দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটি চেয়ারম্যান ফোরকান হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ কমিটি চেয়ারম্যান সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটি চেয়ারম্যান মো.

সাজ্জাদ হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর শেখ মোর্শেদ জাহান, স্বতন্ত্র পরিচালক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম নুরুল আলম, এফসিএস; ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট কমিটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আবু জাফর, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবুল হাশেম, এফসিএ, এফসিএমএ; কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, এফসিএস এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডাররা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. আরিফুর রহমান, ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই ব্যাংকের সঙ্গে থাকার কারণে আমানতকারী ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি আমার দায়িত্ব অনেক বেশি। সুশাসন, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিংয়ের সমন্বয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল অবস্থান গড়ে তোলাই নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রধান লক্ষ্য।”

সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আবু জাফর, ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন এবং ব্যাংকের সবাইকে নিজস্ব কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে একযোগে কাজ করতে আহ্বান জানান।

ঢাকা/রাজীব

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর অন ষ ঠ

এছাড়াও পড়ুন:

নিহত ২ জন সন্ত্রাসী পলাশ ও কালা লাভলু বাহিনীর সদস্য: পুলিশ

প্রকাশ্য দিবালোকে খুলনার আদালত পাড়ায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যার শিকার ফজলে রাব্বি রাজন (৩৮) ও হাসিব হাওলাদার (৪৫) সন্ত্রাসী পলাশ ও কালা লাভলু বাহিনীর সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। সেই মামলায় আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য আসলে তাদের হত্যা করা হয়। 

এ হত্যাকাণ্ডের সময় রাব্বি ও হাসিবের সহযোগী রুম্মান (৩০) আহত হয়। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম হতাহতের তথ্য জানান। 

আরো পড়ুন:

কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

রাজশাহীতে হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) ত. ম. রোকনুজ্জামান রাইজিংবিডি-কে বলেন, ‘‘নিহত রাব্বি ও হাসিব অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পলাশ ও কালা লাভলু বাহিনীর সদস্য ছিলেন। গত মার্চ মাসে যৌথ বাহিনীর হাতে তারা অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়। পরে জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন।’’

প্রকাশ্যে জনসম্মুখে ডাবল মার্ডারের ঘটনায় খুলনা নগরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। হত্যা মিশন শেষ করে সন্ত্রাসীরা নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারায় আদালত পাড়ার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের চারতলা ভবনের সামনের মেইন রোডের ফুটপাতে দুপুর ১২টার দিকে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা রাব্বি ও হাসিবকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে। পুলিশ জানায়, রাব্বি ও হাসিব সোনাডাঙ্গা থানার একটি অস্ত্র মামলার আসামি ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাব্বি ও হাসিব আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। হাজিরা শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হাসিব মারা যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাব্বিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের বিরুদ্ধে মাদক কারবারে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

নিহত হাসিব খুলনা নগরের নতুন বাজার লঞ্চঘাট এলাকার মান্নফের ছেলে এবং রাব্বি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের আব্দুর রবের মোড় এলাকার এজাজ শেখের ছেলে। 

আহত রুম্মান নগরের লবণচরা পুটিমারি এলাকার আক্তার গাজীর ছেলে। রুম্মান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ২ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ৩১ মার্চ নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় অস্ত্র আইনের একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় আদালতে হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় আদালতের প্রধান ফটকের সামনে মেইন সড়কে আগে থেকে অবস্থানরত সন্ত্রাসীরা গুলি ও ছুরিকাঘাত করে স্থান ত্যাগ করে।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত মনে হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সহকারী পুলিশ কমিশনার ত. ম. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘‘ঘটনার পর থেকে ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। খুব দ্রুত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’’  
 

ঢাকা/নুরুজ্জামান/বকুল 

সম্পর্কিত নিবন্ধ