2025-11-30@05:46:51 GMT
إجمالي نتائج البحث: 12
«ইশক ম»:
‘তেরে ইশক মে’-তে প্রেমের বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরেছেন আনন্দ এল রাই। ছবির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন দক্ষিণি তারকা ধানুশ ও বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। গতকাল শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় সিনেমাটি।কত আয় করল মুক্তির পর ধানুশ ও কৃতি স্যানন অভিনীত এই ছবি পেয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া—কারও কাছে ধনুশের ‘অ্যাংরি লভার বয়’ অবতার মন জয় করেছে, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি ‘দিল্লির বাতাসের চেয়েও বেশি বিষাক্ত’। সমালোচকদের কাছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও সাধারণ দর্শকের বেশ পছন্দ হয়েছে সিনেমাটি; প্রথম দিনেই আয় করেছে ১৭ কোটি রুপি। এটি চলতি বছর হিন্দি রোমান্টিক সিনেমাগুলোর মধ্যে প্রথম দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়। ২১ দশমিক ৫ কোটি রুপি আয় নিয়ে অনুমিতভাবেই শীর্ষে আছে মোহিত সুরির ‘সাইয়ারা’। মুক্তির প্রথম দিনেই ‘তেরে ইশক মে’ নিয়ে অন্তর্জালে আলোচনা শুরু হয়ে...
‘তেরে ইশক মে’-তে প্রেমের বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরেছেন আনন্দ এল রাই। ছবির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন দক্ষিণি তারকা ধানুশ ও বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ১৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ের একটি মাল্টিপ্লেক্সে প্রকাশিত হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। হাজির ছিলেন ধানুশ, কৃতি, আনন্দ এল রাই ও প্রযোজক ভূষণ কুমার। আনন্দ এল রাইয়ের আগের `রানঝানা’–তে প্রেমে উন্মত্ত এক তরুণের চরিত্রে দর্শকের মন জয় করেছিলেন ধানুশ। নতুন ছবি ‘তেরে ইশক মে’-তেও তিনি ফিরছেন তীব্র আবেগে ভরা এক চরিত্র ‘শংকরের’ মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে কৃতির ‘মুক্তি’ সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্র—কঠোর, জেদি, ক্ষতবিক্ষত; কিন্তু ভেতরটা লুকানো কোমলতায় ভরা। তাঁর চরিত্রের প্রথম ঝলকই দর্শকের নজর কেড়েছে—এক হাতে পানীয়ের গ্লাস, অন্য হাতে সিগারেট। কৃতির পর্দায় উপস্থিতিতেই স্পষ্ট—মুক্তি চরিত্রটি তিনি আলাদা যত্নে নির্মাণ করেছেন।আবেগে ভাসলেন কৃতিঅনুষ্ঠানে সহ-অভিনেতা ধানুশের সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আবেগভরা...
‘গুস্তাখ ইশক’ দিয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন ভারতের খ্যাতনামা ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রা। বিভু পুরি পরিচালিত মিউজিক্যাল রোমান্টিক ছবিটিতে দেখা যাবে অভিনেতা বিজয় ভার্মা ও ফাতিমা সানা শেখের হৃদয়গ্রাহী রসায়ন। গত সোমবার মুম্বাইয়ের এক মাল্টিপ্লেক্সে অত্যন্ত আড়ম্বরের সঙ্গে মুক্তি পেয়েছে ‘গুস্তাখ ইশক’-এর ট্রেলার। ছবিতে আরও আছেন নাসিরুদ্দিন শাহ। ছবির গানও যে উপভোগ্য হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ, এই ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন বিশাল ভরদ্বাজ আর কথা লিখেছেন গুলজার।ফাতিমা সানাকে সাধারণত বহু তারকা–সংবলিত ছবিতে দেখা যায়। কয়েক মাস আগেই যেমন অনুরাগ বসুর ‘মেট্রো ইন দিনো’তে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু ‘গুস্তাখ ইশক’–এ তিনিই মূল নায়িকা। ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানে নিজের অভিনয়যাত্রা নিয়ে সানা বলেন, ‘নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করেছি। ছোটবেলা থেকেই অভিনয় শুরু করেছিলাম, তখন ছিলাম শিশুশিল্পী। আগে ইন্ডাস্ট্রিতে একটা...
