আত্মীয় হারানোর শোক নিয়ে ফ্ল্যামেঙ্গোকে মহাদেশীয় শিরোপা জেতালেন এই ব্রাজিলিয়ান
Published: 30th, November 2025 GMT
প্রথম ব্রাজিলিয়ান ক্লাব হিসেবে চতুর্থবারের মতো কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপা জিতেছে ফ্ল্যামেঙ্গো। দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনালে আজ আরেক ব্রাজিলিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী পালমেইরাসকে ১–০ গোলে হারিয়েছে তারা।
পেরুর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে শিরোপা নির্ধারণী গোলটি করেন দানিলো। কর্নার থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করেন এই ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।
ভিন্ন এক কারণেও দানিলোর জন্য এই মুহূর্তটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ম্যাচের আগের দিনই নিজের আন্টিকে হারান তিনি। এই শোক সামলেই মাঠে নেমেছিলেন দানিলো এবং দলকে এনে দেন ট্রফি জেতানো গোলটিও।
আরও পড়ুনব্রাজিলিয়ান ক্লাবের কিশোরদের কাছে ৫ গোল খেল টেন হাগের দল১৯ জুলাই ২০২৫ম্যাচ শেষে পরিবারকে গোল উৎসর্গ করে সাবেক জুভেন্টাস রাইটব্যাক দানিলো বলেছেন, ‘সবাই জানে আমি ফ্ল্যামেঙ্গোর সমর্থক এবং আমি (ইউরোপ থেকে) ফিরে এসে এই ক্লাবের হয়ে খেলতে কতটা মুখিয়ে ছিলাম। এই জয়টা বিশেষ। আমার আন্টি গতকাল মারা গেছেন। আমার বাবাকে (পেরু থেকে) সেখানে ফিরে যেতে হয়েছে। তিনিও ফ্ল্যামেঙ্গো সমর্থক। আমি এই জয়টা তাকে এবং আমার পুরো পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই।’
দানিলোর উচ্ছ্বাস ও ভিতর রকির হতাশা.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
আত্মীয় হারানোর শোক নিয়ে ফ্ল্যামেঙ্গোকে মহাদেশীয় শিরোপা জেতালেন এই ব্রাজিলিয়ান
প্রথম ব্রাজিলিয়ান ক্লাব হিসেবে চতুর্থবারের মতো কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপা জিতেছে ফ্ল্যামেঙ্গো। দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনালে আজ আরেক ব্রাজিলিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী পালমেইরাসকে ১–০ গোলে হারিয়েছে তারা।
পেরুর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে শিরোপা নির্ধারণী গোলটি করেন দানিলো। কর্নার থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করেন এই ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।
ভিন্ন এক কারণেও দানিলোর জন্য এই মুহূর্তটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ম্যাচের আগের দিনই নিজের আন্টিকে হারান তিনি। এই শোক সামলেই মাঠে নেমেছিলেন দানিলো এবং দলকে এনে দেন ট্রফি জেতানো গোলটিও।
আরও পড়ুনব্রাজিলিয়ান ক্লাবের কিশোরদের কাছে ৫ গোল খেল টেন হাগের দল১৯ জুলাই ২০২৫ম্যাচ শেষে পরিবারকে গোল উৎসর্গ করে সাবেক জুভেন্টাস রাইটব্যাক দানিলো বলেছেন, ‘সবাই জানে আমি ফ্ল্যামেঙ্গোর সমর্থক এবং আমি (ইউরোপ থেকে) ফিরে এসে এই ক্লাবের হয়ে খেলতে কতটা মুখিয়ে ছিলাম। এই জয়টা বিশেষ। আমার আন্টি গতকাল মারা গেছেন। আমার বাবাকে (পেরু থেকে) সেখানে ফিরে যেতে হয়েছে। তিনিও ফ্ল্যামেঙ্গো সমর্থক। আমি এই জয়টা তাকে এবং আমার পুরো পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই।’
দানিলোর উচ্ছ্বাস ও ভিতর রকির হতাশা