হোয়াইট হাউসের চেয়ে ৭ গুণ বড় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়েছে উজবেকিস্তান, কী কী আছে এতে
উজবেকিস্তানের নতুন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি এতটাই বিশাল যে এটি হলিউড সাইন-এর চেয়ে চার গুণ উঁচু এবং হোয়াইট হাউসের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বড়।
উজবেকিস্তানের তাসখন্দে তিন তলাবিশিষ্ট আংশিক জাদুঘর ও আংশিক শিক্ষা গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা এ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটির নাম সেন্টার ফর ইসলামিক সিভিলাইজেশন (সিআইএসসি)। এটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৫ কোটি মার্কিন ডলার।
২০২৬ সালের মার্চ থেকে জনসাধারণের জন্য এ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি খুলে দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, এ সাংকৃতিক কেন্দ্রটি ইসলামি জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে উজবেকিস্তানের ঐতিহাসিক ভূমিকাকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসবে।
সিআইএসসি-এর পরিচালক ফিরদাভস আবদুখালিকভ বলেন, ‘এ অঞ্চলটি বিশ্বসভ্যতায় অবদান রাখা বহু পূর্বসূরির আবাসভূমি ছিল। তাঁদের সে অবদানের কথা কীভাবে বিশ্বের সামনে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় ও আধুনিক কায়দায় উপস্থাপন করা যাবে, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছিল।’
আরবদের আগমনের মাধ্যমে সপ্তম শতকে মধ্য এশিয়া অঞ্চলে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটে। এতে অঞ্চলটিতে আগে থেকে প্রচলন থাকা জরথুস্ত্র ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যের জায়গায় নতুন ধর্মীয় ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়। নবম থেকে ১২ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মধ্য এশিয়া—বিশেষ করে বর্তমান উজবেকিস্তান বিজ্ঞান, সাহিত্য ও স্থাপত্যকলায় এক উজ্জ্বল স্বর্ণযুগ পার করেছে।৮ বছর ধরে ভবনটির নির্মাণকাজ চলেছে। ৪০টির বেশি দেশের ১ হাজার ৫০০ বিশেষজ্ঞ সিআইএসসি-এ বৈজ্ঞানিক, স্থাপত্যগত ও সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে ছিলেন।
ভবনের শীর্ষে ৬৫ মিটার লম্বা একটি নীল রঙের গম্বুজ বসানো আছে।
সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াভিত্তিক শিক্ষাচর্চার’ একটি জোন থাকবে। সেখানে ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। প্রযুক্তির বদৌলতে দর্শনার্থীরা সেখানে ঐতিহাসিক পণ্ডিত ও চিন্তাবিদদের কথিত ‘জীবন্ত প্রতিকৃতির’ সঙ্গে কথোপকথনের অভিজ্ঞতাও পাবেন। এই প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজনের লক্ষ্য হলো—শিশুদের জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শিল্পকলার জগতের প্রতি আগ্রহী করে তোলা।
সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটির দ্বিতীয় তলা গবেষণার জন্য নির্ধারিত। সেখানে আন্তর্জাতিক গবেষকেরা আধুনিক গ্রন্থাগার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সেখানে থাকছে ২ লাখের বেশি বই।
আবদুখালিকভ বলেন, ‘এটি শুধু জাদুঘর নয়। এটি একটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। এখানে নিদর্শনের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের জীবন ও ভাবনাকে তুলে ধরা হয়েছে।
‘এ অঞ্চলটি বিশ্বসভ্যতায় অবদান রাখা বহু পূর্বসূরির আবাসভূমি ছিল। তাঁদের সে অবদানের কথা কীভাবে বিশ্বের সামনে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় ও আধুনিক কায়দায় উপস্থাপন করা যাবে—সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছিল।’ফিরদাভস আবদুখালিকভ, সিআইএসসি-এর পরিচালকউজবেকিস্তান ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হলেও ইসলাম ধর্ম সেখানকার ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে।
আরবদের আগমনের মাধ্যমে সপ্তম শতকে মধ্য এশিয়া অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটে। এতে অঞ্চলটিতে আগে থেকে প্রচলন থাকা জরথুস্ত্র ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যের জায়গায় নতুন ধর্মীয় ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়। নবম থেকে ১২ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মধ্য এশিয়া—বিশেষ করে বর্তমান উজবেকিস্তান বিজ্ঞান, সাহিত্য ও স্থাপত্যকলায় এক উজ্জ্বল স্বর্ণযুগ পার করেছে।
ইতিহাসবিদ ফারহান আহমদ নিজামি বলেন, ‘বিশ্বায়ন’ ধারণাটি প্রচলিত হওয়ার বহু আগেই উজবেকিস্তান ও বিস্তৃত মধ্য এশিয়া অঞ্চলটি বিশ্বায়নের নমুনা হয়ে উঠেছিল।
আন্তমহাদেশীয় বাণিজ্যপথ সিল্ক রোড ব্যবহার করে উজবেকিস্তানের বুখারা ও সমরখন্দের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে যাওয়া যেত। ভেনিস থেকে জিয়ান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল সিল্ক রোড। এটি ১ হাজার ৫০০ বছর ধরে (খ্রিষ্টপূর্ব ১৩০ থেকে খ্রিষ্টাব্দ ১৪৫৩ পর্যন্ত) গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই দীর্ঘ পথে পূর্ব ও পশ্চিমের সংস্কৃতি, জ্ঞান ও শিল্পের মেলবন্ধন হতো। আর উজবেকিস্তান ছিল তার কেন্দ্রস্থল।
আরও পড়ুনযুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের পরিবর্তে উচ্চশিক্ষায় ভারতীয়রা কেন ঝুঁকছেন বাংলাদেশ–সিঙ্গাপুর–উজবেকিস্তান–রাশিয়ার দিকে০২ আগস্ট ২০২৫পরে ১৫ ও ১৬ শতকে তিমুরিদ সাম্রাজ্য শিল্প, বিজ্ঞান ও কূটনীতির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রেনেসাঁ যুগের সাক্ষী হয়, যার কেন্দ্র ছিল সমরখন্দ। আর সে যুগের অনুপ্রেরণাতেই সিআইএসসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে।
১৯ শতকে রাশিয়ার বিস্তারের কারণে মধ্য এশিয়ার অনেক অঞ্চল রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। পরে তা সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে আসে। ওই সময় সেখানে ধর্মনিরপেক্ষ শাসন চালু হয় এবং ইসলামি চর্চা সীমিত করা হয়।
আবদুখালিকভ বলেন, ‘সোভিয়েত যুগে আমাদের সাংস্কৃতিক সম্পদের একটি বড় অংশ দেশ থেকে চলে গিয়েছিল।’
১৯৯১ সালে উজবেকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে। তখন থেকে দেশটির ইসলামি ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় পুনরুজ্জীবিত হতে শুরু করে। এ লক্ষ্যেই সিআইএসসিকে তার ঐতিহাসিক জিনিসপত্র পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেওয়া হয়।