আশির দশকে জনপ্রিয় নায়িকাদের তালিকায় নাম লেখান। যদিও মাত্র ৭ বছর বয়সে অভিনয় শুরু করেন। কিন্তু প্রযোজকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পর তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এমনকি, নির্মাতাদের কাছে বিশেষ শর্ত রাখার কারণে বহু সফল সিনেমা তার হাতছাড়া হয়। বলছি, বলিউড অভিনেত্রী পদ্মিনী কোলাপুরে। ১৯৬৫ সালের ১ নভেম্বর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন পদ্মিনী। তার বাবা শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ছিলেন। বাব-মা, দুই বোনের সঙ্গে থাকতেন পদ্মিনী। তার দুই বোনও পেশায় অভিনেত্রী। তার বোন শিবাঙ্গি বলিউড অভিনেতা শক্তি কাপুরের স্ত্রী। ছোটবেলা থেকে হিন্দি সিনেমায় গান গাইতেন পদ্মিনী। তবে অভিনয়ের প্রতি তার বেশি ঝোঁক ছিল। মাত্র ১০ বছর বয়সে দেব আনন্দের ‘ইশক ইশক ইশক’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন পদ্মিনী। ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ সিনেমায় অভিনয় করেন। এ...
নব্বই দশকের জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী জুহি চাওলা। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। বলিউডের প্রথম সারির তারকা অভিনেতাদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দর্শকদের মুঠো মুঠো ভালোবাসা যেমন কুড়িয়েছেন, তেমনি অঢেল সম্পদেরও মালিক হয়েছেন। জুহির নায়কদের মধ্যে অন্যতম বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। তার সঙ্গে ‘ইশ্ক’, ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছাড়াও ‘দৌলত কি জং’, ‘তুম মেরে হো’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যার কে’ সিনেমায় জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হন। প্রতিটি সিনেমায় তাদের রসায়ন, হাস্যরস ও ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শকরা। পর্দার বাইরে ব্যক্তিগত জীবনে ভালো বন্ধু আমির খান জুহি চাওলা। কিন্তু জানেন কী এই আমির খানকে চুমু খেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন জুহি চাওলা? কেন এমনটা করেছিলেন জুহি, তা নিয়েই এই প্রতিবেদন— যে কারণে চুমু খেতে অস্বীকৃতি জানান...
বাংলাদেশের প্রতিটি বড় পরিবর্তনের পেছনে মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে তারুণ্য। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র আদায়ের আন্দোলন থেকে প্রযুক্তির বিপ্লব—সব ক্ষেত্রেই কেন্দ্রে ছিল তরুণেরা। আজকের তরুণ প্রজন্মও এক নতুন যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াই করছে। তবে এবার শত্রু অদৃশ্য। তার নাম বৈষম্য। আমি নিজেও সেই লড়াইয়ের একজন যোদ্ধা। ‘মজার ইশকুল’-এর মাধ্যমে বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমার এই লড়াই চলছে। মজার ইশকুল শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, একটি আন্দোলন। যার বিশ্বাস—শিক্ষা বিলাসিতা নয়, জন্মগত অধিকার।বৈষম্যের দেয়ালে তারুণ্যের ধাক্কাবাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, এখনো দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। আর ইউনিসেফের (জাতিসংঘ জরুরি শিশু তহবিল) ২০২৪ সালের প্রতিবেদন বলছে, ৩৪ লাখের বেশি শিশু বাস করছে অভিভাবকহীন, ছিন্নমূল। রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় চার লাখ শিশু বিভিন্ন কাজে যুক্ত, যাদের অনেকেই কখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়নি।একদিকে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত...
শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
বলিউডের স্বর্ণযুগের তারকাদের একজন দেব আনন্দ। অভিনয়, স্টাইল, ব্যক্তিত্ব—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে আলোচিত তারকাদের একজন। রোমান্টিক হিরো থেকে শুরু করে প্রযোজক ও পরিচালক—সব ভূমিকাতেই তিনি ছিলেন সাহসী ও নির্ভীক। তবে তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মধ্যেও এমন এক সময় এসেছে, যখন জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের ছবি তাঁকে আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ নিঃস্ব করে দিয়েছিল। ঘটনাটি ১৯৭৪ সালের। শাবানা আজমি, জিনাত আমান, কবির বেদি, জারিনা ওয়াহাব, জীবনসহ তারকা অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে নিজের পরিচালনায় দেব আনন্দ বানালেন ‘ইশক ইশক ইশক’। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন আর ডি বর্মন। এটি ছিল দেব আনন্দের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রজেক্ট, যেখানে প্রযোজনার পুরো খরচই এসেছিল তাঁর নিজের পকেট থেকে। কিন্তু মুক্তির পর বক্স অফিসে ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়ে।সম্প্রতি ফিল্মফেয়ারের ইউটিউব চ্যানেলে এসে পরিচালক শেখর কাপুর, যিনি সম্পর্কে দেব আনন্দের...
