নরসিংদীর রায়পুরায় কিশোর চালকের গলা কেটে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরের নাম শাহাদাৎ হোসেন (১৩)। সে রায়পুরার আদিয়াবাদ গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মো. ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ঘটনাস্থলের রাস্তা বেশ নির্জন। লোকজনের চলাচল কম থাকলেও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চলাচল আছে। বিকেলে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কিশোরকে রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ে যেতে দেখা যায়। সেখানে পৌঁছেই সে লুটিয়ে পড়ে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এরপর স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে কিশোরের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে রায়পুরা থানার পরিদর্শক মো.

মাসুদ আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। এ সময় কিশোরের পরিবারের সদস্যরা এসে তার লাশ শনাক্ত করেন। সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত কিশোরের স্বজনেরা বলেন, শাহাদাৎ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার বাবা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। বড় ভাই ইয়াসিন মিয়া অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের ব্যয় বহন করেন। গতকাল সকাল ১০টার দিকে শখের বশে বড় ভাইয়ের অটোরিকশা নিয়ে বের হয় শাহাদাৎ। দুপুরে পরিবারের কাছে খবর আসে, শাহাদাৎকে গলা কেটে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রায়পুরা থানার পরিদর্শক মো. মাসুদ আলম বলেন, কিশোর চালকের গলা কেটে অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যে বা যারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

নরসিংদীতে কিশোর চালকের গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাই

নরসিংদীর রায়পুরায় কিশোর চালকের গলা কেটে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরের নাম শাহাদাৎ হোসেন (১৩)। সে রায়পুরার আদিয়াবাদ গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মো. ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ঘটনাস্থলের রাস্তা বেশ নির্জন। লোকজনের চলাচল কম থাকলেও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চলাচল আছে। বিকেলে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কিশোরকে রাস্তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ে যেতে দেখা যায়। সেখানে পৌঁছেই সে লুটিয়ে পড়ে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এরপর স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে কিশোরের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে রায়পুরা থানার পরিদর্শক মো. মাসুদ আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। এ সময় কিশোরের পরিবারের সদস্যরা এসে তার লাশ শনাক্ত করেন। সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত কিশোরের স্বজনেরা বলেন, শাহাদাৎ মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার বাবা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। বড় ভাই ইয়াসিন মিয়া অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের ব্যয় বহন করেন। গতকাল সকাল ১০টার দিকে শখের বশে বড় ভাইয়ের অটোরিকশা নিয়ে বের হয় শাহাদাৎ। দুপুরে পরিবারের কাছে খবর আসে, শাহাদাৎকে গলা কেটে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রায়পুরা থানার পরিদর্শক মো. মাসুদ আলম বলেন, কিশোর চালকের গলা কেটে অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যে বা যারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