‘পথের ইশকুলে’র প্রতিষ্ঠাতা ড. সাকির ইব্রাহিম মাটির ৩৫তম জন্মদিন উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাজধানীর গুলিস্থানস্থ জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে ‘স্মরণে প্রিয় মাটি ভাই’ শীর্ষক শিরোনামে এ স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পথশিশুদের জন্য ‘পথের ইশকুল’ প্রতিষ্ঠা করেন ড. সাকির। নিজের পেশা ছেড়ে পথের শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে তিনি কাজ করেছেন এক যুগ ধরে। শিশুদের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘মাটি ভাই’ হিসেবে। গত ৫ মে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন ড. সাকির।
বউয়ের জন্মদিন। জারবেরা তার পছন্দের ফুল। অফিস থেকে ফেরার সময় দোকান থেকে একগোছা নীল জারবেরা ফুল নিয়ে বাসায় এলাম। অতি সুন্দর দেখতে। দরজা খুলেছে বউ। আমার হাতে নীল জারবেরা ফুল। শুধু হাঁটু মুড়ে বসা বাকি, প্রথম দিনের প্রপোজ করার ভঙ্গিতে খানিক লাজুক, খানিক হাসি হাসি মুখে বউয়ের হাতে ফুলগুলো দিয়ে বললাম, ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ!’জানতাম, বউ অত্যধিক খুশি হবে। শুধু জানতাম না, প্রচণ্ড খুশি হয়ে সেই অতি আনন্দের মুহূর্তে সে কী করতে পারে!মুখ শুকনা করে বউ বলল, ‘তুমি দেখি বিরাট বোকা। আগেও বোকা ছিলে, এখনো বোকা আছ!’থতমত খেয়ে গেলাম। পয়সা খরচ করেছি বলে সে কপট রাগ দেখিয়ে আমাকে বোকা বলছে। এটা ভালো লক্ষণ। তবে তার মুখে লজ্জার ভাব থাকার কথা। তার মুখ হয়ে আছে কড়া রোদ্দুরে শুকানো পাকা বরইয়ের মতো...
জাপানি একটি কবিতায় পড়েছিলাম, ‘বল দেখি কোথা যাই/ কোথা গেলে শান্তি পাই?’ বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেই পঙ্ক্তি দুটি মনে পড়ে। কবি ও কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক একটি লেখায় লিখেছেন, ‘এই পৃথিবীতে একটা স্থান ছিল সবচেয়ে করুণ সুন্দর, তা হলো বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আগের ভবনটি। গাছগাছালিতে ঢাকা। ছায়াময়। মায়াময়। গাছের তলা দিয়ে ইটবিছানো বাঁকা পথ বেয়ে এগোলে লাল ইটের একটা দোতলা ভবন। তার আঙিনায় কত পুষ্পবিহঙ্গবৃক্ষ পুরাণ রচিত হয়েছে। দোতলায় লাইব্রেরি। নিচতলায় হলঘর। ডান দিকে ভিডিও লাইব্রেরি ইত্যাদি।’ কেন্দ্রের সামনে গেলে আমারও একই অনুভূতি হয়। হৃদয় শীতল হয়ে আসে, শান্তি বোধ হয়। জানি না, ভবনের সামনের নানা ফুলের গাছ, অকৃত্রিম নান্দনিকতা না বর্তমানে ফুটে থাকা অশোক ফুলের সৌন্দর্যের কারণে এমনটা ঘটে; না বই ভালোবাসি বলে; না আছে অন্য কোনো...
বলিউডের তারকাবহুল সিনেমা ‘সালাম-ই-ইশক’। ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমার ‘বাবুজি ধীরে চলনা’ গানে পারফর্ম করেন অনিল কাপুর ও অঞ্জনা সুখানি। এতে তাদের চুম্বন দৃশ্য রয়েছে। ২২ বছরের বড় অনিলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করা খুব কঠিন ছিল। সেই সময়ে তাকে সহযোগিতা করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বলা যায়, সেই পরিস্থিতি থেকে অঞ্জনাকে উদ্ধার করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। প্রায় দেড় যুগ পরে সেই চুম্বন দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন অঞ্জনা। কয়েক দিন আগে বলিউড হাঙ্গামাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অঞ্জনা সুখানি। কথার শুরুতে প্রিয়াঙ্কার প্রশংসা করে এই অভিনেত্রী বলেন, “সত্যি বলছি, সে (প্রিয়াঙ্কা চোপড়া) পুতুলের মতো। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া সবসময়ই সহযোগিতা করেছে, বিশেষ করে শুটিংয়ের সময়ে।” অনিল কাপুরের সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করার আগে ভীষণ চাপ বোধ করেছিলেন অঞ্জনা। ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন। এ...
